বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রী হিমা

নাটোর

natore  pic.06-03-2015--01_66923

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী হিমা খাতুন (১২)। এতে সে খুব খুশি, সে পড়া লেখা শিখে অনেক বড় হতে চায়।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়রা জানায়, গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের খাকড়াদহ পূর্ব কান্দিপাড়ার আব্দুল হাকিমের মেয়ে কচুগারী আনন্দ স্কুলের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী হিমা খাতুন (১২) এর সাথে শুক্রবার পাশের বাড়ির আইয়ুব আলীর ছেলে আরিফ হোসেনের (২০) বিয়ের দিন ঠিক করে তার আত্বীয় স্বজনেরা। বাল্য বিয়ের এই খবরটি আস্তে আস্তে চলে আসে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসমিন আক্তারের দপ্তরে। প্রথমে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ না হওয়ায় পুলিশ সাথে নিয়ে বিয়ের বাড়িতে ছূটে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসমিন আক্তার। বিয়ে বাড়িতে পৌঁছে মেয়ের অভিভাবকদের ওই বাল্য বিয়ে বন্ধ করার নির্দেশ দিলে তারা হিমা খাতুনকে বাল্য বিয়ে থেকে বিরত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপস্থিত সকলকে বাল্য বিয়ের অপকারিতা সর্ম্পকে সবাইকে ধারনা দেন। পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের আসার খবরে পালিয়ে যান বর তার অভিভাবকেরা। শেষ পর্যন্ত বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করে কনে হিমা খাতুন বলেছেন সে অন্যদের মতো লেখাপড়া শিখে বড় মানুষ হতে চান।