রাজশাহীতে মেলার আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছেই

রাজশাহী

রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার নামে জমজমাট হাউজি খেলা ও অবৈধ র‌্যাফেল ড্রর বাণিজ্য। মধ্যরাতে জুয়াড়িদের ভিড় বাড়ে হাউজিং আর র‌্যাফেল ড্রতে অংশ নিতে। বিক্রেতাদের অভিযোগ, র‌্যাফেল ড্র আর হাউজি খেলার কারণে একদিকে যেমন মেলার ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে, অন্য দিকে লোকসান গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

র‌্যাফেল ড্র ও হাউজির টাকা জোগাতে ছোটখাটো চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা বাড়ছে। শিক্ষার্থীরাও পড়াশোনা বাদ দিয়ে এসব অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ছে। উপশহরের গৃহিণী রিনা খান জানান, সন্ধ্যা থেকে মেলা চত্বরে শুরু হয় হাউজি আর র‌্যাফেল ড্র’র প্রচারণা। ফলে মেলায় ঘুরতে এসে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না কেউ। তার মতো মেলায় ঘুরতে আসা কয়েকজন দর্শনার্থীর একই অভিযোগ। দর্শনার্থীরা যেমন অভিযোগ করছেন, তেমননি হাউজি ও র‌্যাফেল ড্র নিয়ে অভিযোগ করেন খোদ মেলায় অংশ নেওয়া সাধারণ ব্যবসায়ীরা।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে একাধিক ব্যবসায়ী জানান, মেলার চেয়ে হাউজি ও র‌্যাফেল ড্রর প্রচারণা বেশি করছে আয়োজকরা। এ কারণে মেলায় দর্শনার্থী কম। লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের। মেলা আয়োজক কমিটির প্রধান আনোয়ার জানান, মেলার সঙ্গে হাউজি ও র‌্যাফেল ড্রর কোনো সম্পর্ক নেই। দুটি দেখাশোনার জন্য আলাদা লোক আছে। এসবের কারণে মেলার ভাবমূর্তি যেন নষ্ট না হয় তার প্রতি নজর দেবেন বলে তিনি জানান।

মেলার নামে রাজশাহীজুড়ে চলমান জুয়াসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা।

বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) দুপুরে এক বিবৃতিতে তিনি জানান, মেলা মননশীল মানুষের বিনোদন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জীবনের খোরাক যোগায়। কিন্তু রাজশাহীর পৃথক দু’টি স্থানে বাণিজ্য মেলা ও আনন্দ মেলার নামে যা হচ্ছে তা, বিবেক বিবর্জিত, অসামাজিক এবং অশ্লীল। এর মধ্য দিয়ে আমরা তরুণ ও যুবক সম্প্রদায়কে বিপথগামী করছি। আমরা কোনোভাবেই এ দায় এড়িয়ে যেতে পারি না।

বাদশা বলেন, দু’টি মেলাকে কেন্দ্র করে সমাজের তরুণ এবং যুবকরা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে যাচ্ছে। আমার অবাক লাগে রাজশাহী মহানগরের সংসদ সদস্য হিসেবে আমি এখানে রয়েছি, কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমার মতামত না নিয়েই মেলার নামে এ ধরনের অনৈতিক কার্যক্রম চালানোর অনুমতি দিয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এসব অসামাজিক কর্মকাণ্ড রাজশাহীর ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্ন করছে। মেলার নামে আপত্তিকর এসব কার্যক্রম আমাদের রাজশাহীর ইতিহাস-ঐতিহ্যেরও জন্য হুমকি। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বানও জানান বাদশা।

5 thoughts on “রাজশাহীতে মেলার আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছেই

  1. আজ আমি সর্বপ্রথম ফেইসবুক থেকে ৫০০ টাকা ইনকাম করলাম। সবাই বলে ফেইসবুক থেকে ইনকাম করা যায়। আজকে আমি আয় করতে পারলাম!!!! এই মাত্র আমি মোবাইল রিচার্জ পেলাম। মাত্র ৮-১০ মিনিটেঈ। বিশ্বাস না হয়, নিজেই ৫০০ টাকা পেয়ে দেখুন.. এখানে যান →http://BDbkash.ml/

  2. ভারত থেকে ভুলে ভরা কুরআন শরীফ বাংলাদেশে ছড়ানো হচ্ছে। (নাউজুবিল্লাহ) মুসলমানদের বিভ্রান্ত করার জন্য অভিশাপ্ত ইন্ডিয়ানদের আরো একটি যড়যন্ত। পবিত্র কুরআনে ভুলে ভরপুর কপি সম্পতি সিলেট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। কুদরত উল্লাহ মার্কেট করিমিয়া লাইব্রেরী থেকে,ক্রয়কৃত এবং নিউ এমদাদিয়া প্রকাশনী ৩৭ বাংলাবাজার ঢাকা ১১০০ কর্তৃক। পরিবেশিত ছহীহ নূরানী কোরআন শরীফ”এর মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় ভুল প্নিন্ট হয়েছে। পবিত্র কুরআনের উপর লেখা কলকাতা ছাপা,এই প্রকাশনী কতৃক প্রকাশিত কোরআন শরিফের পৃষ্টা নং ২৯৪ এর পর ২৯৫ নং থাকার কথা থাকলেও সেখানে ভুল করে ৩২১ সাপা হয়েছে। বাকি পৃষ্টা কোথায়?? যেমন সূরা কাহাফ এর ২১নং আয়াতের পর ২২ নং আয়াত থাকার কথা থাকলেও সেখানে ২৯ নং আয়াত শুর হয়েছে,এখানে ৭টি আয়াত নেই। এছারাও ২৩ নং পারায় সুরা ইয়াছিনের জায়গায় অন্য একটি সুরার নাম লেখা হয়েছে। সুরা ইয়াছিনের ৫৭ নং আয়াতের পর “সালামুন কাওলাম মির রাব্বীর রাহীম” এর মধ্যে “আলাম আ’হাদ” শব্দটি ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে আয়াতের অথই বিকৃত হয়ে যায়। বাংলাদেশের কারিমিয়া লাইব্রেরী সহো একাধিক দোকানে থেকে সংগ্রহিত ঢাকার # নিউ_ এমদিয়ার প্রকাশনীর ১ও ১৭ নং সাইজের কোরআন শরীফ কপির মধ্যে এমন ভুল পরিলক্ষত হয়েছে। এর আগে ২০০১ সালে এমন প্রকাশনটী এমন ধরীয়ে দেওয়ার পরয়েও তারা বার বার এমন ভাবে ইচ্ছা কৃত ভুল প্রিন্ট করছে,মুসলিমদের কে কুরআনের প্রতি ঘৃনা আনার জন্য যাতে করে দেশের মানুষ আর কুরআন শরীফ না পরে। সকল বন্ধুদের উচিত্ দ্রুত এই নিউজটি সবার কাছে পৌছে দেওয়া। হে আল্লাহ সকল প্রকার যড়যন্ত থেকে আমাদের ধর্মগ্রন্থ পবিত্র কুরআনকে তুমি হেফাজত করো। collected

Comments are closed.