মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারায় সাংবাদিকতা করার আহ্বান : ফজলে হোসেন বাদশা

1

রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের স্বপৰের শক্তিগুলোর মধ্যে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ঢুকে যাচ্ছে। স্বাধীনতার স্বপৰের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অপশক্তির বির্বদ্ধে র্বখে দাড়াতে হবে। অসাম্প্রদায়িকতার ধারা অব্যহত রাখতে সাংবাদিকরা গুর্বত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারায় সাংবাদিকতা করতে হবে।’

গতকাল মঙ্গলবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) রিপোটার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমপেৱঙে সংগঠনের সভাপতি কায়কোবাদ আল মামুন খানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলী হোসাইন মিঠুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌস, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাজী শাহেদ, সোনালী সংবাদের নির্বাহী সম্পাদক মাহমুদ জামাল কাদেরী, বিএফইউজে’র সদস্য জাবীদ অপু, যমুনা টিভির রাজশাহী ব্যুরো প্রধান শিবলী নোমান প্রমূখ।

পরে দুপুর সাড়ে ১২টায় সেখানে ‘জাতীয় নেতা শহীদ এএইচএম কামার্বজ্জামান ও রাজশাহীর গণমাধ্যম’ শীর্ষক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইএচএম খায়র্বজ্জামান লিটন। প্রধান আলোচক ছিলেন রাবির ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন মিশ্র। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খায়র্বজ্জামান লিটন বলেন, ‘শহীদ কামার্বজ্জামান শুধু রাজশাহীর নয়, জাতীয় পর্যায়ের অসংখ্য পত্রিকা প্রবর্তনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভাষা আন্দোলনের পর থেকে তাঁর হাত পিতার হাতে প্রবর্তিত সাপ্তাহিক প্রবাহ থেকে শুর্ব করে সর্বশেষ বাকশাল গঠনের আগে জনপদ পত্রিকার প্রাণপুর্বষ ছিলেন িতনি। মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রকাশিত বাংলার কথা পত্রিকাটি প্রকাশেও তিনি আবদান রাখেন। অথচ তাঁর গণমাধ্যমে যুক্ত থাকার বিষয়টি অনেক আওয়ামী লীগ নেতাও জানেন না। ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টার ফলে এটা হয়েছে।’

দুপুর আড়াইটার দিকে সমাপনী সেশনে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়। এতে যমুনা টিভির বিশেষ প্রতিনিধি মোহসীন-উল হাকিমকে সুন্দরবনের জলদস্যু বিষয়ে প্রতিবেদন ও জলদস্যুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ৰেত্রে মূখ্য ভূমিকা পালন করায় সম্মাননা দেয়া হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কথা সাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক। তিনি বলেন, ‘সুন্দরবনের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র যদি কোন রকমে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়, তবে অন্যত্র স্থানান্তর করা উচিত হবে। কোন ধরনের ঝুকির মধ্যে যাওয়া শুভ হবে না।’ সংগঠনের সাবেক সভাপতি মেহের্বল সুজনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পান্ডে, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মশিহুর রহমান প্রমূখ।

এর আগে সকালে সংগঠনের কার্যালয়ে কেক কেটে ও ফেস্টুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন রাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা। পরে সেখান থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। এছাড়া সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজর্বল ইসলাম মিলনায়তনে পুনর্মিলনী ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

খবরঃ দৈনিক সোনালী সংবাদ

Share.



1 Comment

  1. Rasel Mahmud

    খালি চেতনা। যেখানে যাই সেখানেই চেত না।এত চেতনা কইত্তে আসে।

Open