কথা রাখলেন রাজশাহীর পুলিশ কমিশনার

রাজশাহী

কথা রাখলেন রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার মাবাবুবর রহমান, পিপিএম। জনগনের চলাচলের সুবিধার জন্য নগরীর শিরোইল বাস টার্মিনালের সামনে থেকে দাঁড়িয়ে থাকা বাসগুলো সরিয়ে ফেললেন তিনি। মহানগর পুলিশে যোগদানের পর ২০ আগস্ট তিনি সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভার তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার এ পর্যায়ে রাস্তায় যানজট নিরসনে এ উদ্যোগ নেয়ার কথা দিয়েছিলেন।

নগরীর অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক শিরোইল বাস টার্মিনালের সামনের ভাঙা সড়কটির দুই ধারে দিন-রাত সব সময় দুর পাল্লার বাস স্থায়ি ভাবে দাড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। এক দিকে সড়কটিতে ভাঙা ও গর্ত রয়েছে, তার ওপর রাস্তার দুই ধারে বাস দাড়া করিয়ে রাখায় এই রাস্তা দিয়ে নগরবাসীর যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পুলিশ কমিশনার অভিযোগটি শেনার পরে উক্ত বিষয়ের ওপর পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন।

কমিশনারের আশ্বাস মোতাবেক গত ২২ আগস্ট সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এই সড়কটির দুই ধারে স্থায়ি ভাবে আর কোন দুর পাল্লার বাস দাড়িয়ে রাখা হচ্ছে না। যে বাসগুলো দাঁড়াচ্ছে তারা যাত্রি তুলেই চলে যাচ্ছে।

বাস টার্মিনালের রাস্তার পাশে থাকা সিকদার খাবার হোটেলের আলতাফ বলেন, গত ২১আগস্ট এখানে বেশ কিছু পুলিশ এসে দাড়িয়ে থাকা বাসগুলোকে সরে যেতে বাধ্য করে। তারা (পুলিশ) বাস কর্তৃপক্ষকে বলেছেন এখানে যেন কোন বাস স্থায়ি ভাবে আর দাড়া করিয়ে রাখা না হয়।

খবরঃ দৈনিক সানশাইন

18 thoughts on “কথা রাখলেন রাজশাহীর পুলিশ কমিশনার

  1. স্যারের নিকট আবেদন তিনি যেনো রাজশাহীকে মাদকমুক্ত করতে সিংহের মতো নজরদারী করেন।শিক্ষানগরী রাজশাহী যেনো ধীরে ধীরে মাদক নগরীতে পরিনিত হচ্ছে

  2. বোঝা যাচ্ছে উনি একজন ভাল মানুষ তবে ভালমানুষের স্থায়িত্ত কম। তার আশে পাশেই তো খারাপ, ভালকে তো খারাপ ভাল থাকতে দেয়না।। দোয়া করি উনি যেন রাজশাহীকে আগের মত সুন্দর, নির্মল পরিবেশ ফিরিয়ে দিতে পারেন, রাজশাহীবাসি তার পাশে থাকবে ইনশাআল্লাহ্

  3. Commissioner সাহেবের কাছে আমার আবেদন।নগর এর, লাক্সমিপুর মোড এলাকাই কোন ফুতপাত দিয়া হাটা যায় না।ফুতপাত গুল হোটেল & ফাস্টফুড, গাড়ী garage ফলের দোকান ইত্তাদিতে পরিণত হইসে। তদের কাছে পুলিশ সাপ্তাহিক চাঁদা নেন।আমি commissioner saheber দ্রিস্তি আকর্ষণ করছি।

  4. খুব সমস্যা হতো। বিভাগীয় শহরের এই রাস্তাটি খুবই বিপদজনক হয়ে আছে??? এই তো কিছু দিন আগে তালাইমারীতে অটো উল্টে কয়েকজন মানুষ নিহতো হলো। আর কতজন প্রাণ হারালে রাস্তাটির কাজ সংস্কার করা হবে?

Comments are closed.