বাঘায় শুরু হচ্ছে খেজুর গাছের রস সংগ্রহের প্রস্তুতি

বাঘা

বাঘা উপজেলার এলাকায় শুরু হয়েছে মিষ্টি খেজুরের রস সংগ্রহের প্রস্তুতি । গৌরব আর ঐতিহ্যের প্রতীক মধু বৃক্ষ এই খেজুর গাছ । গ্রামীণ জীবনের প্রাত্যহিক উৎসব শুরু হতে যাচ্ছে খেজুর গাছকে ঘিরে । শীত তিক্ষ্ন হয়ে আসছে । বাড়ছে অবহেলায় বেড়ে উঠা খেজুর গাছের কদর । খেজুর গাছ সুমিষ্টি রস দেয় । রস থেকে তৈরী হয় ঝলা গুড় ও পাটারি গুড় । যার ঘ্রানে মৌ,মৌ হয়ে উঠে বাতাস । সু-স্বাদে পুরো শীত মৌসুমে চলে বিভিন্ন প্রকারের পিঠা । পুলি আর পায়েস খাওয়ার আয়োজন । শীতের সকালে মিষ্টি রদ্রে খেজুরের রস আর মুড়ি খাওয়ার কিজে মজা আর তৃপ্তি আহ্ ?

শহর থেকে গ্রামের নিজ, নিজ বাড়ীতে বেড়াতে আসে শীত মৌসুমে । গ্রামের বাড়ীতে, বাড়ীতে জামায় ,মেয়ে,নাতি, নাতনীদের নিয়ে শীত উৎসব কে ঘেরে তৈরী হয় নানান প্রকারের পিঠার আয়োজন । গ্রামের বাড়ীতে, বাড়ীতে জামায়, মেয়ে, নাতি, নাতনীদের নিয়ে ছাড়া শীত মৌসুমে পিঠা উৎসব জমেই না । পিঠা তৈরীকে কেন্দ্র করে গ্রামের বাড়ীতে বাড়ীতে আনন্দ উৎসবে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো অঞ্চল । আর পুরো শীত

মৌসুমে চলে বিভিন্ন প্রকারের পিঠা খাওয়ার ধুম । নাতি, নাতনী সহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাড়ীর উঠানে

শীতের সকালে খেজুরের রস আর মুড়ি খাওয়ার আসর । উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১০ টি ইউনিয়ন ও ১ টি প্যেরসভা এলাকায় প্রায় ৩৫ হাজার কৃষক পরিবার আছে । সড়ক পথ ও রেল পথের দুই ধার , জমির আইল , বাড়ীর আঙ্গীনায় সহ বিভিন্ন জায়গায় ছড়ি আছে প্রায় ২ লক্ষ ৫৫ হাজার খেজুরের গাছ । একজন ব্যক্তি বা গাছি প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ টি খেজুর গাছের রস সংগ্রহ করতে পারে । শীত মেীসুম ভিক্তিক প্রায় ৩ হাজার পরিবার খেজুর গাছের উপর নির্ভশীল । একজন গাছি শীত মৌসুমে ১২০ দিনে । একটি গাছ থেকে প্রায় ২০ থেকে ২৫ কেজি গুড় পেয়ে থাকে । খেজুর গাছ ফসলের কোন প্রকারের ক্ষতি করেনা । এই গাছের জন্য বাড়তি কোন খরচ করতে হয়না । ঝোপ জঙ্গলে কোন প্রকার যতন্ন ছাড়াই

বড় হয়ে উঠে । শুধুমাত্র শীত মৌসুম আসলেই নিয়মিয় পরিস্কার করে রন সংগ্রহ করতে হয় । রস ও গুড় ছাড়াও খেজুর গাছের পাতা দিয়ে মাদুর তৈরী ও জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হয় । এছাড়াও খেজুর গাছ কেটে বাড়ী তীর তৈরী হয় ।