গ্রন্থাগারিকের হাতে ধর্ষিত গোদাগাড়ীর সেই স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

0

স্কুলের গ্রন্থাগারিকের হাতে ধর্ষণের শিকার গোদাগাড়ীর দিগরাম উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী খালেদা খাতুন (১৪) কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছে।

শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে কীটনাশক পান করলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরে শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) ভোর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিপজুর আলম মুন্সি বিষয়টি জানান, বর্তমানে স্কুলছাত্রীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।

নিহত খালেদা খাতুনের বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার জৈটাবটতলা গ্রামে। তার বাবার নাম আলম হোসেন। সে দিগরাম স্কুলে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

এর আগে গত ৩ নভেম্বর রাতে খালেদা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন তার স্কুলের গ্রন্থাগারিক শহীদুল ইসলাম (৩৮)। পরে স্থানীয়রা তাকে হাতে-নাতে ধরে ফেলেন। এরপর তাকে গণপিটুনি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। পরে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে পুলিশ অভিযুক্ত শহীদুলকে কারাগারে পাঠায়। শহীদুল উপজেলার জাহানাবাদ গ্রামে দাউদ আলীর ছেলে। সে এখনও কারাবন্দি রয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোদাগাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুল লতিফ জানান, এরই মধ্যে ওই স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। তাতে বলা হয়েছে

সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে, তবে বলপূর্বক নয়।

এদিকে, নিহত ছাত্রীর বাবা জানান, এই প্রতিবেদনের বিষয়টি জানতে পারার পর লোকলজ্জায় সে গ্রামে থাকতো না। উপজেলার বালিগ্রামে সে তার নানার বাড়িতে থাকতো। শুক্রবার সেখানেই সে কীটনাশক পান করে।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিপজুর আলম মুন্সি বলেন, ‘কী কারণে খালেদা আত্মহত্যা করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান ওসি।

খবরঃ বাংলানিউজ

Share.



Comments are closed.