‘বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্যপদে শিগগিরই শিক্ষক নিয়োগ’

জাতীয় রাজশাহী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, দেশের রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্য পদে সরকারি বিধি অনুযায়ী শিগগিরই শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। রবিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

সরকারী দলের সদস্য পঙ্কজ নাথের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ২ লাখ ১১ হাজার ৭ ৫৭জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। অবসর গ্রহণ ও অন্যান্য কারণে শূন্য নতুন নিয়োগের মাধ্যমে শিক্ষক পদায়ন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রেজিস্টার্ড বেসরকারি বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের চাকরি সরকারিকরণ করা হয়েছে। জাতীয়করণ করা রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য পদে সরকারি বিধি অনুযায়ী শিগগিরই নতুন শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।

একই প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরো জানান, সম্প্রতি সরকার ২৬ হাজার ২০০ রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেছে। এসব স্কুলে প্রথমত চারজন শিক্ষক নিয়ে শুরু হয়। অবসর গ্রহণ ও অন্যান্য কারণে অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদ শূন্য হয়েছে।

এরপর বেশ কিছু নিয়োগ দেওয়া হলেও ফাঁকা পদগুলোতে এবার সরকার শিক্ষক নিয়োগ দেবে। এসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঁচজন করে শিক্ষকের পদ সৃষ্টির পরিকল্পনা রয়েছে।

আওয়ামী লীগের গোলাম দস্তগীর গাজীর সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। ফলে সকল শিক্ষককে তার নিজের এলাকায় পদায়নের সুযোগ নেই।

অবশ্য তার এলাকায় পদশূন্য হলে বদলির সুযোগ থাকে। তিনি আরো জানান, উপজেলা নির্বাচনের কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক বদলি বন্ধ রয়েছে। নির্বাচন শেষে এই বদলি আবার শুরু হবে।

অষ্টম শ্রেনীতে উন্নীত করা হবে ৩২৮০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়॥ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, প্রাথমিক শিক্ষাস্তরকে অষ্টম শ্র্রেনীতে উন্নীতকরণের বাস্তব প্রয়োজনীয়তা সম্পন্ন বিদ্যালয়গুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

পর্যায়ক্রমে ৩ হাজার ২৮০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে অষ্টম শ্রেনীতে উন্নীত করা হবে। আওয়ামী লীগের সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো জানান, জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ এর সুপারিশের আলোকে ৬ষ্ঠ শ্রেনী হতে অষ্টম শ্রেনীর বর্তমান কারিকুলাম প্রাথমিক শিক্ষা কারিকুলাম রুপান্তর করে প্রথম হতে অষ্টম শ্রেনীর পূর্ণাঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে জাতীয় পাঠক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করছে।