ময়নাতদন্তে নিপার মাথায় আঘাতের চিহ্ন

গোদাগাড়ী রাজশাহী

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সেখেরপাড়া বারোমাইল গ্রাম থেকে উদ্ধার করা দম্পতির মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। গৃহবধূ জিন্নাতুন নেসা ওরফে নিপার (২১) মাথায় দু’টি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

সোমবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে মরদেহ দু’টির ময়নাতদন্ত করা হয়।

রামেক হাসপাতাল ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. এনামুল হক সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, নিহত গৃহবধূ জিন্নাতুন নেসা ওরফে নিপার মাথায় দু’টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মাথার ডান ও বাম পাশে থাকা এ দু’টি চিহ্ন কয়েক ইঞ্চি লম্বা। সাধারণত লাঠির আঘাতে এমন চিহ্ন হয়। তবে ওই আঘাতে নিপার মাথা থেকে রক্ত বের হয়নি। এছাড়া তার গলায় ফাঁস দেওয়ার চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাই এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা জানতে ভিসেরা রিপোর্ট পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

এর আগে রোববার (২২ অক্টোবর) বিকেলে নিপা ও তার স্বামী সামিউল ইসলাম ওরফে সনির (২৫) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সনির বাবার নাম শহিদুল ইসলাম। আর নিপা উপজেলার ফরাদপুর গ্রামের আবু জিন্নাতের মেয়ে। উদ্ধারের সময় নিপার মরদেহ ঘরের মেঝেতে পড়ে ছিলো। আর নিপার ওড়নায় গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় সনির মরদেহ ঝুলছিল ঘরের তীরে।

এই দম্পতির মরদেহ উদ্ধারের সময় সনির বাবা শহিদুল ইসলাম ও মা আনোয়ারা বেগম কেউই বাড়িতে ছিলেন না। সোমবার বিকেল পর্যন্ত তারা বাড়ি ফেরেননি। ময়নাতদন্তের পর সনির আত্মীয়স্বজন মর্গ থেকে মরদেহ নিয়ে গেছেন। অন্যদিকে নিপার মরদেহ তার পরিবারের স্বজনদের বুঝিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক আবদুল লতিফ জানান, সনি ও নিপার মৃত্যুর ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা করা হয়েছে। রোববার রাতেই নিপার বাবা আবু জিন্নাত বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। তিনি নিজেই মামলাটির তদন্ত করছেন।

নিপার শ্বশুর-শাশুড়ি পলাতক থাকায় বিষয়টি তাকে ভাবিয়ে তুলেছে। ঘটনাটি তিনি গভীরভাবে তদন্ত করছেন বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

খবরঃ বাংলানিউজ

2 thoughts on “ময়নাতদন্তে নিপার মাথায় আঘাতের চিহ্ন

Comments are closed.