জমে উঠছে রাজশাহীর পশুহাট

রাজশাহী

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজশাহীর পশু হাটগুলো জমে উঠতে শুর্ব করেছে। হাটের সাথে সংশিৱষ্টরা বলছেন ইতোমধ্যেই কুরবানির পশু হাটগুলোতে আসতে শুর্ব করেছে, তবে বেচা-কেনা কম।

ঈদুল আজহা’র বাকি আর ১ মাস ১দিন। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ঈদ ২ সেপ্টেম্বর। ঈদকে সামনে রেখে এই অঞ্চলের পশু হাটগুলো জমে উঠতে শুর্ব করেছে। রাজশাহীর বড় পশুহাটগুলোর মধ্যে রয়েছে মহানগরীর সিটিহাট, মহিশালবাড়ি, নওহাটা, কাকনহাট, মচমইল, কেশরহাট, ভবানিগঞ্জ, বানেশ্বরহাট ইত্যাদি। এই হাটগুলোর সাথে সংশিৱষ্টরা জানান, ঈদুল আজহা উপলৰে হাটগুলোতে কুরবানির পশু ইতোমধ্যেই আসতে শুর্ব করেছে। হাটগুলোতে এবারও এখন পর্যন্ত ভারতীয় গর্ব-মহিষের আমদানি কম। এবারও হাটগুলোতে খামারের এবং কৃষকের বাড়ির গর্বই প্রাধান্য পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। হাটগুলোতে কুরবানির পশু উঠতে শুর্ব করলেও বেচাকেনা হচ্ছে কম।

গতকাল রোববার নগরীর সিটিহাটে গিয়ে দেখা গেছে হাটে প্রচুর পরিমাণে খামারের গর্বর আমদানি হয়েছে। ঢাকা-সিলেটসহ অন্যান্য জেলার ব্যবসায়িরা এখান থেকে গর্ব কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। তবে স্থানীয় ক্রেতা কম। দামে না মেলায় অনেককেই বাড়িতে গর্ব ফিরিয়ে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। অন্যদিকে নওহাটা হাটে বেশি হয় ছাগলের আমদানি। ঈদকে সামনে রেখে এখানে বাড়ছে ছাগলের বেচাকেনা।

সিটিহাটের মালিক পৰের আতিকুর রহমান কালু জানালেন, গতবারের মত দামেই এবার গর্ব বিক্রি শুর্ব হয়েছে। তবে বেচাকেনা এখনও জমে ওঠেনি। সামনের হাট থেকে আমদানি আরো বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি জানান। এদিকে নওহাটা পশুহাটের মালিক পৰের হাফিজুর রহমান জানান, হাটে পশু আমদানি বৃদ্ধির লৰ্যে গতকাল থেকে এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। এই হাটে বেশি আমদানি হয় ছাগলের। বর্তমানে তুলনামূলক কম দামে ছাগল বিক্রি হচ্ছে বলে তিনি জানান।
ক্রেতারা বলছেন, মোটা-তাজা করণের নামে কিছু অসাধু ব্যক্তি মানুষের শরীরের জন্য ৰতিকর পদ্ধতিতে অল্প সময়ে গর্ব মোটা-তাজা করছে। এই গর্বগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ক্রেতারা সরকারের হস্তৰেপ কামনা করেছেন।
গত বছর শেষের দিকে গর্ব-ছাগলের দাম কমে যাওয়ায় অনেকে ঈদের আগে কুরবানির পশু বিক্রি করতে পারেননি। তাই এবার বিক্রেতারা আগে ভাগে কুরবানির পশু বিক্রির চেষ্টা করছেন। তবে হাটগুলোতে পশু উঠতে শুর্ব করলেও ক্রেতার সংখ্যা এখনও কম। এদিকে বিভিন্ন এলাকায় পশু হাট জমিয়ে তুলতে হাট ইজারাদাররা প্রচার-প্রচারণা শুর্ব করেছেন। ইজারাদাররা বলছেন, এখন থেকে প্রতি হাটেই হাটগুলোতে পশুর আমদানি বাড়বে। সব মিলিয়ে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজশাহীর পশু হাটগুলো এখন থেকেই জমে উঠতে শুর্ব করেছে।

খবরঃ দৈনিক সোনালী সংবাদ