রাজশাহীতে আমদানির পরও বাজারে চালের দাম কমেনি

রাজশাহী

দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার চাল আমদানি করেছে ঠিকই কিন্তু বাজারে এর প্রভাব নেই। বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে এই প্রধান খাদ্যদ্রব্য।

রাজধানীর দ্বিতীয় বৃহত্তর বাজার শ্যামবাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাল আমদানি হয়েছে। কিন্তু বাজারে তো নেই। যেটুকু এসেছে তাতে কেবল ভারতীয় স্বর্ণা চালের দাম কিছুটা কমেছে। কিন্তু দেশি চালের দাম আগের মতোই আছে। তবে মাঝে মধ্যে এক থেকে দুই টাকা কেজিতে ওঠা-নামা করে।

সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, এই বাজারে ভারতীয় স্বর্ণা চাল আমদানির আগে কেজিতে ৫০ টাকা ছিল, এখন ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর দেশি ২৮ যেটা মোটা চাল বলে পরিচিত সেটা বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৪৯ টাকা দরে। পাইকারিতে ৪৬ থেকে ৪৭ টাকা রাখা হচ্ছে।

চিনিগুড়া পাইকারি ৮০ টাকা, খুচরা ৮৫ টাকা। জিরা নাজির পাইকারি ৫৮ টাকা, খুচরা ৬০ টাকা, মিনিকেট পাইকারি ৫৫ টাকা ও খুচরা ৫৬ টাকা।

দামের তেমন কোনো হেরফের নেই এমন মন্তব্য করে ঢাকা স্টোরের মালিক সম্ভুনাথ বলেন, আমদানির চাল দেখিই না। যা আছে তা খুব একটা না। দাম কমবে কীভাবে! এলসির চাল আসে- এগুলো কই যায় কে জানে। গত সপ্তাহের চেয়ে এ সপ্তাহে এক থেকে দুই টাকা কেজিতে কম-বেশি।

ব্যবসায়ী মো. সিরাজুল হক জানান, ভারতীয় স্বর্ণা চালের এলসি আসার পর চার থেকে পাঁচ টাকা দাম কমেছে। আর দেশি চাল সব প্রায় আগের মতোই আছে। আমদানির চালে কোনো প্রভাব পড়েনি।

খবরঃ বাংলানিউজ

1 thought on “রাজশাহীতে আমদানির পরও বাজারে চালের দাম কমেনি

Comments are closed.