জনসমাগম এড়িয়ে চলতে বললেও উল্টো চিত্র কমলাপুরে

জাতীয়

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে বিপর্যস্ত সারা পৃথিবী। এখন পর্যন্ত কোনো ওষুধ আবিস্কার হয়নি এ ভাইরাস দমনের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ মতে আপাতত জনসমাগম এড়িয়ে চলাই এ রোগ প্রতিরোধের উপায়। তাতে করে এতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। কিন্তু বাংলাদেশে এর উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে দেখা যায় ১০ দিনের ছুটি ঘোষণার পর ঘরমুখো মানুষের ব্যাপক ভিড়। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাড়ি ফিরছেন অনেকে। করোনা ভাইরাস নিয়ে সচেতনতারও অভাব বেশিরভাগ মানুষের মাঝে। এমন জনসমাগম থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

তথ্য মতে, করোনা প্রতিরোধের অংশ হিসেবে সরকার মঙ্গলবার থেকে সারাদেশে সেনাবাহিনী মাঠে নামিয়েছে। জনসমাগম এড়াতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ রাখা হয়েছে। মূলত জনসমাগম এড়াতেই টানা ১০ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হলেও মানুষ উল্টো ছুটি কাটাতে দলে দলে বাড়ি ফিরছে।

কমলাপুর রেল স্টেশনের প্লাটফর্মে গিয়ে দেখা যায়, ঈদের সময়ের মতো লাইন ধরে প্রবেশ করছেন যাত্রীরা। ট্রেনে উঠছেন একে অপরের গায়ে ঘেঁষে। নূন্যতম দূরত্বও বজায় রাখছেন না যাত্রীরা। দাঁড়িয়ে চলাচল করছেন লোকজন।

কথা হয় সরকারি কর্মকর্তা সাহাব উদ্দিনের সঙ্গে। সরকার যেখানে জনসমাগম এড়িয়ে চলতে বলছে, সেই মুহূর্তে কেন বাড়ি যাচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঢাকায় একটা আতঙ্ক কাজ করে। এ জন্য বাড়ি চলে যাচ্ছি।

জনসমাগম ও পাবলিক ট্রান্সপোর্টে করোনার ঝুঁকি বাড়বে, তারপরও কেন বাড়ি যাচ্ছেন জানতে চাইলে আরেক যাত্রী সাইফুল ইসলাম পলাশ বলেন, তারচেয়েও বেশি অনিরাপদ ঢাকা। কোনো রকম বাড়ি ফিরলেই বাঁচি।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপক আমিনুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার সব ট্রেনই অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে ছেড়ে গেছে।

খবর কৃতজ্ঞতাঃ বাংলানিউজ