রাবিতে ঘ্রাণ ছড়ালো হরেক রকম পিঠা

ক্যাম্পাসের খবর রাজশাহী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

শীত আসতেই বাংলার ঘরে ঘরে পড়ে যায় পিঠা বানানোর ধুম। এ যেন বাংলার চিরচেনা ঐতিহ্য। মা-বাবা, ভাই-বোন মিলে শীতের সকালে পিঠা খাওয়ার অনুভূতিটায় যেন অন্যরকম। কিন্তু মায়ের হাতের সেসব মিষ্টি পিঠা ভাগ্যে জোটে না বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। বাড়ি থেকে দূরে থাকায় বাজার থেকে দু একটি পিঠা কিনে খেয়ে দুধের সাধ ঘোলে মেটাতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে পিঠা উৎসবের আয়োজন করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বাংলা বিভাগ।

উৎসবে গিয়ে দেখা যায়, টেবিলের উপর সাজানো আছে হরেক রকমের পিঠা। সেই পিঠা ঘ্রাণে মৌ মৌ করছে চারদিক। শিক্ষার্থীরা ঘ্রাণ পেয়ে ছুটে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ কলাভবনের সামনে আয়োজিত পিঠা উৎসবে । রবিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

পিঠা উৎসবে ১১ টি স্টল রয়েছে। বাহারি নামের পিঠাগুলো শিক্ষার্থীরা ভীড় করে খেতে আসছে। পিঠা গুলোর নামের মধ্যে রয়েছেÑদুধপুলি পিঠা, গাজরের হালুয়াম ডিমপুর, গোলাপ ঝাল-মিষ্টি, সূর্যমুখী, পাকান পিঠা, শামুক পিঠা, লবঙ্গ লতিকা, রসে ভরা সবজি পিঠা, পাটি সাপটা, খিরপুলি প্রভৃতি। বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শারমিন আক্তার জানান, ‘আমার স্টলে ১৩/১৪ রকমের পিঠা আছে। ১০ থেকে শুরু করে ৩০ টাকা পর্যন্ত এক একটি পিঠা বিক্রি করা হয়েছে।
পিঠা উৎসবে আসা ম্যানেজমেনট বিভাগের শিক্ষার্থী সাইদ হাসাস রাজ বলেন, ‘এই শীতে মায়ের হাতের পিঠা খুব মিস করছি। ক্যাম্পাসে বসে শীতের পিঠা উৎসবের আয়োজন করার জন্য বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ দিচ্ছি।’ পিঠা উৎসবের আহবায়ক বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী বাশার মাহমুদ বলেন, ‘গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধারণ এবং সম্প্রীতির মেলবন্ধনকে অটুক রাখতে আমাদের এই আয়োজন। আমরা প্রতিবছর এই ধরনের আয়োজন করে থাকি।

খবরঃ দৈনিক সানশাইন 

2 thoughts on “রাবিতে ঘ্রাণ ছড়ালো হরেক রকম পিঠা

Comments are closed.