রুয়েটের ২৫ স্বপ্নবাজের রেসিং কার যাচ্ছে জাপানে

9

তারা শহীদ রুমির অনুসারি। তার মতোই ভালোবাসেন দেশকে। শহীদ রুমির গেরিলা দল ‘ক্রাক প্লাটুন’ এর নামেই তারা নিজেদের গ্রুপের নামকরন করেছে। রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-রুয়েটের ২৫ জন স্বপ্নবাজের হাতে এবার তৈরি হচ্ছে রেসিং কার। অংশ নিবে জাপনে ‘ফরমুলা স্টুডেন্ট জাপান’ প্রতিযোগিতায়।

নিজেদের তৈরি কারসহ তাদের ২৩ জনের একটি দল যাচ্ছে যাপানে। জাপানের সিজিওকা ইকোপো স্টেট বিশ্ববিদ্যলয়ে ৫-৯ সেপ্টেম্বর এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। তারা বিশ্বে ২৭টি দেশের ৮৯টি দল এখানে অংশ নিবে। বাংলাদেশ থেকে রুয়েটের এ দলটি আগামী ২ সেপ্টেম্বর রওনা দিচ্ছে। ২৩ জনের এই দলটির যাতায়াতের বিষয়ে সহায়তা দিয়েছে রানার মোটরস। তবে তাদের কার নিয়ে যাওয়ার ব্যপারে এখনো কোনো স্পনসার পাওয়া যায়নি। বড় এই কারটি নিতে লাগবে কার্গো সার্ভিস। কার নিয়ে যাওয়া এবং আনার জন্য ব্যায় হবে প্রায় দশ লাখ টাকা। তবে তারা অশাবাদী স্পনসার মিলে যাবে তারা জাপনে গিয়ে অংশ নিতে পারেবে। ফরমুলা রেসিং এর জন্য তৈরি এই কারের চাকা এবং ইঞ্জিনের কিছু অংশ বাদে পুরো গাড়িটি তারা তৈরি করেছে। এর আগে ভারতের তামিলনাড়–র কোয়েমবাটুরে এই দলটি চারচাকার কোয়ার্ড বাইক নিয়ে অংশ নেয়। গত বছরের ৫-৯ আক্টোবরে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় তারা ৬ষ্ঠ স্থান অংশ নেয়। ওই প্রতিযোগিতায় ৪৪ টি দল অংশ নেয়।

টিম ক্রাক প্লাটুনের দল নেতা মুসা মাহামুদ রানা জানান, তাদের এই কারটি প্রতি ঘন্টায় ১৩০ কিলো মিটার স্প্রিড তোলা যাবে। তবে প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ি তারা মাত্র ১০০ মিটার প্রতি ঘন্টায় তুলতে পারবেন। তারা এ কাজে স্পনসারদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন রাজশাহীতে এ ধরনের কাজে সহায়তা পাওয়া মুসকিল ঢাকায় এ ধরনের কাজে সহজেই স্পনসার পাওয়া যায়। তাদের এই কার ফরমুলা ট্রাকে ভেজা এবং শুকনা দুই রাস্তায় চলাচল করবে। এ প্রতিযোগিতায় সিঙ্গাপুর, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, তাইওয়ান, ভারত এবং পাকিস্তানের দল গুলো তাদের স্পোর্টস কার নিয়ে হাজির হবে। রুটের দলটি গত ছয় মাস ধরে কারটি তৈরি করছে। এটির ডিজাইনিং থেকে শুরু করে তৈরির প্রতিটি ধাপ তারা নিজ হাতে করেছেন।

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-রুয়েটের মেকানিকাল বিভাগের প্রফেসর ড. রোকেনুজ্জামান বলেন, এ কারটি তৈরিতে রুয়েট কর্তৃপক্ষ এবং রানার মোটরস সহায়তা দিচ্ছে। তারা কারটি নিয়ে যাওয়ার জন্য কার্গো ভাড়ার বিষয়ে স্পনসারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। কারটি তৈরি করতে ফ্যকাল্টি অ্যডভাইজার হিসেবে কাজ করছেন মেকানিকাল বিভাগের প্রফেসর ড. ইমদাদুল হক এবং প্রভাষক সাইফুর রহমান।

খবরঃ দৈনিক সানশাইন

Share.



9 Comments

  1. Toufikq Imam

    সামান্য একটা মোটরসাইকেল দেশে বানাইতে পারে না সব চায়না থেকে দুই নাম্বার মাল নিয়ে আইসা জোড়া দিয়ে ১০০০ টাকার মালে ৫০০% ভ্যাট বসাইয়া ৫লাখ টাকা দিয়া বেচে 😂আবার স্পোর্টস কার *দায় 😂 বালের একটা দেশ

Open