পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে রাজশাহীর প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী

রাজশাহী

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে রাজশাহীর প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, রাজশাহী যথেষ্ট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নগরী। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও রাজশাহী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে স্থানীয় সরকার বিভাগের ‘পরিচ্ছন্ন গ্রাম-পরিচ্ছন্ন শহর’ কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গণভবন থেকে ভিভিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজশাহীর সঙ্গে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তখনই তিনি রাজশাহীর প্রশংসা করেন।

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা, সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকারসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গণভবনের সঙ্গে সংযুক্ত হন। রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবীর খোন্দকার রাজশাহী প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্স সঞ্চালনা করছিলেন।

প্রথমেই তিনি পরিচ্ছন্ন গ্রাম-পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তুলতে গৃহিত নানা পদক্ষেপের কথা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভালো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি গ্রামে আমরা নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই। আর নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ যেন সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে পারে, সেটাও আমাদের একটা লক্ষ্য। প্রতিটি এলাকা সুন্দর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হোক, সেটাই আমরা চাই।

এরপর প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বলেন, যেহেতু একটা মহানগরের দায়িত্বে মেয়র সাহেব, আমরা তার কাছ থেকেই কথা শুনবো এবং সঙ্গে সঙ্গে তার অঙ্গীকারটাও নেবো যে তিনি এ ব্যাপারে সবাইকে নিয়ে কাজ করবেন।

সিটি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, গতবছর আমরা ডেঙ্গু মোকাবিলায় কাজ করেছি। এ বছরও আমরা বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে কথা বলে করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়েছি। এছাড়া পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের আওতায় আমাদের শহরের সব বড় ও মাঝারি নর্দমাগুলো পরিষ্কার করতে শুরু করেছি। কাজ করা হচ্ছে জলাবদ্ধতা নিরসন করতেও। মশক নিধনে ফগার মেশিন ব্যবহার করছি।

গণভবনে বিরোধী দলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। রাজশাহী প্রান্তে পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) একেএম হাফিজ আক্তার, জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক, নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার সুজায়েত ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খবর কৃতজ্ঞতাঃ বাংলানিউজ