রাজশাহীতে সরকারি কলেজের শিক্ষকদের কর্মবিরতি

ক্যাম্পাসের খবর রাজশাহী রাজশাহী কলেজ

জাতীয়করণ করা বেসরকারি কলেজের শিক্ষকদের ক্যাডার মর্যাদা না দেওয়ার দাবিতে কর্মবিরতি শুরু করেছেন রাজশাহীর সরকারি কলেজের শিক্ষকরা। ‘নো বিসিএস, নো ক্যাডার’ দাবিতে রোববার (২৬ নভেম্বর) সকাল থেকে কর্মবিরতি চলছে।

আগামী সোমবার (২৭ নভেম্বর) পর্যন্ত তাদের কর্মবিরতি চলবে। কর্মবিরতি পালনকালে রাজশাহী কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষকরা মানববন্ধনও করেন।

এতে আন্দোলনরত শিক্ষকরা বলেন, জাতীয়করণ করা কলেজ শিক্ষকদের ক্যাডার বহির্ভূত রেখে স্বতন্ত্র বিধিমালা তৈরির জন্য বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির দাবি ন্যায়সঙ্গত।

বক্তারা বলেন-তারা অতীতের সব অনিয়ম দূর করে শিক্ষা ক্যাডারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চান। শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারের সাফল্য-সময়মত পাঠ্যপুস্তক তৈরি ও বিতরণ, সময়মত পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণ, সাধারণ মানুষের জন্য মানসম্মত শিক্ষা প্রদান-সবই শিক্ষা ক্যাডারের অবদান বলেও দাবি করেন।

শিক্ষকরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দাবি মেনে নেওয়া না হলে আগামী জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে তারা লাগাতার কর্মবিরতির মতো কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন।

মানববন্ধন চলাকালে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি রাজশাহী শাখার সভাপতি ও রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ মুহা. হবিবুর রহমান ছাড়াও সমিতির জেলা সম্পাদক আনিসুজ্জামান বক্তব্য দেন।

সরকারি কলেজের শিক্ষকদের কর্মবিরতির কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রোববার ও সোমবারের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

খবরটি প্রকাশ করেছেঃ বাংলানিউজ২৪

9 thoughts on “রাজশাহীতে সরকারি কলেজের শিক্ষকদের কর্মবিরতি

  1. প্রশ্ন ফাঁস এবং হুমকির মুখে বিসিএস(শিক্ষা) ক্যাডার পদ। —————–+++­+————– অনেক ব্যক্তি শিক্ষা ব্যাবস্থার পরিবর্তন চাচ্ছে, তাদের বলতে চাই আপনি জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ বিষয়ে কিছুই জানেন না?? এটা অবশ্যই ভাল।কিন্তু সরকার এটা বাস্তবায়ন করছে না।দেখুন, বর্তমানে শিক্ষা প্রতিস্টানে কারা শিক্ষকতা করছেন জানেন?? তারা মান্ধাতা আমলের গ্রাজুয়েট/ টাকায় কেনা সনদধারী গ্রাজুয়েট । যারা শিক্ষা ব্যাবস্থার ক-ও বুঝে না।তাদের পাঠদান এবং সৃজনশীল পদ্ধতি বিষয়ে ২%-ও জানেন না।সরকার টাকা খরচ করে তাদের বছরের পর বছর প্রশিক্ষণ দিলেও সেই প্রশিক্ষনের অর্জিত শিক্ষা প্রয়োগ বা বাস্তবায়ন করতে পারছে না। কারন, তারা(আধিকাংশ শিক্ষক ) সংসার, বউ, বাচ্চাকাচ্চা নিয়া ব্যস্ত।আসল কথা বলি, শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতির চরম সমস্যা রয়েছে।দেশের ৮০% শিক্ষা প্রতিস্টান বেসরকারি। বিসিএস থেকে ভাল শিক্ষক বাছাই হলেও কমিটির ঘুষ পদ্ধতিতে শিক্ষক বাছাই হচ্ছে এবং তারাই দেশের ৯০% শিক্ষকসম্প্রদায়। শিক্ষা মন্ত্রনালয় ntrca এর মত ভুয়া একটা প্রতিস্টান দেশের ৯০% শিক্ষক বাছাই দিয়েছে যারা কিনা আইসিটি এর পুর্নরুপ জানে না।ছি ছিঃ..!.. জাতীয়কৃত শিক্ষা প্রতিস্টানে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা নাকি আবার বিসিএস(শিক্ষা) ক্যাডারের পদ মর্যাদা দেওয়া হবে!!! ছি ছি…. এটা জাতি ও শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মের কাছে লজ্জাজনক।এলাকার কমা কমা গ্রাজুয়েটরা(জীবনে যারা বিসিএস প্রিলি পাশ করতে পারে নাই) কমিটির ঘুষ পদ্ধতির(১০/১৫ লাখ টাকা )মাধ্যমে নিয়োগ হইছে এবং শিক্ষকতা করছে।তাদের( নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষদের) বিসিএস(শিক্ষা) ক্যাডারের পদ মর্যাদা দেওয়া দেওয়া হই তাহলে বিসিএস হতে শিক্ষা ক্যাডার উঠিয়ে দেওয়া উচিত। সরকার জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ এর ৫০% বাস্তবায়ন করলেই দেশের শিক্ষা ব্যাবস্থার অমুল পরিবর্তন আসবে। সরকার জাতীয় শিক্ষানীতি আলোকে জনবল কাঠামো ঘোষনা না করেই ডিজিটাল বান্ধব শিক্ষা ব্যবস্থা বানাতে চাওয়া এটা হাস্যকর।তবে, সময়ের আলোচিত প্রশ্ন ফাঁস ঠেকানো আমলাদের দায়িত্ব যাহা বিচারহীন হলে যা হয়।আশা করছি, আওয়ালীগ সরকার এই -অনিয়মগুলো শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করবে।

Comments are closed.