রাজশাহী ইজতেমায় ৩ লক্ষাধিক মুসল্লির জুমা আদায়

রাজশাহী

রাজশাহী মহানগরীর কেন্দ্রীয় শাহ মখদুম (র.) ঈদগাহে তিন দিনব্যাপী ইজতেমায় শুক্রবার (২১ অক্টোবর) জুমার বিশাল জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে একসঙ্গে তিন লক্ষাধিক মুসল্লি জুমার নামাজ আদায় করেন।

জুমার নামজের পরিধি শাহ মখদুম (র.) মূল ইজতেমা ময়দান ছাড়িয়ে পার্শবর্তী মাদরাসা ময়দান ও পূর্বে সদর ফায়ার সার্ভিস মোড় ছাড়িয়ে যায়। এসময় ওই সড়কের দু’পাশে যানবাহন বন্ধ করে দেয় মহানগর ট্রাফিক পুলিশ।

নামাজ শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ-সমৃদ্ধি, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে তাবলীগ জামায়াতের মুরুব্বি কেরাম কোরআন ও হাদিসের আলোকে বিশেষ বয়ান করেন।

বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) ফজরের নামাজের পর বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। মাগরিবের নামাজের পর মূল বয়ান শুরু হয়।

রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলার মুসল্লিরা এ ইজতেমায় অংশ নিয়েছেন। ইজতেমায় বিভিন্ন জেলা থেকে আগত জামায়াতের সংখ্যা প্রায় ২শ’টি। তাবলীগ ইজতেমা উপলক্ষে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত জামায়াত ও বিদেশি কয়েকটি জামায়াত রাজশাহীতে অবস্থান করছে।

তাবলীগ ইজতেমার সুরার সদস্য নাসির উদ্দিন জানান, শুক্রবার ফজরের আজানের পর থেকেই বয়ান শুরু হয়েছে। তবে মূল বয়ান শুরু হবে আসরের নামাজের পর। ওই সময় রাজধানী ঢাকার কাকরাইল মসজিদের বক্তারা এসময় বয়ান দেবেন।

এ বছর টঙ্গীতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ইজতেমায় রাজশাহীর মুসল্লিরা অংশ নিতে পারবেন না। যারা কেবল ৪০ দিন কিংবা ১২০ দিনের জামায়াতে রাজশাহীর বাইরে থাকবেন তারাই শুধু অংশ নেবেন। এখানকার ইজতেমায়ও কেবল রাজশাহীর মুসল্লিরা অংশ নিয়েছেন।

এদিকে, রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইফতে খায়ের আলম বলেন, ইজতেমা উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ঈদগাহ ময়দানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া সাদা পোশাকে পুলিশ এবং গোয়েন্দা পুলিশও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।

ইফতে খায়ের আলম জানান, মূল গেটে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। ঈদগাহে পুলিশ কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে ছয়টি সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

খবরঃ বাংলানিউজ