রাজশাহীর বাজারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ অভিযান

রাজশাহী

রাজশাহীর দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ অভিযান চালানো হয়েছে। রাজশাহীর বাজারে রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়েছে ব্যবসায়ীরা। তবে ব্যবসায়ীরা বলছে সরবারহ কম থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেশি। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দাম কমে যাবে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহীর সাহেববাজার কাঁচা বাজারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ অভিযান চালানো হয়। এ সময় ব্যবসায়ীদের থেকে দ্রব্যমূল্য শোনা হয়। এছাড়া অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়। সরবারহ কম থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেশি। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দাম কমে যাবে বলে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সালাহউদ্দীন, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট সুব্রত পাল, শরিফ আসিফ রহমান, শারমিন আক্তার, তাসলিমা জাহান, ব্যবসায়ী নেতা সেকেন্দার আলীসহ বাজার কমিটির সভাপতি।
জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট সুব্রত পাল সিল্কসিটি নিউজকে বলেন, তারা বাজার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ অভিযান চালাচ্ছেন। এছাড়া যেসকল ব্যবসাপ্রতষ্ঠানে পণ্যের দামের লিস্ট টাঙ্গানো নাই। তাদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে টাঙ্গাতে হবে। নয়লে জরিমানা করা হবে।

এছাড়া আজ রাজশাহীর চারটি বাজারে দ্রব্রমূল্য নিয়ন্ত্রণ অভিযান চালানো হচ্ছে। এগুলো হলো- সাহেব বাজার, নিউ মার্কেট, হড়গ্রাম বাজার, বিনোদপুর বাজার।

অন্যদিকে, রমজানের শুরুতে রাজশাহীর বাজার সবধরনের সবজির দাম বেড়েছে। সবজির সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দাম বেড়েছে সবধরনের মাংসের দামও। ক্রেতারা বলছে রমজানের অজুহাতে ব্যবসায়ীরা বাড়িয়েছে সবজির দাম। তবে ব্যবসায়ীরা বলছে সরবরাহ কম থাকায় বেড়েছে সবজির দাম।

রাজশাহী বাজারে বেগুন বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা, শশা ৫০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, পেঁয়াজ ৪০ টাকা, আলু ২০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা ও লেবু ২০ টাকা হালি।

এদিকে, কাঁচা কলা ২০ টাকা হালি, পেঁপে ৫০ টাকা ও কাকরোল ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। রায়হান নামের এক সবজি ক্রেতা বলছে, আজ প্রথম না। প্রতি রমজান মাসে বাড়ানো হয় সবজির দাম। ব্যবসায়ীরা রমজান আসলে বাড়ায় জিনিসপত্রে দাম।

নগরীর সাহেববাজার এলাকার সবজি বিক্রেতা হাফিজ উদ্দিন বলেন, সব তরকারির (সবজি) দাম বেশি। সবজির দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, বড় বড় ব্যবসায়ীরা বলছে সরবারহ কম তাই দাম বেশি। তারা বেশি দামে কিনছেন, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে, বেড়েছে সবধরনের মাংসের দাম। বাজারে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা, খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭২০ টাকা। সাহেববাজার এলাকার মুরগি বিক্রেতা শামীম উদ্দিন বলেন, তবে সবধরনের মুরগির দাম বেড়েছে। বাজারে ব্রায়লার ১৪৫ টাকা, লেয়ার সাদা ১৮০ টাকা, সোনালী ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে ৩০০ টাকা, দেশি মুরগি ৪৩০ থেকে ৪৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

খবর কৃতজ্ঞতাঃ ডেইলি সানশাইন