রাজশাহীর মসজিদ মিশন স্কুল অ্যান্ড কলেজে অভিভাবককে অধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে নিচে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ

ক্যাম্পাসের খবর রাজশাহী

রাজশাহী নগরের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের নির্দেশে কর্মচারীরা একজন অভিভাবককে উঁচু করে তুলে বারান্দা থেকে নিচে ফেলে দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ওই অভিভাবকের একটি পা ভেঙে গেছে।
গত শনিবার রাজশাহী নগরের মসজিদ মিশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের (মহিলা শাখার) ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। সেদিন থেকে বাইরুল ইসলাম (৩৬) নামের ওই অভিভাবক রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।

বাইরুল ইসলাম রাজশাহী খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক (এএসআই)। তিনি জানান, তাঁর মেয়ে মসজিদ মিশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। মেয়েকে অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য তিনি গত শনিবার সকালে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে অধ্যক্ষ আবদুর রশিদের সঙ্গে দেখা করে মেয়ের ছাড়পত্র (টিসি) চান। কিন্তু অধ্যক্ষ ছাড়পত্র দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, একপর্যায়ে অধ্যক্ষ টিসি দেওয়ার বিপরীতে ৩ হাজার ২০০ টাকা দাবি করেন। বাইরুল ইসলাম টাকা দিতে আপত্তি করলে অধ্যক্ষের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় অধ্যক্ষের নির্দেশে তাঁর দুজন কর্মচারী বাইরুল ইসলামকে উঁচু করে তুলে বারান্দা দিয়ে নিচে ফেলে দেন। এতে তাঁর ডান পা ভেঙে যায়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুর রশিদ বলেন, বাইরুল ইসলাম তাঁর কার্যালয়ে এসে কথা বলতে বলতে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। তখন নিজ কর্মচারীদের ডেকে তাঁকে বাইরে বের করে দিতে বলেন। এ সময় পড়ে গিয়ে তাঁর পা ভেঙে থাকতে পারে। তিনি একজন পোলিও আক্রান্ত রোগী। তবে এটা তাঁদের জানা ছিল না। টাকা চাওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, টিসির জন্য ৫০০ টাকা এবং জানুয়ারি মাসের বেতন বাবদ ৫০০ টাকা পাওনা ছিল। এটাই চাওয়া হয়েছিল। এতে ওই অভিভাবক উত্তেজিত হয়ে নানা অসৌজন্যমূলক কথাবার্তা বলতে থাকেন। এতে তিনিই বরং থ হয়ে যান।

খবরঃ প্রথম-আলো

5 thoughts on “রাজশাহীর মসজিদ মিশন স্কুল অ্যান্ড কলেজে অভিভাবককে অধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে নিচে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ

  1. যত সব আজাড়া কথা। প্রথম আলোর লজ্জা হলোনা। রশিদ স্যার কে খুব ভালোভাবেই চিনি। আসলে টাকা টা প্রথম আলোর সম্পাদক চেয়ে ছিলেন কিনা খতিয়ে দেখা দরকার। আসলে স্কুলের নামের সাথে মসজিদ লেখা কিনা, তাই এত চুলকানি!!!!

  2. পত্রিকা খুলে এসব বালের আলাপ করলে পাঠক পাবেন না। বহুত অনলাইন পেপার মারা খায়া শেষ হইছে

  3. র‌শিদ স্যার‌কে ভাল ক‌রে চি‌নি ও জা‌নি উ‌নি এ ধর‌ণের আ‌দেশ দি‌তে পা‌রেন না। উ‌নি নরম প্রকৃ‌তির মানুষ।

Comments are closed.