বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটু পানি

বগুড়া রাজশাহী বিভাগ

চলাচলের জন্য রয়েছে প্রায় ১৮ কিলোমিটার সড়ক। তবে বৃষ্টি হলেই সর্বনাশ। সে পথে আর চলাচলের জো থাকে না। অধিকাংশ পথেই জমে যায় হাঁটু পানি। দুই-এক ঘণ্টায়ও সেই পানি নামতে চায় না। ফলে পথিককে পড়তে হয় দুর্ভোগে।

অনেকে জুতা হাতে, প্যান্ট ভাজ করে অথবা লুঙ্গি হাঁটুর ওপর তুলে সেই পথ চলতে বাধ্য হন। আবার অনেককেই কাপড় চোপড় ভিজিয়ে ওই পথ চলতে দেখা যায়। বিশাল ওই পথ ঘিরে ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকলেও তাতে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। সামান্য পানিও গড়তে চায় না নালাগুলো দিয়ে।

বরং এসব নালায় (ড্রেন) পানি জমে তা ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। নালায় জমে থাকা পচা দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা আবর্জনা সেই পানির সঙ্গে পথে পথে ভেসে ওঠে। আর পৌরবাসীকে তা মারিয়ে নিয়মিত পথ চলতে হয়। প্রায় ১৩৯ বছরের পুরনো প্রথম শ্রেণির বগুড়ার শেরপুর পৌরসভার নাগরিক সেবার এটি একটি নমুনা!বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শেরপুর পৌরসভার বর্তমান হালহকিকত সম্পর্কে এমন তথ্যই উঠে আসে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, তৃতীয় শ্রেণি হিসেবে ১৮৭৬ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে শেরপুর পৌরসভা। বর্তমানে তা প্রথম শ্রেণির মর্যাদা পেয়েছে। কিন্তু সে অনুযায়ী বাড়েনি নাগরিক সেবার মান।

ভুক্তভোগীরা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই পৌর শহরের সর্দার পাড়া, হাসপাতাল রোড, রামচন্দ্রপুর পাড়া, জগন্নাথ পাড়া, খন্দকার পাড়া, দক্ষিণ সাহা পাড়া, টাউন কলোনি, হাটখোলা রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়। অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হয়।

তারা জানান, পৌরসভার নালাগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। ময়লা আবর্জনায় নালাগুলো সব সময় ভরে থাকে। এছাড়া বহুতল ভবন ও বাসা বাড়ি নির্মাণের জন্য সড়কের পাশে অবৈধভাবে নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখায় ইট-বালু পড়ে ড্রেনের মুখ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে পানি বের হতে পারে না

সূত্র: বাংলানিউজ