হুমকীর মুখে সাপাহারের জবই বিলের রাস্তা ও ব্রীজ

নওগাঁ রাজশাহী বিভাগ

সাপাহারের জবই বিল রাস্তা এবং ব্রীজ হুমকির মুখে। মাত্র কয়ে শ’ মিটার বাঁধ না বাঁধানোর কারনে এই সংকট বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সাপাহারের পাঁচ কিলো মিটার রাস্তা ও একটি ব্রীজ নির্মানে মাত্র কয়েক শ’ মিটার রাস্তার ঢাল বাধায়ের জন্য বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। এবারের বর্ষায় পুরো রাস্তা এবং ব্রীজ বিপর্যয়ের মুখে পড়তে যাচ্ছে। উপজেলার সীমান্তবর্তী জবই বিল গর্ভে চলে যাওয়ার মুখে। মাসনা তলা ঘাটে নির্মিত ব্রীজ ও রাস্তার উভয় পার্শ্বের মাত্র ছয়শ’মিটার এলাকার মাটি সরে গিয়ে সদ্য নির্মিত রাস্তা ও একটি ব্রীজ হুমকীর মুখে পড়েছে।

২০১৫-১৬ অর্থ বছরে সরকারের এলজিইডি অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যায়ে বিলের উপর দিয়ে পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা ও বিলের মাঝ খানে একটি ব্রীজ নির্মানের কাজ গত জুন মাসে সমাপ্ত করা হয়। বিলের মধ্যে দিয়ে যাওয়া রাস্তার উভয় পার্শ্বে ঢাল নির্মানে সিসি ব্লক দিয়ে বাধাই করা হয়েছে। রহস্যজনক কারণে বিলের মাঝ খানে ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার উভয় পার্শ্বে প্রায় ছয়শ’মিটার এলাকায় সিসি ব্লক দিয়ে বাধাই করা হয়নি। এই পুরো এলাকা অরক্ষিত অবস্থায় রাখা হয়েছে। রাস্তার বিষয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি এখনো আমলে নেয়নি। বর্তমানে বিল অংশিক পূর্ন হয়েছে। এর মাঝে অরক্ষিত ওই স্থানের উভয় পার্শ্বের মাটি সরে গিয়েছে। রাস্তায় বিভিন্ন জয়গাতে ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তাটির উভয় পার্শ্বে বাধাই করা না হলে অল্প দিনের মধ্যেই সম্পুর্ন রাস্তা ভেঙ্গে যাবে। দুই পারের লোকজনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এই বিষয়ে রাস্তা নির্মানকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রধান ছাদেকুল ইসলাম জানান, পুরো রাস্তায় ঢাল বাঁধাই ও ব্রীজের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। রাস্তার ওই অংশটুকুর জন্য বরাদ্দ না থাকায় তা বাধাই করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তারাও কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলা হয়েছে। কিন্তু কোন কাজ হয়নি। অল্প সময়ের মধ্যে রাস্তার উভয় পার্শ্বে ঢাল বাধাই করা না হলে বর্ষার মধ্যেই রাস্তার ওই অংশটুকু বিলের গর্ভে বিলিন হয়ে যাবে। নব নির্মিত একটি নতুন রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ার পূর্বেই দ্রুত গতিতে মেরামতের জন্য বিলের উভয় পারের হাজার হাজার লোকজন সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খবরঃ দৈনিক সানশাইন