উত্তরপত্র মূল্যায়নে ‘নমনীয়’ হওয়ার অনুরোধ

জাতীয় রাজশাহী

briutti
হরতালের কারনে সূচি বিপর্যয়ের কারণে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা যাতে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়,সে বিষয়ে নির্দেশনা পেয়েছেন পরীক্ষকরা। তড়িঘড়ি না করে যথাযথভাবে উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিভিন্ন বোর্ড থেকে নির্দেশনা এসেছে।

বিএনপি জোটের লাগাতার অবরোধের মধ্যে হরতালের কারণে গত ০২ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু করা যায়নি।
একই কারণে ১৬ দিনে মোট ২শ’ ৭৭টি বিষয়ের পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। এসব পরীক্ষা শুক্র ও শনিবার নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে ০৮,১০ ও ১১ মার্চের পরীক্ষা স্থগিত রয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা বলেন,একটা বিপর্যস্ত পরিস্থিতির মধ্যে এবার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে। যথাযথ ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করার জন্য পরীক্ষকদের সঙ্গে মিটিং করে বলা হয়েছে,যাতে কোনো শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

বিভিন্ন বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে উত্তপত্র যথাযথভাবে মূল্যায়নের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় সাব কমিটি থেকে।সপ্তাহে দু’টি করে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় পরীক্ষকরা উত্তরপত্র মূল্যায়নে এবার বেশি সময় পাচ্ছেন বলে মনে করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ও বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা। আর সেজন্য উত্তরপত্র মূল্যায়নও যথাযথ হবে বলে আশা করছেন তারা।

গত ০৭ মার্চ রাজধানীর মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে অভিভাবকদের দাবির মুখে পড়েন শিক্ষামন্ত্রী। হরতাল-অবরোধে নির্ধারিত দিনে পরীক্ষা না হওয়া ও এতে ফল খারাপ হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে অভিভাবকরা উত্তরপত্র মূল্যায়নে ‘নমনীয়’ হওয়ার আবেদন জানান।

ওই সময় শিক্ষামন্ত্রী অভিভাবকদের বলেন, কোনোভাবেই পরীক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক মঙ্গলবার (১৭ মার্চ)বলেন,শিক্ষার্থীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য পরীক্ষকরা যথাযথভাবে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করবেন। তিনি বলেন,সব প্রশ্নের উত্তর ঠিকমতো মূল্যায়ন ও নম্বর তোলার ক্ষেত্রে পরীক্ষকরা যত্নবান হবেন। পরীক্ষার মাঝে গ্যাপ থাকায় উত্তরপত্র ‘যথাযথ’ মূল্যায়ন হবে বলেও আশা করেন শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান।

পদার্থ বিজ্ঞানে ভুল প্রশ্নে নম্বর পাবে সবাই,এসএসসির পদার্থ বিজ্ঞান পরীক্ষায় ভুল প্রশ্নের জন্য শিক্ষার্থীরা নম্বর পাওয়ার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,প্রশ্নে ভুলের কারণে কোনো শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা শুরু ও শেষ করা না গেলেও পরীক্ষা শেষের ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক।