পাবনায় আসছে ট্রেন…

পাবনা রাজশাহী বিভাগ

পাবনাবাসীর কয়েক যুগের প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী জুলাই মাসেই ঈশ্বরদীর মাজগ্রাম থেকে পাবনা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হবে বলে নিশ্চিত করেছেন রেল কর্মকর্তারা।

কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য মতে, চলতি বছরের জুলাই মাসের মাঝামাঝি মাজগ্রাম থেকে পাবনা এবং আগামী বছরের জুন মাস নাগাদ পাবনা থেকে ঢালারচর পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হবে।নতুন রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সেতু) মোহম্মদ সবুক্তগীন জানান, প্রকল্পের আওতায় ঈশ্বরদীর মাজগ্রাম রেলস্টেশন থেকে পাবনা শহর ঘেঁষে বেড়া উপজেলার ঢালারচর পর্যন্ত রেললাইন হবে ৭৮ কিলোমিটারের। এর মধ্যে ১১টি রেলস্টেশন, ১০২টি ছোট ও ১১টি বড় ব্রিজ নির্মাণ করা হবে। লেভেলক্রসিং থাকবে ৫০টি। এ জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে এক হাজার ১৪ দশমিক ২১ একর। মাজগ্রাম থেকে পাবনা পর্যন্ত প্রথম পর্যায় এবং পাবনা থেকে ঢালারচর পর্যন্ত দ্বিতীয় পর্যায় হিসেবে ভাগ করে কাজ শুরু হয়। মাজপাড়া থেকে পাবনা পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ের লাইন স্থাপনের কাজ প্রায় শেষের পথে।

কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক শনিবার দুপুরে কালের কণ্ঠকে জানান, প্রথম পর্যায়ের কাজের মধ্যে মাজগ্রাম থেকে পাবনা পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার রেলপথের লেভেলক্রসিং গেট নির্মাণসহ আনুষঙ্গিক সব কাজের ৯৬ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। সব কিছু ঠিক থাকলে ২০১৮ সালের জুনে মাজগ্রাম-পাবনা-ঢালারচর লাইনে পূর্ণাঙ্গভাবে ট্রেন চলাচল করবে। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রকল্পের একজন কর্মকর্তা জানান, দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ অনেকটাই ধীরগতিতে চলছে। এ গতিতে কাজ চললে শেষ হতে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর বা তার চেয়েও বেশি সময় লাগতে পারে।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) শওকত জামিল জানান, মাজগ্রাম থেকে পাবনা পর্যন্ত ট্রেন চলাচলের জন্য ট্রাফিক ও সিগন্যাল সিস্টেম কাজের সিংহভাগ সম্পন্ন হয়েছে। চলতি বছরের জুলাই থেকে সর্বোচ্চ আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহেই মাজগ্রাম থেকে পাবনা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করবে। এদিকে পাবনায় রেলস্টেশন ও রেলপথ নির্মাণের পর থেকেই শহরবাসীসহ পাশের এলাকার মানুষ ট্রেন চলাচল উদ্বোধনের দিনের জন্য আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন।

খবরঃ কালের কণ্ঠ

15 thoughts on “পাবনায় আসছে ট্রেন…

  1. ####পাবনাবাসীর কয়েক যুগের প্রত্যাশা পূরণ হতে
    যাচ্ছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী
    জুলাই মাসেই ঈশ্বরদীর মাজগ্রাম থেকে
    পাবনা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হবে বলে
    নিশ্চিত করেছেন রেল কর্মকর্তারা।
    কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য মতে, চলতি বছরের
    জুলাই মাসের মাঝামাঝি মাজগ্রাম থেকে
    পাবনা এবং আগামী বছরের জুন মাস নাগাদ
    পাবনা থেকে ঢালারচর পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু
    হবে।নতুন রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প
    পরিচালক বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত
    প্রধান প্রকৌশলী (সেতু) মোহম্মদ সবুক্তগীন
    জানান, প্রকল্পের আওতায় ঈশ্বরদীর মাজগ্রাম
    রেলস্টেশন থেকে পাবনা শহর ঘেঁষে বেড়া
    উপজেলার ঢালারচর পর্যন্ত রেললাইন হবে ৭৮
    কিলোমিটারের। এর মধ্যে ১১টি রেলস্টেশন,
    ১০২টি ছোট ও ১১টি বড় ব্রিজ নির্মাণ করা
    হবে। লেভেলক্রসিং থাকবে ৫০টি। এ জন্য জমি
    অধিগ্রহণ করা হয়েছে এক হাজার ১৪ দশমিক ২১
    একর। মাজগ্রাম থেকে পাবনা পর্যন্ত প্রথম
    পর্যায় এবং পাবনা থেকে ঢালারচর পর্যন্ত
    দ্বিতীয় পর্যায় হিসেবে ভাগ করে কাজ শুরু হয়।
    মাজপাড়া থেকে পাবনা পর্যন্ত প্রথম
    পর্যায়ের লাইন স্থাপনের কাজ প্রায় শেষের
    পথে।
    কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে
    প্রকল্প পরিচালক শনিবার দুপুরে কালের
    কণ্ঠকে জানান, প্রথম পর্যায়ের কাজের মধ্যে
    মাজগ্রাম থেকে পাবনা পর্যন্ত ২৫
    কিলোমিটার রেলপথের লেভেলক্রসিং গেট
    নির্মাণসহ আনুষঙ্গিক সব কাজের ৯৬ শতাংশ
    সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজও
    দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। সব কিছু ঠিক
    থাকলে ২০১৮ সালের জুনে মাজগ্রাম-পাবনা-
    ঢালারচর লাইনে পূর্ণাঙ্গভাবে ট্রেন চলাচল
    করবে। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে
    প্রকল্পের একজন কর্মকর্তা জানান, দ্বিতীয়
    পর্যায়ের কাজ অনেকটাই ধীরগতিতে চলছে। এ
    গতিতে কাজ চললে শেষ হতে ২০১৮ সালের
    ডিসেম্বর বা তার চেয়েও বেশি সময় লাগতে
    পারে।
    পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের বিভাগীয় পরিবহন
    কর্মকর্তা (ডিটিও) শওকত জামিল জানান,
    মাজগ্রাম থেকে পাবনা পর্যন্ত ট্রেন
    চলাচলের জন্য ট্রাফিক ও সিগন্যাল সিস্টেম
    কাজের সিংহভাগ সম্পন্ন হয়েছে। চলতি
    বছরের জুলাই থেকে সর্বোচ্চ আগস্ট মাসের
    প্রথম সপ্তাহেই মাজগ্রাম থেকে পাবনা পর্যন্ত
    ট্রেন চলাচল করবে। এদিকে পাবনায়
    রেলস্টেশন ও রেলপথ নির্মাণের পর থেকেই
    শহরবাসীসহ পাশের এলাকার মানুষ ট্রেন
    চলাচল উদ্বোধনের দিনের জন্য আগ্রহ নিয়ে
    অপেক্ষা করছেন।

  2. এই ট্রেন লাইনের তেমন কোনো প্রয়োজন ছিল না। এখানে বাস যোগাযোগ অনেক ভালো। ছোটো এ দেশের চাষযোগ্য জমি নষ্ট হয়েছে। আবার দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ জায়গা আছে যেখানে ট্রেন লাইন খুব জরুরি। সুষম বণ্টনের বড়ই অভাব। যে জেলায় প্রভাবশালী মন্ত্রী আছে সেখানে উন্নয়নও হয়,চাকুরিও হয়। জেলার জনসংখ্যার অনুপাতে চাকুরির পরিসংখ্যান করা উচিত। রেল লাইনের ফলে মহাসড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়।

Comments are closed.