রাজশাহীতে সরকারি স্কুলগুলো এগিয়ে

ক্যাম্পাসের খবর রাজশাহী
মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলের আগে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা কাজ করলেও ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই উল্লাসে ফেটে পড়ে শিক্ষার্থীরা। রাজশাহী নগরীর অধিকাংশ সরকারি স্কুল ভালো ফল করেছে। এর মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে। এমন ফলে খুশি শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক সবাই। নগরীর স্কুলগুলোর মধ্যে ভালো ফল করা সরকারি পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর মোট ২৬৪ জন পরীক্ষা দেয়। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২২৩ জন। এ বছর শতভাগ পাস করা এই স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল ২৬১ জন। জিপিএ ৫ প্রাপ্ত সবাই বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল ৩ জন। পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তৌহিদ আরা বলেন, ‘সবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ ভালো ফল সম্ভব হয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের সফলতা পেয়েছে।’

নগরীর কলেজিয়েট স্কুল এ বছরও তাদের ভালো ফল অব্যাহত রেখেছে। এ বছর সর্বমোট ২১৫ জন পরীক্ষা দিয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৮২ জন। এ বছর শতভাগ পাস করা এই স্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগের ২০২ শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ১৩ শিক্ষার্থী মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের মধ্যে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ১৮২ জনই বিজ্ঞান বিভাগের। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আকরাম হোসেন ভালো ফলের কারণ হিসেবে বলেন, ‘নিয়মিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করে আলাদা যত্ন নিয়ে তারপর পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়।’ নগরীর অন্যতম সেরা স্কুল হেলেনাবাদ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় বরাবরের মতো এ বছরও ভালো ফল করেছে। এ বছর ১৫৩ জন পরীক্ষা দিয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৪৭ শিক্ষার্থী। শতভাগ পাস করা এ স্কুল থেকে এ বছর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৫০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৪৫ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ৩ জনের মধ্যে ২ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বেগম ইসাবেলা সাত্তার বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি এবং ক্লাসই এমন ফলের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। এ ছাড়া অভিভাবকরাও আমাদের যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন।’

নগরীর গভ. ল্যাবরেটরি হাই স্কুল থেকে এ বছর ১২২ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। শতভাগ পাস করা এই স্কুলের সবাই বিজ্ঞান বিভাগ থেকেই অংশ নেয়। এর মধ্যে ১১৭ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা নাজনীন আহমেদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মনিটরিং, ক্লাস-পরীক্ষা নিয়মিত নেওয়া এবং অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় ও যোগাযোগ আমাদের

এমন ফলে বড় ভূমিকা রেখেছে। শিক্ষার্থীরাও ঐকান্তিক চেষ্টা করেছে।’

খবরঃ সমকাল

3 thoughts on “রাজশাহীতে সরকারি স্কুলগুলো এগিয়ে

  1. যত সব সরকারি ভাল, এগিয়ে। বেসরকারি গুলো সব সময় পিছিয়ে। অথচ সরকারি সব ফাঁকিবাজ, বেসরকারিতেই হয় কাজ।

  2. ভর্তির সময় মেধাবিদের ভর্তি করালে ফল তো ভাল হবেই এতে লাফালাফির কিছু নেই।এটা সরকারি বিদ্যালয়ের কোন অবদান নেই।

Comments are closed.