রাজশাহীর মসলা বাজার স্থিতিশীল

রাজশাহী

প্রায় ছয় মাস ধরে স্থিতিশীল রয়েছে রাজশাহীর মসলা বাজার। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। বিক্রেতারা বলছেন, আমদানি নির্ভর মসলার আন্তর্জাতিক বাজার স্থিতিশীল থাকায় দেশীয় বাজারে এর প্রভাব পড়ছে।

ঈদ-উল-ফিতর সামনে রেখে রাজশাহীর মসলা বাজার সরগরম। বেড়েছে কেনাবেচা। আরডিএ মার্কেটের পাইকারি মসলার দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিকেজি ভারতীয় জিরা বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকায়। প্রতিকেজি শাহী জিরা ৭৫০ টাকায় এবং সিরিয়ান জিরা ৩৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাইকারি বাজারে প্রতিকেজি দারচিনি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকায়। এছাড়া এলাচ (ছোট) ৯০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকায়, এলাচ (বড়) ৯৫০ থেকে এক হাজার ৫০ টাকায়, লবঙ্গ ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকায়, গোলমচির ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে প্রতিকেজি শুকনা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। আর দেশি রসুনের দাম ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে খুচরা বাজারে মসলার দাম কিছুটা বেশি।

আরডিএ মার্কেটের পাইকারি মসলা বিক্রেতা মেসার্স সুমন ট্রেডার্সের ব্যবস্থাপক আব্দুল মোমিন বলেন, কয়েকমাস আগে কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে জিরার দাম। তাছাড়া অন্য সব মসলার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ছয় মাস ধরে একই দরে বিক্রি হচ্ছে অধিকাংশ মসলা। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ পর্যপ্ত থাকায় দাম বাড়েনি।

তিনি আরও বলেন, তারা বিভিন্ন মোকাম থেকে আমদানিকারকদের কাছ থেকে মসলা আনেন। আন্তর্জাতিক বাজারেই বেশকিছু দিন ধরে মসলার দর তুলনামূলক স্থিতিশীল। এর প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে।

তবে ব্যবসায়ীদের কয়েকজন জানিয়েছেন, ভারত থেকে চোরাই পথে মসলা আসছে রাজশাহীতে। ফলে এখনকার মসলার বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল।

খবরঃ জাগো নিউজ