রাজশাহীতে অন্য ইফতারির সাথে পাল্লা দিয়ে বিক্রি হচ্ছে হালিম

রাজশাহী

ইফতারের সময় আসলেই মনে পড়ে হালিমের কথা। আমাদের শহরে প্রায় প্রতিটি উচ্চ ও মধ্যবিত্ত পরিবার ইফতারি হিসাবে হালিম খেয়ে ইফতার করে থাকেন। তাই নগরীর অধিকাংশ দোকানে অন্য সব ইফতারির সাথে পালৱা দিয়ে তা ক্রয় করছেন। অন্য ইফতারি সামগ্রীর থেকে হালিম কোন অংশে পিছিয়ে নাই। অন্য ইফতারির পাশাপাশি হালিমকেও ক্রয় করছেন রোজাদারগণ। এর ফলে নগরীর প্রতিটি হোটেল, রেস্তোরাঁর সাথে সাথে ফুটপাতের ভাজাপোড়ার দোকানগুলোতেও ইফতারি হিসেবে হালিম বিক্রি হচ্ছে।

নগরীর চিলিস রেস্তোরাঁ, রহমানিয়া হোটেল,ওয়ারিশন ইফতারি সমাহার, নিউ বিদ্যুৎ হোটেল, মেমোরি হোটেল, রেল গেটের বিন্দু হোটেল, লক্ষ্মিপুর মোড়ের তৃপ্তি, ক্যাফেরাজসহ নগরীর অন্যান্য এলাকার বড় বড় হোটেলগুলোতে তৈরি হয় নানা রকমের হালিম।

নগরীর ঐতিহ্যবাহি রেস্তোরাঁ চিলিস। সেখানে ৭০টাকায় ছোট,১৩০ টাকায় মাঝারি ও বড় বাটি ২৫০ টাকায় খাসির হালিম এবং ৬০ টাকায় ছোট, ১২০ টাকায় মাঝারি এবং ২০০ টাকায় বড় বাটি গর্বর হালিম বিক্রি হচ্ছে। রহমানিয়ায় ৬০টাকা থেকে ১২০ টাকায়, নয়া বিদ্যুতে ৭৫ থেকে ১৪০ টাকাএবং বিন্দুসহ নগরীর অধিকাংশ হোটেলগুলোতে প্রায় ৬০ টাকা থেকে ১২০ টাকায় বড় বাটি হালিম বিক্রি হচ্ছে।

আর ফুটপাতের দোকানগুলো থেকে রাস্তায় চলাচলকারী রোজাদারগণ ইফতারি হিসাবে কমদামে অন্যান্য ইফতারির সাথে কিনছেন মুরগীর হালিম। তারা ফুলবাটি ৮০ টাকা ও হাফ ৪০ টাকা বাটি ক্রয় করছেন রোজাদারগণ।

খবরঃ sonali sangbad

2 thoughts on “রাজশাহীতে অন্য ইফতারির সাথে পাল্লা দিয়ে বিক্রি হচ্ছে হালিম

Comments are closed.