নওগাঁর পোরশায় মরা নদীতে হটাৎ পানির ঢল

নওগাঁ রাজশাহী বিভাগ

ডিএম রাশেদ পোরশা (নওগাঁ) : নওগাঁর পোরশায় খরা মৌসুমে মরা নদীতে হটাৎ পানির ঢল নেমেছে। উপজেলা সদর নিতপুর এবং ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া একমাত্র পুনর্ভবা নদীটিতে খরার সময় কোন পানি থাকেনা। ভরা নদীর পানি মরে গিয়ে নদীটি যেন মরা খালে পরিনত হয়। নদীর তলদেশে পানি না থাকায় সেচ নির্ভর কৃষকরা পড়েন মহা সংকটে। পনি শুকানোর পর অনেক কৃষক নদীর চারপাশে ব্যাপক বোরো ধান চাষ করেন। চলতি বছরেও করেছিলেন। ধান চাষের কিছুদিন পরেই শুকিয়ে গিয়েছিল নদীর পানি। তখন ধান বাঁচাতে শ্যালো মেশিন দিয়ে তারা মাটির নিচ থেকে পানি উত্তোলন করেছিলেন। আর কয়দিন পরেই ফসলের মাঠে ধান পাকলে কৃষকরা ধান কাটতেন।

কিন্তু গত দু’দিন পূর্বে হটাৎ আকাশের প্রবল বর্ষন আর উজান থেকে নেমে আসা নদীর পানি যেন নদীর দু’কুল ভরে বোরো মাঠ ডুবে গেছে। কয়েকদিন থেকেই নদীর পানি বেড়েই চলছে। সাথে নদীর ধারে লাগানো কৃষকদের বোরো ধানের মাঠও। এমন দৃশ্য বিগত কয়েক দশকেও দেখা যায়নি বলে স্থানীয় বর্ষীয়ানরা জানান।

এদিকে, প্রতিদিন পানি বাড়া দেখে কৃষকরা উপায় খুজে না পেয়ে এখন কেউ হাঁটু পানি কেউবা আবার কমর পানিতেই আধা পাকা ধান কাটছেন। অপরদিকে, খরা মৌসুমে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় ব্যাপক ভাবে ঝরে যাচ্ছে গাছের আম। এতে আম চাষীরা যেন দিশাহারায় পড়েছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মাহবুবার রহমান রাজশাহী এক্সপ্রেসকে বলেন, প্রাকৃতিক আবহাওয়া খারাপের জন্য এ অবস্থা। মহান আল্লাহতালা সবই করতে পারেন। এই অতি বৃষ্টির কারনে তিনি অন্য কোন ফসলে ভাল ফলন দিতেও পারেন। তবে তিনি বোরো চাষিদের আগাম ধান কাটার পরামর্শ দেন। সেই সাথে তার দপ্তরে পরামর্শ নিয়ে গাছে আম চাষিদের ঔষধ স্প্রে করার অনুরোধ জানান।