‘রাষ্ট্রীয়ভাবে রাজশাহী শিক্ষানগরী ঘোষণা হবে’

রাজশাহী

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য, নগর সভাপতি ও মেয়রপ্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ঢাকা চট্টগ্রামকে বলা হয় শিল্পনগরী। কারণ সেখানে শিল্পের প্রসার রয়েছে। রাজশাহীকে বলা হয় শিক্ষা নগরী, কিন্তু সেটা লোক মুখেই। এই শিক্ষানগরীর একটি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দরকার। রাজশাহীকে শিক্ষানগরীর স্বীকৃতি এনে দিয়ে তা ঘোষণা করবো আমরা।

শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের কাইছার রহমান চৌধুরী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত রাজশাহীর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের নিয়ে শিক্ষার মান অবকাঠামো ও পরিবেশ উন্নয়নবিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

খায়রুজ্জামান লিটন আরো বলেছেন, শিক্ষকরা হলেন মানুষ গড়ার কারিগর। প্রতিটি সমাজেই শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। রাজশাহীতে কর্মরত সকল শিক্ষকদের জন্য আলাদা আবাসন ব্যবস্থা তৈরি করা হবে। আর সেটার একটি সুন্দর নাম দেয়া হবে। আসন্ন নির্বাচনের প্রথম পাঁচটি ইশতেহারের মধ্যে শিক্ষকদের এই দাবিটি থাকবে।
তিনি আরও বলেন, গত ৫ বছরে রাজশাহীতে কোন উন্নয়ন হয়নি। ঘন্টার হিসেব করতে গেলে রাজশাহী ১৫ বছর পিছিয়ে গেছে। আমি যেভাবে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে ছিলাম, ১৩ সালের নির্বাচনে জয়ী হলে আরও ভাল হতো। কোন বাহন একজনের উপর ভরসা করে চলেনা। আমি আর সদর আসনের এমপি ফজলে হোসেন বাদশা একসাথে কাজ করতে পারলে এই রাজশাহীকে অনেক দূরে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারতাম। এখনও আমাদের দল ক্ষমতায় আছে। আমরা দুই জনে আবারও এই রাজশাহীকে উন্নয়নের দিকে ধাবিত করবো।
সভাপতির বক্তব্যে রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, রাজশাহীর সকল রোগীদের কথা চিন্তা করে রাজশাহী থেকে কোলকাতা রেল যোগাযোগ চালু করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের চেষ্টা থাকবে সপ্তাহে অন্তত দুটি বিমান কোলকাতায় যাতাযাত করবে। রাজশাহীর সাথে পুরো পৃথিবীর যোগাযোগ হবে।
রাজশাহীর উন্নয়নের জন্য আমরা সকলেই সম্মিলিতভাবে কাজ করে চলেছি। লিটন এবার মেয়র হিসেবে আসলে দুই জনে এই রাজশাহীকে বাংলাদেশের স্বপ্নের শহর হিসেবে গড়ে তুলবো । রাজশাহীর সার্বিক উন্নয়নে একসাথে কাজ করবো।

বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির রাজশাহী জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ কামরুজ্জামানের পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় শিক্ষক কর্মচারী ফ্রন্টের রাজশাহী জেলা আহবায়ক শফিকুর রহমান বাদশা, যুগ্ম আহবায়ক মো. আব্দুল বারী, অধ্যক্ষ বাবু রাজকুমার সরকার, অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক, মজিবর রহমান, উপাধ্যক্ষ রইচ উদ্দীন, অধ্যক্ষ আমিনুর রহমান, শাহাবুদ্দিন, অধ্যক্ষ আতাউর রহমিান শিবলী, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি রাজশাহী মহানগর সভাপতি আশরাফ উদ্দীন চৌধুরী প্রমুখ। এছাড়া রাজশাহীর বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

খবর কৃতজ্ঞতাঃ ডেইলি সানশাইন