রাজশাহীতে এই ছাগলের দাম ৮০ হাজার টাকা!

পবা রাজশাহী

ছাগলটির দাম ৮০ হাজার টাকা। রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা মহানন্দ খালির সুনিল বাবুর ছাগল। এবারে কোরবানীতে ছাগলটি পশু হাটে তোলার কথা আছে। মালিক সুনিলের দাবি ছাগলটির মাংস দুই মণ (৮০ কেজি) হবে।
ছাগলটির মালিক সুনিল বাবু হোমিও চিকিৎসক। তিনি জানান, বছর তিন আগে হাট থেকে শখ করে বাড়িতে পোষার জন্য ছাগলটি কিনেছিলেন তিনি। বাড়িতেই অনেক যত্নে ছাগলটি পালন করেছেন তিনি।

তিনি আরো জানান, গত বছর কোরবানীতে তার প্রিয় ছাগলটি হাটে তুলেছিলেন। সেই সময় দাম উঠেছিলো ৪৫ হাজার টাকা। উপযুক্ত দাম না পাওয়ার কারণে তিনি বিক্রি করেন নি। এবারে ৮০ হাজার টাকা দাম আশা করছেন।
সুনিল বাবু বলেন, ছাগলটি খাওয়ার পেছনে প্রতিদিন তার ব্যায় হয় ১০০ টাকার বেশি। ইতোমধ্যেই অনেকেই ছাগলটি কেনার জন্য বাড়িতে যোগাযোগ করছেন। এরমধ্যেই সর্বোচ্চ দাম উঠেছে ৬৮ হাজার টাকা। তবে, ৮০ হাজারের নিচে তিনি ছাগলটি বিক্রি করবেন না বলে জানিয়েছেন।

খবরঃ দৈনিক সানশাইন

29 thoughts on “রাজশাহীতে এই ছাগলের দাম ৮০ হাজার টাকা!

  1. ফেসবুক ব্যবহারকারী সকল মুসলিম
    সদস্যদের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি!!!
    ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
    বাংলাদেশর প্রায় একলক্ষ মানুষ একটি
    ভুল পথে যাচ্ছে যারা শুধুমাত্র অনলাইনে
    সক্রিয় থাকে এবং এরা
    ইসলামকে ব্যবহার করে এই কাজটি করছে।
    এটি একটি ভয়াবহ চিত্র। এদের
    স্ট্যাটাসগুলো যেরকম হয়ে থাকে তার
    কিছু নমুনা হলোঃ
    .
    ১। একটি বিকলাঙ্গ শিশুর ছবি দিয়ে বলবে
    যদি মুসলিম হয়ে থাকেন তাহলে কেউ
    আমিন না লিখে যাবেন না। তার মানে
    আপনি যদি আমিন না লিখেন তাহলে
    অমুসলিম হয়ে যাবেন??
    .
    ২। আল্লাহ পাকের নাম অমুক জায়গায়
    এখানে সেখানে পাওয়া গিয়েছে এসব
    ফটোশপ করে ছবি দিয়ে বলবে ভুলেও
    এড়িয়ে যাবেন না। এড়িয়ে গেলে কি হবে
    সেটা ওনারাই জানেন।
    .
    ৩। হিজাব পরা কোনো আরব রমনীর ছবি
    দিয়ে বলবে এই মুসলিম বোনটির জন্য
    কতগুলা লাইক পাব দেখি।
    .
    ৪। কখনো শুদ্ধ কখনো জাল হাদিস ব্যাখ্যা
    ছাড়া তুলে
    ধরে বলবে সবাই লাইক দিন যদি জান্নাতে
    যেতে চান। তার মানে লাইক না দিলে
    আপনি জান্নাতে যেতে পারবেন না??
    .
    ৫। আদম আঃ এর পায়ের ছাপ, মা ফাতিমার
    শাড়িও আপলোড করে বলবে যদি ঈমানদার
    হয়ে থাকেন তাহলে সবাই লাইক কমেন্ট
    শেয়ার করুন। তাহলে আমরা যদি লাইক
    কমেন্ট না করি তাহলে কি ঈমান হারা
    হয়ে যাবো? (আল্লাহ মাফ করুন)।।
    .
    ৬। এমনকি রাসুল (সাঃ) এর নাম ব্যবহার
    করেও এরা এ ধরনের কাজ করে থাকে।
    (নাউজুবিল্লাহ)।
    .
    [সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে আমার
    একটা প্রশ্ন রইল যে, এগুলি করেই কি
    সওয়াব কামানো সম্ভব? সকলের নিজস্ব
    মতামত আর বিবেক দিয়ে বিচার করবেন
    বিষয়টি। আমি যদি ভুল বলে থাকি দয়া
    করে আমাকে সংশোধন করে দিবেন।]
    .
    অথচ সরলমনা মুসলিমেরা না বুঝেই এসবে
    লাইক দিয়ে থাকেন। শেয়ার করে থাকেন।
    অথচ তাঁরা ভাবছেন
    এটি করে বুঝি পূণ্য হলো। তাদেরকে
    বুঝিয়ে দেবার মত কেউ নাই।

    এরা মানুষকে ইসলামের আসল শিক্ষা
    থেকে দূরে রেখে
    ধর্মপ্রাণ মানুষকে যারা স্বল্প শিক্ষিত
    কিংবা প্রযুক্তিতে এগিয়ে নেই অথচ
    ফেইসবুক চালাতে জানেন এমন
    মানুষদেরকে টার্গেট করেছে। এদের
    উদ্দেশ্য ব্যাপক।

    অনেক অনেকদিন আগে “বাংলাদেশে হঠাৎ
    করে এত নাস্তিকের এবং ইসলাম
    বিরোধীদের আধিক্য কেন?” এরকম
    শিরোনামে একটি লেখা দেখেছিলাম
    এবং সেখানে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত দিয়ে
    দেখানো হয়েছিলো বিভিন্ন এনজিও
    সংস্থার কাছ থেকে এরা পয়সা পেয়ে
    থাকে। মূলধারায় যারা লেখালিখি করেন
    এবং শিক্ষিত তাদের ব্যাপারতো আছেই।
    এরপর যখন শিক্ষিত মুসলিমেরা এই
    নাস্তিকতাবাদের বিরুদ্ধে লিখতে শুরু
    করলেন এবং যখন তারা বুঝে ফেললো
    এভাবে ইসলাম থেকে দূরে সরানো
    যাচ্ছেনা এদেরকে। শিক্ষিত মুসলিমেরা
    কলম ধরেছেন এদের বিরুদ্ধে তখন তারা এই
    রেডিও পথ এবং হিজাবী রমনী পথ গ্রহণ
    করলেন।
    ইসলামকে ব্যবহার করেই মুসলিমদেরকে
    অন্ধ করে
    রাখা একটি সম্প্রদায়কে, ইসলামিক
    প্রজন্মকে ধ্বংস করতে এর চাইতে ভালো
    উপায় আর নেই।

    এটি অ্যালার্মিং। এদের বিরুদ্ধে
    সচেতনতা জরুরী। নইলে আমরা একটি
    অশিক্ষিত এবং ভুল ইসলামী শিক্ষায়
    শিক্ষিত প্রজন্ম পেতে যাচ্ছি যারা
    ইসলামের দাওয়াত দিতে গেলে এইসব
    ফেইক ছবির ব্যবহার
    ছাড়া আর কিছুই জানবে না এবং তখন
    মানুষ এদেরকে প্রত্যাখ্যান করে আদতে
    ইসলামকে প্রত্যাখ্যান করবে। তখন
    দ্বিতীয়বার দাওয়াতের সুযোগ থাকবে না।
    তারা ধরেই নেবে এটাই বুঝি ইসলাম এবং
    এটি অন্তঃসারশূন্য একটি ধর্ম, গোঁড়ামিতে
    আর অশিক্ষায় ভরপুর। সুতরাং সাবধান
    হওয়া জরুরী।

Comments are closed.