গোদাগাড়ী বেনীপুরের আকাশে দুর্যোগের পূর্বাভাস

গোদাগাড়ী রাজশাহী

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বেনীপুর মাছপাড়ার আকাশে দেখা দিয়েছে দুর্যোগের পূর্বাভাস।

বৃহস্পতিবার (১১ মে) বিকেল ৫টা গড়াতেই সন্ধ্যা নেমে এসেছে। সোয়া ৫টার পর থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। এতে বেকায়দায় পড়েছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহনীর সদস্য ও গণমাধ্যম কর্মীরা।

ঘটনাস্থলের আশপাশে মাথা লুকানোর ঠাঁই পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ সদস্যারা গাড়ির ভেতরে অবস্থান নিলেও অন্যরা মাটির বাড়ি এবং চায়ের দোকান খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

এর আগে রাজশাহীর আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৫ জঙ্গির মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিকেল ৪টার দিকে মরদেহ বহনের জন্য জঙ্গিবাড়ির মুখে দু’টি নসিমন নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়া একটি অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আনা হয়েছে একটি জেনারেটরও।

তবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি। তারা ঘটনাস্থলে আসলে ভেতরে ঢুকে তল্লাশি চালানোর কথা রয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৫০মিনিটে আস্তানা থেকে বের হয়ে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তারা এ আত্মাহুতি দেন।

রাজশাহীর সহকারী পুলিশ সুপার (গোদাগাড়ী সদর সার্কেল) একরামুল হক জানান, ঘটনার সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী, গোদাগাড়ী থানার সকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) উৎপল কুমার ও কনস্টেবল তৌহিদুল ইসলাম আহত হন।

এছাড় আত্মঘাতী বোমা শরীরে বেঁধে জঙ্গিরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে গোদাগাড়ী সাব-স্টেশনের ফায়ার সার্ভিস কর্মী আব্দুল মতিনকে (৪৯) বল্লম দিয়ে খুঁছিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার হাসপাতালে নিয়ে গিলে তিনি মারা যান। এছাড়া ওই আস্তানা থেকে সুমাইয়ার ছেলে জোবায়ের (০৮) ও আতিয়া (৩ মাস) নামের দুই শিশুকে উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত জঙ্গিরা হলেন- সাজ্জাদ হোসেন (৫০) তার স্ত্রী বেলী বেগম (৪৫), ছেলে আল আমিন (১৮), সোয়াহেব ওরফে আশরাফুল (২২) মেয়ে কারিমা খাতুন (২৪)।

 

খবরঃ বাংলানিউজ