তানোরে আপত্তিকর অবস্থায় গুদাম কর্মকর্তা আটক

তানোর রাজশাহী

রাজশাহীর তানোরে সরকারি খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মাইনুল ইসলামকে আপত্তিকর আবস্থায় আটক করেছেন শ্রমিকরা। গত ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তানোর সরকারি খাদ্য গুদামে এই ঘটনা ঘটেছে। আটকের পারপরই ঘটনা ধামাচাঁপা দিতে প্রভাবশালী একটি মহল রাতেই তড়িঘড়ি কথিত সালিশ বৈঠকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে গুদাম কর্মকর্তাকে ধর্ষণের অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছেন। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিভাগে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (টিসিফুড) মোফাজ্জল হোসেন ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, বিষয়টি ৫০ হাজার টাকায় স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তানোর সরকারি খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা মাইনুল ইসলাম চা-নাস্তা খাওয়ার কথা বলে গুদামের দারোয়ান আকবর আলীর বাড়ি যায়। এ সময় বাড়িতে পুরুষ মানুষ কেউ ছিল না দারোয়ান আকবর আলী গুদামের শ্রমিকদের সঙ্গে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এই সুযোগে গুদাম কর্মকর্তা মাইনুল ইসলাম দারোয়ান আকবর আলীর স্ত্রীর সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। গুদাম কর্মকর্তার আসতে দেরী হচ্ছে দেখে শ্রমিক সর্দার নাজিম মন্ডল তাকে ডাকতে আকবর আলীর বাড়িতে যান। এ সময় তিনি কাঁচের জানালা দিয়ে গুদাম কর্মকর্তা মাইনুল ইসলামকে দারোয়ান আকবর আলীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। তিনি গিয়ে আকবর আলীকে খবর দিলে আকবর আলী শ্রমিকদের নিয়ে তার বাড়িতে গিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় তাদের হাতেনাতে আটক করে ও গুদাম কর্মকর্তাকে উত্তম-মধ্যম দিয়ে আটক করে রাখেন। খবর পেয়ে উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন স্থানীয় ভাবে বিষয়টি আপোষ-মিমাংসার জন্য সালিশ বৈঠক করেন। সালিশ বৈঠকে গুদাম কর্মকর্তার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এব্যাপারে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (টিসিফুড) মোফাজ্জল হোসেন ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, বিষয়টি ৫০ হাজার টাকায় আপোষ-মিমাংসা করা হয়েছে। এব্যাপারে গুদাম কর্মকর্তা মাইনুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আপোষ-মিমাংসা করা হয়েছে এ নিয়ে পত্রিকায় খবর প্রকাশ না করে তিনি সরাসরি তার সঙ্গে দেখা করতে বলেন। এব্যাপারে দারোয়ান আকবর আলী ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, তার স্যারেরা বিষয়টি আপোষ-মিমাংসা করে দিয়েছেন।