কানে হেডফোন, ট্রেনে কেটে প্রাণ গেলো রুয়েট শিক্ষার্থী সজিবের

ক্যাম্পাসের খবর রাজশাহী রুয়েট

রাজশাহীতে ট্রেনে কাটা পড়ে আরিফ আহসান সজিব (২১) নামের রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (০৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মহানগরীর কাদিরগঞ্জ গ্রেটার রোড মসজিদ রেলগেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আরিফ রুয়েট সিভিল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি সিলেট পল্লীবিদ্যুতের (বর্তমান) প্রকৌশলী ও মহানগরীর তেরখাদিয়া এলাকার মাহবুবুল হোসেনের ছেলে।

রাজশাহীর জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর আলী জানান, কাদিরগঞ্জ গ্রেটার রোড মসজিদ রেলগেট এলাকায় রেললাইন দিয়ে হাঁটছিলেন আরিফ আহসান সজিব।

কানে হেডফোন লাগিয়ে মোবাইলে কথা বলছিলেন আরিফ আহসান। এ সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহীগামী একটি ট্রেন আসলেও সজিব খেয়াল করেন নি। স্থানীয়রা তাকে সরে দাঁড়াতে চিৎকার করলেও তিনি তা শুনতে পারেন নি। এতে ট্রেনে কাটা পড়ে তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে জিআরপি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই তার মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় জিআরপি থানায় অপমৃত্যুর মামলা হবে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

খবরঃ বাংলানিউজ

38 thoughts on “কানে হেডফোন, ট্রেনে কেটে প্রাণ গেলো রুয়েট শিক্ষার্থী সজিবের

  1. আসলে ঘটনার কিছুক্ষণ পর সেখানে যেয়ে শুনলাম যে কানে হেডফোনে কথা বলতে বলতে যাচ্ছিলো। হয়তো তার বাবার সাথে কথা বলছিলো। কারণ সে তাদের গেট বানানোর টাকা পেইড করতে এসেছিলো সেখানে। এটাই হয়তো তার বাবাকে বলছিলো। আবার অনেকেই বলছে হাতে ফোন আর ঘাড়ে ব্যাগ ছিলো। যাই হোক, এখন তো আর এসব বলে লাভ নাই। বাবা-মা তো তার সন্তানকে চিরকালের জন্য হারিয়ে দিলো।

  2. তার মৃত্যু এভাবেই ছিল। আল্লাহ তাই নির্ধারন করে রেখেছিলেন। তবে সাবধান হয়ে চলা উচিত। তবে কিছু মানুষ নিজেকে নির্বোধের পরিচয় দেয়। তাই অযথা কথা বলে, ভাবে না সেই ছেলেটির পরিবারের কথা বাবামার কথা। আসলে নিজে সেই ব্যথা না পেলে বঝেনা অন্যের ব্যাথা কত খানি।

  3. এই রকম পরিস্থিতীতে ধৈর্য ধরা বাবামার জন্য খুব কঠিন। 🙁 তারপরও ধৈর্য ধরতে হবে। আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে। আল্লাহ তার সব গুনাহ মাফ করো তাকে বেহেস্ত দান করো :(।

Comments are closed.