১৭০ রানের লক্ষ্য মাত্রা বেঁধে দিলেন টাইগারদের

খেলাধুলা

দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে সফরকারী দ. আফ্রিকা নির্ধারিত ২০ ওভারে চার উইকেট হারিয়ে তুলেছে ১৬৯ রান। জিততে হলে ও সিরিজে সমতা রাখতে টাইগারদের করতে হবে ১৭০ রান।

স্বাগতিকদের হয়ে নাসির হোসেন দুটি, আরাফাত সানি এবং মুস্তাফিজ একটি করে উইকেট তুলে নেন। শেষ দিকে ডেভিড মিলার ২৮ বলে ৩০ এবং রিলে রুশো ৬ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জয় পাওয়া প্রোটিয়াদের হয়ে দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ব্যাটিং উদ্বোধন করতে নামেন কুইন্টন ডি কক ও এবি ডি ভিলিয়ার্স। টাইগারদের হয়ে বোলিং শুরু করেন আরাফাত সানি। প্রথম ওভার থেকে প্রোটিয়ারা ৯ রান তুলে নেয়।

আরাফাত সানি, নাসির হোসেন, সাকিব আল হাসান, মুস্তাফিজ আর মাশরাফি বোলিং করলেও দলীয় এগারোতম ওভারে এসে উইকেটের দেখা পান আরাফাত সানি। ডি কককে সাব্বিরের তালুবন্দি করেন সানি। আউট হওয়ার আগে ওপেনিং জুটিতে ৯৫ রান তুলে ফেলেন প্রোটিয়া দুই ওপেনার। মিডউইকেটে ক্যাচ দেওয়ার আগে ডি কক করেন ৪৪ রান। ৩১ বলে চারটি চার আর দুটি ছয়ে ডি কক তার ইনিংসটি সাজান।

পরের ওভারে আক্রমণে এসে নাসির হোসেন ফিরিয়ে দেন ডুমিনিকে। ৬ রান করে সাকিবের তালুবন্দি হন ডুমিনি। পরের বলেই ভিলিয়ার্সকে ফিরিয়ে দেন নাসির। উইকেটের পেছনে থাকা মুশফিকের গ্লাভসবন্দি হওয়ার আগে ভিলিয়ার্স ৩৪ বলে ৬ চারে করেন ৪০ রান।

আরাফাত সানি আর নাসির হোসেনের পর উইকেট পান মুস্তাফিজ। ফাফ ডু প্লেসিসকে মুশফিকের তালুবন্দি করেন বাঁহাতি এ পেসার। আউট হওয়ার আগে প্রোটিয়া দলপতি করেন ১৭ বলে ১৬ রান।

দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে হেরে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ সমতা আনার লক্ষ্যে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামে। টস জিতে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে এ ম্যাচে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন দ. আফ্রিকার অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস।