‘বাপ-ছেলে আমারে কামড়াইয়া-চিমড়ায়া কিছু রাখে নাই’

আন্তর্জাতিক জাতীয়

আমার ঘরে প্রথমে আসে ছেলে, পরে আসে বাপ। তারপর আমারে জড়ায়ে ধরে নির্যাতন করে। বাধা দিতে গেলে। আমারে মাইরা-ধইরা, কামড়াইয়া-চিমড়ায়া কিছু রাখে নাই’।

১৮ নভেম্বর শনিবার রাজধানী ঢাকায় এক গণ-শুনানিতে সৌদি আরবে ঘটা যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা এভাবেই বর্ণনা করেন ময়না বেগম।

তিনি কাপড় দিয়ে নিজের মুখ ঢেকে মঞ্চে দাঁড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘নয়মাস এমন নির্যাতনের কারণে তার প্রজনন অঙ্গে যে ক্ষত তৈরি হয়েছে। এজন্য তাকে এখনো চিকিৎসার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে’।

ময়না বেগম দেশের একটি হাসপাতালে ১২শ’ টাকা বেতনে কাজ করতেন। পরে ভালো বেতনে হাসপাতালে চাকরির কথা বলে সৌদি আরবে কাজের জন্য পাঠানো হয় তাকে। কিন্তু তাকে একটি বাড়িতে কাজের জন্য নেয়া হয়। আর বাড়িতেই তিনি যৌন নির্যাতনের শিকার হয়।

ময়না বেগম বলেন, ‘প্রথমে আমাকে এয়ারপোর্ট থেকে গাড়িতে নিতে আসে দুই পুরুষ। দেখে ভয় পাই। পরে ওই বাড়িতে ঢুকে যখন একজন নারীকে দেখি। তখন মনে সাহস আসে। কিন্তু রাতে গোসল করার পর। আমারে পাতলা ফিনফিনে কাপড় পরতে দেয়। সেটা পরতে না চাইলে মারধোর শুরু করে’।

তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী নাই। আমার স্বামী থাকলে আমারে ঘরে উঠাইত না। অনেক কষ্টে ছেলেরে নিয়া আছি’।

সৌদি আরব, জর্ডান, লেবানন বা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ থেকে কাজের জন্য যাওয়া নারীরা কেমন আছেন- এই বিষয়ে আয়োজিত এক গণ-শুনানিতে এভাবেই আরও অনেক ফিরে আসা নারী শ্রমিক যৌন নির্যাতনসহ বিভিন্ন নির্যাতনের বর্ণনা দেন।

খবরটি প্রকাশিত হয়েছেঃ ডেইলি সানশাইন

রাজশাহী এক্সপ্রেস রাজশাহী বিভাগ কেন্দ্রিক সর্বপ্রথম ইন্টারনেট মিডিয়া। অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রাজশাহী সম্পর্কিত সব তথ্য গুলোকে সহজে জানার জন্য একত্রিত করে প্রকাশ করাই আমাদের লক্ষ্য। এখানে সংগৃহীত তথ্যগুলোর স্বত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের এবং আমাদের সংগৃহীত প্রতিটা এক্সপ্রেসে সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উদ্ধৃত আছে। এ বিষয়ে আমাদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই।

2 thoughts on “‘বাপ-ছেলে আমারে কামড়াইয়া-চিমড়ায়া কিছু রাখে নাই’

Comments are closed.