বাগমারায় বস্তাবন্দী আনিসুর হত্যার রহস্য উদঘাটন

বাগমারা রাজশাহী

বাগমারার বড়বিহানালী ইউনিয়নের গোয়াবাড়ী গ্রামের পুকুরে বস্তাবন্দী বৃদ্ধ আনিসুর রহমানের হত্যার প্রকৃত রহস্য উৎঘাটন করেছেন বাগমারা থানার ওসি (তদন্ত) আসাদুজ্জামান আসাদ। বৃদ্ধ আনিসুর রহমানের হত্যাকারী তার স্ত্রী জহুরা বেগম (৫৫) গত সোমবার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

মামলার তদন্তাকারী কর্মকর্তা থানার ওসি (তদন্ত) আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জহুরা বেগম হত্যাকান্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্ধী দিতে রাজি হলে সোমবার তাকে জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট জুয়েল অধিকারীর আদালতে হাজির করা হলে জহুরা বেগম স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্ধী প্রদান করেন।

এ দিকে এই হত্যাকান্ডটি ধামাচাপা দিয়ে তা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে বলে পুলিশের অপর একটি সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য গত শনিবার দুপুরে উপজেলার বড়বিহানালী ইউনিয়নের গোয়াবাড়ী গ্রামের বৃদ্ধ আনিসুর রহমানের লাশ বস্তাবন্দী অবস্থায় তার বাড়ীর পার্শ্বের পুকুরের পানিতে এলাকার লোকজন ভাসতে দেখে। বিষয়টি বাগমারা থানার পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করেন এবং ময়না তদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন।

ওই ঘটনায় পুলিশ নিহত বৃদ্ধ আনিসুর রহমানের ছেলে সাইদুল ইসলাম (৩৫) কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারতৃত সাইদুলের তথ্যনুযায়ী পুলিশ রবিবার রাতে তার মা জহুরা বেগমকে গ্রেপ্তার করেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জহুরা তার স্বামী আনিসুর রহমানকে হত্যার কথা স্বীকার করে।

গতকাল সোমবার গ্রেপ্তারকৃত জহুরা বেগমকে আদালতে হাজির করলে তিনি ১৬৪ ধারায় হত্যাকান্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্ধী প্রদান করেন। জবানবন্ধীতে তিনি তার স্বামীর অন্ডকোষে চাপ দিয়ে তাকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। এর পর একটি বস্তায় ভরে লাশটিকে বাড়ি সংলগ্ন ওই পুকুরে নিক্ষেপ করেন।

খবরঃ  ডেইলি সানশাইন

4 thoughts on “বাগমারায় বস্তাবন্দী আনিসুর হত্যার রহস্য উদঘাটন

Comments are closed.