রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে এবার বসল ‘জীবাণুনাশক কক্ষ’

রাজশাহী

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের প্রবেশ মুখে ও বহির্গমন পথে এবার বসানো হয়েছে ‘জীবাণুনাশক কক্ষ’। এতে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ট্রেন চালুর প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগোলো।

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় গত ২৫ মার্চ থেকে সারা দেশের সঙ্গে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখেছে। তবে ঈদের পর সীমিত আকারে পশ্চিমাঞ্চলে ট্রেন চালু হতে পারে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে কীভাবে পুনরায় ট্রেন চলাচল চালু করা যায়, তা নিয়ে ইতোমধ্যে স্টেশনগুলোতেও প্রস্তুতি চলছে। তবে পশ্চিম রেলে ট্রেন ছাড়তে হলে মানতে হবে ১৯ দফা নির্দেশনা। তারই অংশ হিসেবে এক এক করে এগিয়ে চলছে শর্ত বাস্তবায়ন ও ট্রেন ছাড়ার প্রস্তুতি।

রোববার (১৭ মে) বেলা ১১টা থেকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের প্রবেশ ও বহির্গমন পথে জীবাণুনাশক কক্ষ স্থাপনের কাজ শুরু করা হয়। দুপুর ২টার মধ্যে কাজ শেষ হয়। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের চীফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার কার্যালয়ের অধীন কাজটি শেষ করা হয়।

জানতে চাইলে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপক আবদুল করিম বলেন, ঈদের পর যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হলে কিছু স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। এজন্য পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক কার্যালয় থেকে ১৯ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

সেসব শর্ত বাস্তবায়নের কাজ ধাপে ধাপে এগোচ্ছে। রোববার চীফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার কার্যালয়ের অধীন স্টেশনের প্রবেশ ও বহির্গমন পথে জীবাণুনাশক কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। রেলভবন থেকে কাজগুলো মনিটরিং করা হচ্ছে।

আর পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (সিসিএম) আহছান উল্ল্যাহ ভূঞা, বিভাগীয় মেডিক্যাল অফিসার মারুফ হাসান ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবু জাফর মিয়ার নির্দেশনা অনুযায়ী এই আগাম প্রস্তুতিগুলো নেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন স্টেশন ব্যবস্থাপক।

এক প্রশ্নের জবাবে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপক আবদুল করিম বলেন, সরকারি নির্দেশনা আসার পর গত ২৫ মার্চ রাত থেকে পশ্চিমাঞ্চল রুটের সব যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ রয়েছে। তবে পঞ্চগড়- ঢাকা রুটে নিত্যপণ্যবাহী ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। অচিরে খুলনা-ঢাকা রুটেও চালু হবে।

এর আগে গত ৯ মে রাত থেকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিতের জন্য লাল রঙ দিয়ে বৃত্ত আঁকা হয়। শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করে এই বৃত্তের ওপর দাঁড়িয়ে যেন যাত্রীরা নিরাপদে টিকিট কিনতে পারেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। শুধু বৃত্ত অঙ্কনই নয়, স্টেশনে ঢোকার আগে হাত ধোয়ারও ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন জুড়েই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে।

খবর কৃতজ্ঞতাঃ বাংলানিউজ