রাজশাহীজুড়ে নবান্ন উৎসব

রাজশাহী রাজশাহী বিভাগ

হালকা কুয়াশা আর গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মধ্যেই শুরু হলো এবারের অগ্রাহায়নের প্রথম দিন। মাঠের সোনালী পাকা ধানের ঢেউ যেন উঠে এলো কৃষকের উঠানে। কৃষকের এ আনন্দধারার উপলক্ষ-বাড়ির উঠোনে নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধ। অগ্রহায়নের শুরুতেই কৃষকের মনে তাই নতুন ধানের স্বপ্ন।

কবির ভাষায়-হেমন্তে কাটা হবে ধান, আবার শূন্য গোলায়-জাগবে ফসলের বান…। ঠিক এ বাক্যের পরিপূর্ণতা পেয়েছে রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলের মাঠে মাঠে। একযোগে শুরু হয়েছে ধান কাটার উৎসব। হিম হিম হেমন্ত দিনে, প্রাণ নবান্ন শুরু হলো সবখানে।

ব্যতিক্রম হয়নি রাজশাহী অঞ্চলে। জেলার গোদাগাড়ী, চারঘাট, তানোরসহ বিভিন্ন উপজেলায় অগ্রহায়নের শুরুর দিন থেকে শুরু হয়েছে নবান্ন উৎসব। একযোগে ধান কাটার মধুক্ষণ। বুধবার রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলায় নবান্ন উৎসব শুরু হয়েছে একযোগে।

সকালে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অধিদফতর দিনটিকে আনন্দ উৎসবে পালন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদ নেওয়াজের সভাপতিত্বে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও স্থানীয় সুধিজনদের নিয়ে সকালে উপজেলা ক্যাম্পাসে ভাপা পিঠা খাওয়ার আয়োজন করে। সেখানে বাংলার নবান্ন উৎসবের আয়োজন নিয়ে এক অন্তরঙ্গ আলোচনা শুরু হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ইসহাক আলী। এখানে এসেছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান, রওশন আরা, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মরিয়ম আহম্মেদ, উপ-সহকারি উদ্ভীদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. শফিকুল আলম, কৃষি কর্মকর্তা আবুল হোসেন ছাড়াও স্থানীয় কৃষকরা।

পরে গোদাগাড়ী লালবাগ হেলিপ্যাড মাঠে বাংলার কৃষক বেশে ধান ধান কাটার কাস্তে, মাথায় মাথইল, ঘাড়ে লাল গামছা বেঁধে ধানের জমিতে ধান কাটা ও মাড়াই করা হয়। এই সময় এক আনন্দ ঘন মুহুর্ত সৃষ্টি হলে হাসি আর মাজার আমেজ উঠে আসে। এই ভাবেই দিনটি পালন হলো গোদাগাড়ীতে।

শুধু গোদাগাড়ীতে নয়, জেরার অন্য উপজেলাতেও নবান্ন উৎসব শুরু হয়েছে নানা আনুষ্ঠানিকতায়। এরমধ্যে জেলার চারঘাটে নবান্ন উৎসবকে ঘিরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ধান কাটা, র‌্যালী ও সাংস্কুতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকালে মিয়াপুর ধান খেতে সোনালী ধান কাটারমধ্যে দিয়ে উৎসবটি শুরু হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশাল র‌্যালী উপজেলা পরিষদ চত্তর থেকে শুরু হয়ে বাজারের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিন করে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম, পৌরসভা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক, থানার ওসি নিবারন চন্দ্র বর্মন, উপজেলা প্রকৌশলী মোজাহার আলী, মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম আক্তার, দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা আলী হায়দার, সমবায় কর্মকর্তা সুনিল কুমার সরকার ছাড়াও এলাকার কৃষকরা হাজির হন।

হেমন্তের শুরুতেই এবার রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় আগাম ধান কাটা শুরু হলেও বুধবার অগ্রহায়নের শুরু দিনটা অন্য আমেজে মাঠে মাঠে কাস্তে নিয়ে নামের কৃষক। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবার শেষমেষ ভালোভাবেই সোনার ফসল ঘরে তুলবেন তারা বলে মনে করছেন।

আমাদের জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো এ সংক্রান্ত খবর:
বাঘা: অগ্রাহায়ণের শুরু থেকেই নানা উৎসব-আয়োজন। সকাল ১০ টায় এক বিশাল বর্ণাঢ্য র‌্যালীর মধ্য দিয়ে এই দিবসের কর্মসুচি ঘোষনা হয়। র‌্যালীটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে মেলা চত্বরে মিলিত হয়। এতে অংশ গ্রহণ করেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, উপজেলা প্রশাসন, ও রাজনৈতিক সংগঠন সহ বিভিন্ন পেশাজীবি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এরপর ধান কর্তন, লোক সংগীত, নৃত্য, লাটি খেলা ,বাউল গান,কবিতা,সাপ ও বানর খেলা এবং অর্ধ শতাধিক স্টলে অসংখ্য পিঠা-পুলি আয়োজনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় আবহমান বাংলার এতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসব ও মেলা। বুধবার দিন ব্যাপী বাঘা উপজেলা পরিষদের সামনে এই উৎবস পালিত হয়।

মেলা উপলক্ষে এবার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এনজিও , রাজনৈতিক সংগঠন এবং স্থানীয় মহিলা ক্লাব হরেক রকমের পিঠা তৈরী করে মেলাকে শোভাবর্ধন করে তুলে। মেলায় পাওয়া গেছে- সোনালী ফসলে ভরে উঠা নতুন ধানের খই-মুড়ি ,ভাপা পিঠা,পাটি সাপটা, কুলি পিঠা,নোকশী পিঠা, সেমাই পিঠা, দুধ পুলি, চন্দ্র পুলি, ক্ষির পুলি, পাকান পিঠা, নার্কের পুলি, চিতাই পিঠা, পান পিঠা, বিস্কুট পিঠা, বকুল পিঠা,কাজল লতা, পদ্ম দিঘী,সাগর দিঘী, গোলাপ পিঠা,প্যারা পিঠা,লবঙ্গ এবং খেজুর রসের সু-মিস্ট পায়েস-সহ প্রায় দেড় শতাধিক পিঠা।

এই উৎসবের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা। তিনি বলেন, আমাদের দেশের অতিথী ঋতু শীতকাল। এই সময়ে প্রকৃতি আমাদের জীবন ধারার মাঝে ব্যাপক পরিবর্তন এনে দেয়। শীতে শহরের লোকজনের কাছে পরিচিত-কাকের ডাক, গাড়ির হর্ণ আর চায়ের কাপ। প্রক্ষন্তরে গ্রামের শীত মানে-কুয়াশার জালে ছিন্ন ভিন্ন করে রোদের স্পর্শ পা ভিজিয়ে দেয় দুবলা ঘাস।এ দিক থেকে গ্রামে যে নবান্ন উৎসব করা হয়, সেটাই মূলত প্রধান এবং আসল নবান্ন উৎসব। এখানে আমরা নতুন ধানকে স্পর্শ করতে পারি। খেতে পারি নানা রকম মুখরোচক পিঠা। সেই হিসেবে শহুরে জীবনে যে নবান্ন উৎসব করা হয়, সেটা একটা প্রতিকী মাত্র। আমরা যাতে আমাদের উৎসকে ভুলে না যাই সে জন্য তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান।

এরপর বিকালে উৎসবের দ্বিতীয় পর্বে হেমন্তের মিষ্টি রোদ যখন চারদিক নিজের আলোর রোশনাই ছড়িয়ে দিচ্ছিল, ঠিক সেই সময় উপজেলার শহীদ মিনার বটমুলের মঞ্চায়ন থেকে ভেসে আসে “যা দিয়েছ তুমি আমায় কি দিব তার প্রতিদান মনমজাইলে ওরে বাউল গান’-সহ বাঁশির সুর , বাংলার লোক ঐতিয্য জারি-সারি গান এবং নাটকের রোমাঞ্চকর দৃশ্য। তবে মঞ্চ মাতিয়েছে চ্যানেল আই সেরা কণ্টের শিল্পী-স্বপন ।

নাটোর: নানা আয়োজনে নাটোরে নবান্ন উৎসব পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহরের কানাইখালি প্রেসক্লাবের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজবাড়ি চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে মুক্তমঞ্চে সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও পিঠামেলার আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন, পৌরমেয়র উমা চৌধুরি জলিসহ অন্যান্যরা।

নওগাঁ: নওগাঁয় নবান্ন উৎসব পালিত হয়েছে। শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদ নওগাঁ শাখা দিনব্যাপী এ উপলক্ষে অনুষ্ঠান মালার আয়োজন করে। আজ সকাল ৯টায় উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ড. মোঃ আমিনুর রহমান। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুল করিম তরফদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন ও করনেশন হল সোসাইটীর সাধারন সম্পাদক নাট্য ব্যক্তিত্ব এস এম জহুরুল ইসলাম ইদুল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এ উপলক্ষে দিন ব্যাপী চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পিঠা মেলা।

অপরদিকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে র‌্যালী এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার মুক্তিরমোড় থেকে র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মোঃ আমিনুর রহমান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ ইকবাল হোসেন। এ অনুষ্ঠানে সিভিল সার্জন ডাঃ মোমিনুল হক, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মনোজিত কুমার মল্লিক, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ উত্তম কুমার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান এবং পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক আমিনা কস্তুরী কুইনসহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বড়াইগ্রাম: বড়াইগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালী, পিঠা মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নবান্ন উৎসব পালন করা হয়েছে। বুধবার এ উপলক্ষ্যে ভারপ্রাপ্ত ইউএনও অভিজিৎ বসাকের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ওসি শাহরিয়ার খান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হেলেনা পারভীন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী, কৃষি কর্মকর্তা ইকবাল আহম্মেদ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাশেদা পারভীন, প্রধান শিক্ষিকা নাজমা রহমান উপস্থিত ছিলেন। পরে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। পিঠা মেলায় জাতীয় মহিলা সংস্থা, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৮টি স্টলে ১২৭ আইটেমের পিঠা প্রদর্শনী হয়।

গুরুদাসপুর: গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনির হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিয়ে কৃষক-শ্রমিকের সাথে ধান কাটার মাধ্যেমে ভাগাভাগি করলেন নবান্নের উৎসব।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের চলনালী বিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনির হোসেনের নেতৃত্বে ধান কাটলেন কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল করিম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) গণপতি রায়, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম, সমবায় কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইচ চেয়ারম্যান শাহিদা আক্তার মিতা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আনোয়ার হোসেন প্রমূখ।

ধান কাটা শেষে ৫০জন কৃষককে লাল গামছা প্রদান করা হয়। এর পর দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে নতুন ধানের পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে রঙবেরঙের পিঠা প্রদর্শন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, গ্রাম অঞ্চলে বিলুপ্তপ্রায় বাঙ্গালী সংস্কৃতির নবান্ন উৎসব। নবান্ন এলেই ঘরে ঘরে নতুন ধান উঠতো, পড়ে যেত পিঠা-পুলির ধুম। সেসব উৎসব এখন আর তেমন দেখা যায়না। তাই প্রত্যন্ত গ্রামের কৃষক-কৃষাণিদের উৎসাহ প্রদানের লক্ষে সরকারীভাবে নবান্ন উৎসব কৃষকের সাথে ভাগাভাগি করা হয়েছে।
মোহনপুর: নবান্ন বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শস্যোৎসব। কৃষি ভিত্তিক অর্থনীতির গ্রাম বাংলার কৃষিজীবি সমাজ শস্য উৎপাদনের বিভিন্ন পর্যায়ে যে সকল আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব পালিত হয়,নবান্ন তার মধ্যে অন্যতম। মোহনপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নবান্ন উৎসব উপলক্ষে ত্রি-মোহনী বাজার সংলগ্ন বিলে ধান কর্তন করা হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুস সামাদ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার-উল-হালিম নিজ হাতে ধান কর্তন কেটে নবান্ন উৎসব শুরু করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি কর্মকর্তা রহিমা খাতুন, ইউপি চেয়ারম্যান আল আমিন বিশ্বাস, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ফরাদ হোসেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক শমশের আলী, হাবিবুর রহমান বাবু, ইউপি সদস্য রেজাউল করিম, বদিউজ্জামান, ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মুরশেদ আলম, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ এলাকার গণমাণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আত্রাই: নওগাঁর আত্রাই উপজেলা প্রশাসন এর আয়োজনে বাংলার আবহায়মান কৃষিজ ও সংস্কৃতিকে শহুওে এ প্রজন্মেও কাছে পরিচয় করিয়ে দিতে উপজেলার প্রান্তিক কৃষক এলাকা পারকাসুন্দা গ্রামে নবান্ন উৎসবের আয়োজন করা হয় বুধবার সকালে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে উপজেলা প্রশাসনের সকল দপ্তরের কর্মকর্তা,সাংবাদিক,শিক্ষক,সুধীজন ও কৃষকদের অংশগ্রহনে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী প্রদর্ক্ষিণ শেষে সকল অতিথিবৃন্দ নবান্ন উৎসবের অংশ হিসেবে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্যে দিয়ে করিম সরদারের ধান ক্ষেতের পাকা ধান কাটার মধ্যে দিয়ে শুভ উদ্বোধন করেন।

পত্নীতলা: নবান্ন উৎসব উদযাপন উপলক্ষে পত্নীতলায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বুধবার উপজেলা সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা ও নবান্ন উৎসব পালন করা হয়। সহকারি কমিশনার (ভূমি) পত্নীতলার আব্দুল করিমের সভাপতিতে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাকেন নজিপুর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ সামছুল হক, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব ইছাহাক হোসেন, সাধারন সম্পাদক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গাফফার, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম বেগম শেফা, পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ মাজহারুল ইসলাম।

খবরঃ ডেইলি সানশাইন