ছেলে-বউ-নাতির মরদেহ নেবেন না জঙ্গি সাজ্জাদের মা

গোদাগাড়ী রাজশাহী

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে নিহত পাঁচ জঙ্গির মরদেহ গ্রহণ করবেন না বলে জানিয়েছেন নিহত জঙ্গি সাজ্জাদ হোসেনে মা মার্জান বেওয়া। নিহত পাঁচজনের মধ্যে রয়েছেন সাজ্জাদের স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে।

বৃহস্পতিবার (১১ মে) ভোর ৫টা থেকে গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের বেনীপুর মাছমারা গ্রামের সাজ্জাদ হোসেনের বাড়ি ঘিরে রাখে পুলিশ। সকাল ৮টা ৫০মিনিটে আস্তানা থেকে বের হয়ে সাজ্জাদসহ পরিবারের পাঁচ সদস্য বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আত্মাহুতি দেন।

এসময় আত্মসমর্পণ করেন সাজ্জাদের আরেক মেয়ে সুমাইয়া। আস্তানা থেকে সুমাইয়ার ছেলে জোবায়ের (০৮) ও আতিয়া (৩ মাস) নামের দুই শিশুকে উদ্ধার করে পুলিশ।

সুমাইয়ার স্বামী জঙ্গি জহুরুল ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এ অভিযান চালানো হয়।

নিহত একই পরিবারের জঙ্গিরা হলেন- সাজ্জাদ হোসেন (৫০) তার স্ত্রী বেলী বেগম (৪৫), ছেলে আল আমিন (১৮), সোয়াহেব ওরফে আশরাফুল (২২) মেয়ে কারিমা খাতুন (২৪)।
জঙ্গি সাজ্জাদের বাবা মৃত আব্দুল মতিন। বড় ছেলে সাজ্জাদ জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জড়‍ানোয় ছোট ছেলে মুক্তার আলীর সঙ্গে একই গ্রামের অন্য এলাকায় বসবাস করেন মা মার্জান।

মার্জান বেওয়া জানান, ছেলে-বউসহ তার পরিবারের সদস্যরা দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাক‍ায় প্রাণ দিয়েছে। সে কারণে তাদের মরদেহ তিনি গ্রহণ করবেন না। মরদেহ দাফনের ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যে ব্যবস্থা নেবে তিনি তাই মেনে নেবেন।

রাজশাহীর সহকারী পুলিশ সুপার (গোদাগাড়ী সদর সার্কেল) একরামুল হক জানান, ঘটনার সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী, গোদাগাড়ী থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) উৎপল কুমার ও কনস্টেবল তৌহিদুল ইসলাম আহত হন।

আত্মঘাতী বোমা শরীরে বেঁধে জঙ্গিরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে গোদাগাড়ী সাব-স্টেশনের ফায়ার সার্ভিস কর্মী আব্দুল মতিনকে (৪৯) বল্লম দিয়ে খুঁচিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার হাসপাতালে নিয়ে গিলে তিনি মারা যান।

খবরঃ বাংলানিউজ

4 thoughts on “ছেলে-বউ-নাতির মরদেহ নেবেন না জঙ্গি সাজ্জাদের মা

  1. খবর টা পড়ার জন্য যখন ওপেন করি দেখলাম হেড লাইন এর নিচে ১১ মে না হয়ে ১২মে দেওয়া যদিও এখন ১১মে।বিষয় টা কি গল মেলে নয়।

Comments are closed.