রাবিতে হলের সামনে থেকে ছাত্রী ‘অপহরণ’

ক্যাম্পাসের খবর রাজশাহী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আবাসিক হলের সামনে থেকে এক ছাত্রীকে ‌‘অপহরণ’ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তাপসী রাবেয়া হলের সামনে থেকে ওই ছাত্রীকে জোর
করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয়।

ওই ছাত্রীর প্রাক্তণ ‘স্বামী’ তাকে তুলে নিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান। ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি তাপসী রাবেয়া হলে থাকেন।

প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান  জানান, গত ডিসেম্বরে ওই ছাত্রীর বিয়ে হয়েছিল। দুই মাস আগে তিনি স্বামীকে ডিভোর্স দেন। ডিভোর্সে রাজি ছিলেন না তার স্বামী। শুক্রবার সকালে বান্ধবীদের সঙ্গে বিভাগের পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিলেন ওই ছাত্রী। এসময় পথে তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন তার স্বামী। পরে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে জোর করে ওই ছাত্রীকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যান তার ‘স্বামী’।

প্রক্টর বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমি পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও র‌্যাবকে জানিয়েছি। আমরা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখেছি। খবর পেয়ে মেয়েটির বাবা এসেছেন। মামলার বিষয়টি তিনিই দেখবেন।’

এ বিষয়ে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্র্রশাসন বিষয়টি আমাদের জানিয়েছে। তার স্বামীই নাকি তাকে নিয়ে গেছেন। আমরা তাকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করেছি।

খবরটি প্রকাশিত হয়েছেঃ বাংলানিউজ২৪

রাজশাহী এক্সপ্রেস রাজশাহী বিভাগ কেন্দ্রিক সর্বপ্রথম ইন্টারনেট মিডিয়া। অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রাজশাহী সম্পর্কিত সব তথ্য গুলোকে সহজে জানার জন্য একত্রিত করে প্রকাশ করাই আমাদের লক্ষ্য। এখানে সংগৃহীত তথ্যগুলোর স্বত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের এবং আমাদের সংগৃহীত প্রতিটা এক্সপ্রেসে সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উদ্ধৃত আছে। এ বিষয়ে আমাদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই।

2 thoughts on “রাবিতে হলের সামনে থেকে ছাত্রী ‘অপহরণ’

  1. রাবি ছাত্রী অপহরণের ঘটনায় নওগাঁর সোহেল রানার (ছাত্রীর স্বামী, তবে ডিভোর্স প্রক্রিয়া চলছে ) বাবা আটক। অবস্থান চিহ্নিত করা হয়েছে সোহেল রানারও। পুলিশ বলছে- দ্রুত ছাত্রীকে উদ্ধার এবং জড়িতদের আটক করা সম্ভব হবে।#

    তথ্য সূত্র: রাবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান।

Comments are closed.