রাজশাহীর বাজারে আলুর গরম

রাজশাহী

দফায় দফায় বন্যায় রাজশাহীর বেশিরভাগ সবজিক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় উৎপাদন নেমেছিল তলানিতে। সরবরাহে টান পড়ায় দাম বেড়েছিল কয়েকগুণ। কিন্তু এখন পরিস্থিতি পাল্টেছে। শীতকালীন রকমারি শাকসবজিতে ঠাসা বাজার। ফলে স্বস্তি ফিরেছে বাজারে।

শনিবার (২৮ নভেম্বর) সকালে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের চেয়ে আরও এক ধাপ কমেছে সব রকমের সবজির দাম। কেজিতে ২০ টাকা কমে ফুলকপি ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫ টাকায়। কেজিতে ১০-১৫ টাকা কমে পটোল ৩০, পেঁপে ২৫, ঢেঁড়স ৪০ এবং করলা ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এখনো চড়া টমেটোর দাম। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়। গাজরও বিক্রি হচ্ছে একই দামে।

jagonews24

বাজারে প্রতি কেজি মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, মুলা ২০, শিম ৪০, বরবটি ৫০ এবং বেগুন ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে ৫০ টাকার নিচে মিলছিল না এসব সবজি।

কমতির বাজারে বাড়তি কেবল আলুর দাম। সরকার নির্ধারিত ৩০ টাকায় নয়, আলু বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়। আপাতত স্থিতিশীল পেঁয়াজের দাম। গত সপ্তাহের মতো দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬৫-৭০ এবং আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৪৫-৫০ টাকায়। গত সপ্তাহের মতো ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে কাঁচামরিচ। দাম বাড়েনি আদা-রসুনের।

আমন উঠেছে কৃষকের গোলায়। এর প্রভাব পড়েছে রাজশাহীর চালের বাজারে। শনিবার প্রতি কেজি আটাশ চাল ৫২, স্বর্ণা ৪৬, কাটারিভোগ ৫৬, মিনিকেট ৫৫, নাজিরশাইল ৬০, বাসুমতি ৬৫, কালোজিরা আতপ জাতভেদে ৬৫-৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

jagonews24

মাছ ও মাংসের বাজারেও উত্তাপ নেই। বাজারে ইলিশ আকারভেদে ৫০০-৮০০ টাকা, পাবদা ৫৫০, বড় রুই ২৫০-২৮০, মৃগেল ১৫০, কৈ ৪০০, চিংড়ি ৬০০, কাতল ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে গত সপ্তাহের মতো গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৪০, খাসি ৭৫০, ব্রয়লার মুরগি ১২০, সোনালি ১৭০, দেশি মুরগি ৩৬০, পাতিহাঁস ২৬০ ও রাজহাঁস ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খবর কৃতজ্ঞতাঃ জাগোনিউজ২৪