জেএসসিতে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৭.৪৭

ক্যাম্পাসের খবর রাজশাহী

জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এ বছর পাসের হার ও জিপিএ-৫ বেড়েছে। এবার পাসের হার ৯৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। গতবার ছিল ৯৫ দশমিক ৩২ শতাংশ।

রাজশাহী বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৫ হাজার ৮৩ জন শিক্ষার্থী। গতবার যা ছিল ২৩ হাজার ৬০৬। এবার ১১ হাজার ৪৭৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ বেশি পেয়েছে।

এছাড়া পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে রাজশাহীতে ছেলেদের চেয়ে তুলনামূলভাবে এবারও মেয়েরা ভালো ফল করেছে। অতীত রেকর্ড ছাড়িয়ে বেড়েছে পাসের হার ও জিপিএ-৫।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শামসুল কালাম আজাদ।

সংবাদ সম্মেলনকালে তিনি বলেন, ২০১০ সালের পরে এবারই পাসের হার ৯৭ দশমিক ৪৭ শতাংশে উঠেছে। এর আগে কখনও জেএসসিতে এতো পরিমাণ শিক্ষার্থী রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড থেকে পাস করেনি। এবার মেয়েদের পাসের হার ৯৭ দশমিক ৫৭ ভাগ, ছেলেরা ৯৭ দশমকি ৩৫ ভাগ।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড থেকে এবার সব বিষয়ে মোট পাস করেছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৫ হাজার ৮৩ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৭১৮ জন এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রের সংখ্যা ১৬ হাজার ৩৬৫ জন। এছাড়াও এবার শূন্যভাগ পাসের হার রয়েছে এমন স্কুলের সংখ্যাও গতবারের চেয়ে কমেছে। এবার দাঁড়িয়েছে দু’টিতে। গতবার ছিল ৫টি।

রাজশাহী বোর্ডে এবার উপস্থিত মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৫৪ জন। এবার শতভাগ পাস করা স্কুলের সংখ্যা ১ হাজার ৪১৫টি। মোট কেন্দ্র ছিল ২২৫টি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শামসুল কালাম আজাদ বলেন, বিগত বছরগুলোর চেয়ে এবার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অধিক প্রস্তুতির কারণে প্রত্যাশিত ফল এসেছে। এছাড়া ফলাফল ভালো করার জন্য প্রতিটি বিদ্যালয়কে বোর্ডের পক্ষ থেকে নিয়মিত চাপ দেওয়া হয়েছে। বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা হয়েছে। এ সময় আগামীতে আরও ভালো ফল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক দেবাশীষ রঞ্জন রায়, উপ-পরিচালক (হিসাব ও নিরীক্ষা) আকবর হোসেন, সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট (চলতি দায়িত্ব) প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম, প্রধান মূল্যায়ন অফিসার (চলতি দায়িত্ব) এসএম গোলাম আজম, উপ-সচিব (প্রশাসন) চলতি দায়িত্ব ওয়ালিদ হোসেন, উপ-বিদ্যালয় পরিদর্শক (চলতি দায়িত্ব) মুঞ্জুর রহমান খান, প্রোগ্রামার শামীম আল আমিন এবং তথ্য ও গণসংযোগ অফিসার এএফএম খায়রুল আলম।

বাংলানিউজ-http://www.banglanews24.com/fullnews/bn/453997.html