কেনাকাটায় বৈশাখী উৎসব

রাজশাহী

kna

নগরীর পোষাকের দোকানে কেনাকাটায় বইছে বৈশাখী উৎসব। বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানতে প্রস্তুতির অংশ এটি। সাজসজ্জা ছাড়া নববর্ষকে স্বাগত জানানোই যেন বেমানান। বাঙালীর অতীত ঐতিহ্যের দিকে ফিরে তাকালে জানা যায়, ধুমধাম করে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে নববর্ষকে বরণ করে বাঙালী জাতি। বর্ষবরণ উপলক্ষে উৎসব প্রিয় নগরবাসী এখন কেনাকাটায় ব্যস্ত। তাই কেনাকাটায় বইছে বৈশাখী উৎসব। এই উৎসবকে সামনে রেখে সবচেয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে কাপড়ের ব্যবসায়ীরা।

দোকানে বৈশাখি বাহার আনতে দোকানগুলোতে সাজানো হয়েছে একতারা, দোতারা, ঢুগি-তবলার ছবি ছাপানো ফোতুয়া, পাঞ্চাবী। এছাড়া শাড়ীর দোকানগুলোতে ক্রেতা বিক্রোতারাও ব্যস্ত সময় পার করছেন। লাল রঙের পাড়ের শাড়িগুলোতে ছাপানো রয়েছে আবহমান গ্রাম বাংলার বিভিন্ন চিত্র। বড়দের পাঞ্চাবীতেও জুড়ানো হয়েছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য। সাদা পাঞ্চাবীর উপর ছাপানো হয়েছে নদীর পাশে রাস্তার বয়ে একতারা হাতে বাউলের চিত্র।

নগরীর আরডিএ মার্কেটে শিশুদের দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করার মত। নগরীর আরডিএ এর শিশু পোষাক বিক্রেতা চিত্রা গার্মেন্টেসের এর মালিক শরিফুল ইসলাম জানান, বেশ কিছু দিন থেকেই বৈশাখী পোশাকের বেচা বিক্রি চলছে। শিশুদের ফতুয়া বেশি বিক্রি হচ্ছে। দাম রাখা হয়েছে ১২০ থেকে সাড়ে ৪০০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া ছোটদের পাঞ্জাবীও মোটামুটি বিক্রি হচ্ছে। এসব পাঞ্জাবীর দাম রাখা হচ্ছে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত।

তিনি আরো জানান, হরতাল অবরোধে চরম ক্ষতি হয়েছে ব্যবসায়। আসন্ন পহেলা বৈশাখ উৎসবকে সামনের রেখে কিছুটা হলেও লাভের আশা করছেন তিনি।

এবাছাড়া নগরীর শাড়ির দোকান গুলোতে বৈশাখী শাড়ির কেনা ধুম পড়েছে। আরডিএ মার্কেটের শাড়ি ভান্ডার দোকানে গিয়ে দেখা যায় বৈশাখী শাড়ি কিনতে ব্যস্ত ক্রেতারা। এসব শাড়ি সাড়ে ৬০০ টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকার মধ্যে। পাশপাশি পাবনার তাঁতের শাড়ি বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৪০০ টাকা থেকে ১হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নতুন বিয়ে করছেন নয়ন আলী। নগরীর আরডিএ মার্কেটে নতুন বউ এর জন্য বৈশাখী কেনা কাটা করতে এসেছেন তিনি। বউ এর জন্য তিনি বৈশাখী শাড়ী এবং চুড়ী কিনেছেন। তিনি জানান, দামের দিকে তাকিয়ে উৎসবের কেনাকাটা করা যায় না। তাই উৎসবের সময় আসলে দাম যাই হোক উপহার কিনতে হবে।

সুত্রঃ সানশাইন

Leave a Reply

Your email address will not be published.