কান্নারত শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ নয়

জাতীয়

কান্নারত অবস্থায় কিংবা জোর করে শিশুকে যেন ভিটামিন এ ক্যাপসুল না খাওয়ানো হয় সে বিষয়ে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে সতর্ক করা হয়েছে।

এছাড়াও, ভিটামিন এ ক্যাপসুল অবশ্যই মাঠকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের দ্বারা খাওয়ানো এবং কোনক্রমেই শিশু বা অভিভাবকের হাতে ক্যাপসুল না দিতে সতর্ক করা হয়েছে।

কোনভাবেই শিশুকে আস্ত ভিটামিন এ ক্যাপসুল না খাওয়ানো, সবগুলো ভিটামিন এ ক্যাপসুল একসঙ্গে কেটে না রাখা এবং ক্যাপসুলের মুখ কাঁচি দিয়ে কেটে ক্যাপসুলের ভেতরের তরল ভিটামিন এ শিশুকে খাওয়াতে হবে বলে ক্যাম্পেইনে জানানো হয়েছে।

আগামী ১৪ নভেম্বর জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে এসব বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে কেন্দ্রীয় অ্যাডভোকেসি সভার আয়োজন করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান।

সভায় জাতীয় পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ডা. গাজী আহমেদ হাসান তুহিন জানান, ভিটামিন এ ক্যাপসুলে কোনো ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রয়া হয় না। তবে বমি বমি ভাব অথবা বমি হওয়া বা মাথা ব্যথা হলেও সেটা ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সেরে যায়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলাল বলেন, এ দিন ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল ভিটামিন এ  ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে।

দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বি. জে. মো. মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন-স্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের উপ পরিচালক ডা. তপন কুমার বিশ্বাস।

বাংলানিউজ