রাজশাহীতে তাপমাত্রা বাড়লেও শীতের দাপট কমেনি

রাজশাহী

রাজশাহীতে তাপমাত্রা বাড়লেও শীতের দাপট কমেনি। সকাল থেকে উত্তর থেকে বয়ে আসা ঠাণ্ডা বাতাস শীতের অনুভূতি দ্বিগুণ বাড়িয়েছে।

রোববার (২০ ডিসেম্বর) ভোরে হালকা কুয়াশার চাদর ভেদ করে উঁকি দিয়েছে সূর্য। তবে হিমেল হাওয়ার কারণে সূর্যের উত্তাপ শরীর উষ্ণ করতে পারছে না। ফলে রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়ার মধ্যেও কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে।

শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) থেকেই রাজশাহী ও আশপাশের অঞ্চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রোববারও তা অব্যাহত রয়েছে। তবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন বাংলানিউজকে জানান, রাজশাহীতে রোববার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে শনিবার ছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাধারণত দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। আরও এক-দুদিন এ শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।

এদিকে, হিমেল হাওয়ার কারণে রোববার সকাল থেকে কর্মজীবী মানুষদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে ঠাণ্ডা বাতাসের দাপটে ছিন্নমূল মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। শীতবস্ত্রের অভাবে অনেকেই ঠাণ্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। শিশু ও বৃদ্ধরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে এখন চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভিড় করছেন।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম ফেরদৌস বাংলানিউজকে বলেন, ‘শনিবার থেকে রাজশাহীতে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে বেড়েছে নবজাতকের সংখ্যাও। ফলে বেশিরভাগ নবজাতক নিউমোনিয়াসহ ঠাণ্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এছাড়া, হাসপাতালের ইনডোর ও আউটডোরে শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও কোল্ড ডায়রিয়াসহ ঠাণ্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসছেন। ’

তবে আগে থেকে প্রস্তুতি থাকায় শীতজনিত অসুখ-বিসুখ মোকাবিলায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বেগ পেতে হচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

খবর কৃতজ্ঞতাঃ বাংলানিউজ