রাজশাহীতে বড় মসজিদের মিনার ভেঙে দোকান ঘর বরাদ্দের অভিযোগ

রাজশাহী

রাজশাহী সাহেব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মূল নকশা নষ্ট করে দোকান ঘর বরাদ্দ দেয়া নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে মুসল্লিদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এতে করে যে কোন মুহুর্তে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশংকা দেখা দিয়েছে এবং মসজিদ কমিটির দু’জন সদস্য পদত্যাগ করেছেন।

এ ব্যাপারে সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন জানান, মসজিদের মূল নকশা রদবদল করে কেউ দোকান ঘর বরাদ্দ দিবে এটি হতে দেয়া হবে না। সাহেব বাজার জামে মসজিদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। উক্ত মসজিদ উন্নয়নে সিটি কর্পোরেশনের অবদানের কথা রাজশাহীবাসি সবাই জানে। মসজিদটি সকল মুসল্লির এবং এলাকাবাসীর।

এলাকাবাসী, সাধারণ মুসল্লি ও দোকানদারদের অভিযোগ, কমিটির সভাপতি শেখ মেসবাহ উদ্দিন আহম্মেদ কোন রকম পরামর্শ ছাড়াই অবৈধভাবে মিনারের নিচে দোকান ঘর বরাদ্দ দিচ্ছেন। এতে মসজিদের সৌন্দর্য নষ্ট হবে এবং নকশার পরিপন্থি কাজ। তারা অভিযোগ করে আরো বলেন, সভাপতি সম্পর্কে পূর্বে থেকে বিভিন্ন বিতর্ক রয়েছে যা মসজিদের সুনামক্ষূণ্ণ করবে। এ ব্যাপারে দৃষ্টি দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অনুরোধ জানিয়েছেন মুসল্লিরা।

এদিকে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল হক জানান, নকশার পরিপনি’ কোন কাজ সম্পূর্নভাবে অবৈধ এবং দ্রুত এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়াও তিনি বলেন, সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও মিজানুর রহমান মিনুর আন্তরিক প্রচেষ্টায় সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে সাহেব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ নির্মাণ করা হয়। উক্ত নকশার সোন্দর্য নষ্ট করে দোকান ঘর বরাদ্দ দেয়া আইন বর্হিভুত কাজ।

এ ব্যাপারে সভাপতি শেখ মেসবাহ উদ্দিন আহম্মেদের সঙ্গে কথা বললে তিনি ঘর বরাদ্দের কথা স্বীকার করেন এবং জানান, মসজিদের আর্থিক সুবিধার বৃদ্ধির জন্যে দোকান ঘর বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। তবে তিনি কারো অনুমতি নেয়নি বলেও স্বীকার করেন। এঘটনাকে কেন্দ্র করে সাহেব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির দু’জন সদস্য শহিদুল ইসলাম ও মিনহাজুল ইসলাম সাওন কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন।

সোনালী সংবাদ