অস্থির রাজশাহীর বাজার

রাজশাহী

কয়েক মাসের ব্যবধানে রাজশাহীর বাজারে প্রতি কেজিতে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ টাকা বেড়েছে গরুর মাংসের দাম। সেইসঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। গত সপ্তাহেও বাজারে উঠা নতুন সবজি চড়া দামে বিক্রি হয়েছে। সপ্তাহে ঘুরে দামের খুব একটা হেরফের হয়নি। বেড়েছে আদা-রসুনের দামও। সবমিলিয়ে রাজশাহীর কাঁচাবাজার উর্ধ্বমূখী।

শুক্রবার রাজশাহীর সাহেব বাজারসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা যায়। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, গরম পড়তে শুরু করেছে। এসময় সবজিতে পোঁকার আক্রমন বেশি হয়। এতে কমে যায় সবজির উৎপাদন। আর তাতেই সবজির এমন আকাশছোঁয়া দাম।

প্রতি সপ্তাহেই পাল্লা দিয়ে দাম বাড়ছে মাংসের। কয়েক মাসের ব্যবধানে ৭০-৮০ টাকা বেড়ে বাজারে গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৫২০-৫৩০ টাকা দরে। এছাড়াও খাসির মাংস ৭২০-৭৫০ টাকা, পোল্ট্রি ১৪৫-১৫০ টাকা, লেয়ার ১৭৫-১৮৫ টাকা, হাঁস ২৭০-২৮০ টাকা, সোনালী ২৪০ টাকা ও দেশি মুরগি ৩৪০-৩৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

এদিকে, গত সপ্তাহের মতই প্রায় সবধরনের সবজিই চড়া দামে বিক্রি হয়েছে। বাজারে সজিনা ডাটা ৯০-১০০ টাকা, ঢেড়স প্রতিকেজি ৬০-৮০ টাকা, পটল ৬০-৭০ টাকা, করলা ৭০-৮০ টাকা, মরিচ ৬০ টাকা ও পেঁয়াজ ২০-২২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। সেইসঙ্গে দাম বেড়ে রকমভেদে প্রতিকেজি আদা ১২০-১৬০ টাকা ও রসুন ৬০-৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়াও বাজারে প্রায় সব ধরনের শাক বিক্রি হয়েছে ২০-৩০ টাকা দরে।

এছাড়াও আলু প্রতি কেজি ১২ টাকা, সিম ৪০ টাকা, ফুলকপি ২০-৩০ টাকা, শশা ৩০-৪০ টাকা, বেগুন ২০-৩০ টাকা, টমেটো ১৫-৪০ টাকা, গাজর ১৫-২০ টাকা, বাধাকপি প্রতি পিস ১০ টাকা, ধনে পাতা ২০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া ২০-৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

ডালের মধ্যে বুট ডাল ৪০ টাকা, দেশি বুট ১০০ টাকা, এ্যাংকর ডাল ৪০ টাকা, মসুর ডাল ৬০ টাকা, দেশি মসুর ৮০ টাকা ও খেসারী ডাল ৪৫-৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়াও ভোজ্য তেল প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ৮০-৯০ টাকা ও বোতলজাত ১০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হয়েছে।

মাছের বাজারে রকমভেদে দাম উঠানামা করতে দেখা গেছে। বাজারে রকমভেদে সিলভার কার্প ১০০-১৫০ টাকা, পাঙ্গাশ ১০০-১৬০ টাকা, চিংড়ি ও গলদা চিংড়ি ৫০০-১০০০ টাকা, বাটা ১২০-১৪০ টাকা, বড় শোল ৯০০ টাকা ও ছোট শোল ২০০-৬০০ টাকা, পাবদা ৪০০-৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়াও রুইয়ের ওজনভেদে প্রতি কেজি ১৬০-৩৫০ টাকা, ইলিশ ৫০০-৯০০ টাকা, কাতল ২৮০-৪০০ টাকা, কালবাউশ ২৫০ টাকা, ট্যাংরা ৫০০-৮০০ টাকা, আইড় ৪০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়াও চালের বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট ৫৫ টাকা, আটাশ ৪২ টাকা, জিরাশাল ৫৫ টাকা, বাসমতি ৭৫ টাকা, পায়জাম ৬০ টাকা, কাটারিভোগ ৭৫ টাকা, স্বর্ণা ৪৫ টাকা, গুটি স্বর্ণা ৩৫ টাকা, কালজিরা আতপ ৮০-৯০ টাকা, চিনিগুড়া আতপ ৯০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

খবর কৃতজ্ঞতাঃ ডেইলি সানশাইন