প্রমাণ হলো এলিয়েনের উপস্থিতি!

বিচিত্র

এবার মানুষের সামনে স্ব-শরীরে হাজির হলো এলিয়েন। তবে তা জীবিত নয়, একটি স্পেসক্রাফ্টের ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রাপ্ত ওই এলিয়েন। UFO বিজ্ঞানীরা এক প্রদর্শনীতে এলিয়েন ও তাদের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেছে। শুধু মাত্র এলিয়েনদের অস্তিত্ব উপস্থিতি প্রমাণ করতেই প্রকাশিত হয়েছে রোসওয়েল স্লাইড। conspiracy theorists দের তত্ত্ব অনুযায়ী, রোসওয়েল ইউ.এফ. ক্র্যাশ এর দেখানো নতুন ছবি এলিয়েনদের অস্তিত্বের ‘অনস্বীকার্য’ প্রমাণ। ছবিগুলো ইতিমধ্যে সাড়া বিশ্বে আলোচনার নতুন সূত্রপাত করেছে।

১৯৪৭ থেকে ১৯৪৯ সালের মধ্যে রোসওয়েলের কাছে এক ক্র্যাশ হয়ে যাওয়া স্পেসক্রাফ্টে পাওয়া গিয়েছিল এই হিউম্যানয়েড এলিয়েন। সেই এলিয়েন মেক্সিকোতে প্রদর্শন করা হল গোটা বিশ্বের সামনে। গত কয়েক মাস ধরে রোসওয়েল স্লাইড জনসাধারণের সামনে আনার জন্য অপেক্ষায় ছিলনে ইউএফও-র বিজ্ঞানী। এই স্লাইড সামনে আনবে এরিয়া ৫১ ক্রাশের সত্যতাও।

মার্কিনী মহাকাশচারী ড. এডগার মিশেল কোডাক্রোম ফিল্মের এই স্লাইড প্রকাশ করেন। ওই স্লাইডেই রয়েছে মৃত এলিয়েনের ছবি। চল্লিশের দশকে রোসওয়েলে গবেষণায় থাকা এক ভূতত্ববিদ এই ছবি তুলেছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। স্লাইডের ছবির সত্যতা নিয়ে অনেক বিতর্ক তৈরি হলেও গবেষক অ্যান্টনি বারাগিলা স্লাইডের সমর্থনে বলেন, এই স্লাইডে সত্যিই ১৯৪৭ সালের একটি ঘটনা ধরা পড়েছে। বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে। এই হিউম্যানয়েড কোনও বিকৃত মানুষ বা মমি নয়। এদেরকে পৃথিবীর মাটিতে দেখাও যায় না।

আইসবার্গের একমাত্র ট্রিপ রোসওয়েল। ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত ৩০০টি ফ্লাইং সসারের বিতর্কিত ক্রাশ হয়েছিল পৃথিবীর মাটিতে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন নতুন দেখানো এই ছবি গুলো থেকে ভিনগ্রহের মানুষ বা এলিয়েন সম্পর্কে আরো অনেক ইনফরমেশন পাওয়া যাবে। ও নতুন গবেষণার দ্বার উম্মোচিত হবে।

সূত্র: মেইল অনলাইন।