এমপি বাদসার উদ্যোগে স্থায়ী রূপ পাচ্ছে রাজশাহী কলেজ হোষ্টেলে নির্মিত বায়ান্ন’র প্রথম শহীদ মিনার

রাজশাহী কলেজ হোষ্টেলে ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় নির্মিত শহীদ মিনারটি স্থায়ী রূপ পাচ্ছে। বলা হয়ে থাকে তৎকালিন কাদা-মাটি ও ইট-সুরকি দিয়ে তৈরী দেশের প্রথম শহীদ মিনার এটি। যদিও জাতীয়ভাবে এখনো তার স্বীকৃতি মিলেনি। সেই সময় কাদা-মাটির তৈরী এই শহীদ মিনারটি তৈরীর পরপরই ভাষা আন্দোলনের বিরোধীরা তা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়। ভাষা আন্দেলনের ৬৬ বছর অতিক্রান্ত […]

আরোও পড়ুন...

অনন্য স্থাপত্য রাজশাহীর শাহ মখদুম মাজার

রাজশাহী শহরের দরগাপাড়ায় রাজশাহী সরকারি কলেজের কাছে মুসলিম যুগের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন শাহ মখদুম (র:) এর মাজার। বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশন হিসেবে শাহ মখদুম (র:) এর মাজার নির্মাণের সময়কাল নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ শ্যামপুর শিলালিপি ও একটি ফারসি শিলালিপির বরাত দিয়ে অনেকেই বলে থাকেন, সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে এটি নির্মিত। পরে আলী কুলী বেগ মাজারের আমূল সংষ্কার […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী বিভাগের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থানঃ সত্যপীরের ভিটা

সত্যপীরের ভিটা: বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত একটি প্রাচীন স্থাপনা। এটি মূলত নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলারপাহাড়পুর ইউনিয়নে পাহাড়পুর যাদুঘরের পাশে অবস্থিত একটি প্রাচীন বিহার। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। অবস্থান সত্যপীরের ভিটা পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বিহার এর পূর্ব দেয়াল থেকে প্রায় ৩০০ গজ পূর্বদিকে কয়েকটি স্থাপত্য নিদর্শনের ধ্বংসাবশেষ। এই নিদর্শনগুলো নিয়ে বেশ […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীতে ৪৬ বছরেও শহীদের স্বীকৃতি জোটেনি তাদের

রাজশাহী নগরীর বক্ষব্যাধি হাসপাতালের আবাসিক এলাকার একটি কবরে ঘুমিয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী তিন শহীদ। সরকারি চাকরি করেও নিজেদের আবাসিক কোয়ার্টারে গোলাবারুদ রেখে মুক্তিযোদ্ধাদের সরবরাহ করার দায়ে ১৯৭১ সালের ১৪ এপ্রিল পাকিস্তানী সেনারা তাদের গুলি করে হত্যা করে। এর সাত দিন পর তাদের গলিত লাশ উদ্ধার করে একই কবরে মাটি চাপা দেয়া হয়। স্বাধীনতার ৪৬ বছর […]

আরোও পড়ুন...

মুক্তিপাগল মানুষ পাড়া-মহলৱায় সংগঠিত হতে থাকে

একাত্তর সালের ১১ মার্চের আগের কয়েকদিনের ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে আজও সরকারের সঙ্গে সব ধরনের অসহযোগিতা অব্যাহত রাখেন দেশের সব শ্রেণী-পেশার সাধারণ মানুষ। তবে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে স্টেট ব্যাংক, তফসিলী ব্যাংক ও সরকারি ট্রেজারিতে স্বাভাবিক লেনদেন চলে। বাংলাদেশের ভেতরে ডাক, তার ও টেলিফোন যোগাযোগ স্বাভাবিক অবস’ায় ফিরে আসে। অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল ছাড়া সড়ক, রেল […]

আরোও পড়ুন...

একজন শহীদ শিক্ষক এবং একটি দাবী

আজ ১৮ ফেব্রুয়ারি শহীদ ড. জোহা দিবস, ১৯৬৯ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনীর গুলিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটে শহীদ হন ড. জোহা। তিনিই প্রথম বাঙালী শহীদ বুদ্ধিজীবী। স্যার শহীদ সৈয়দ মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা ছিলেন একজন বাঙালী শিক্ষাবিদ এবং অধ্যাপক। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক (তৎকালীন রিডার) ছিলেন। আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী বিভাগের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থানঃ কৃষ্ণপুর গোবিন্দ মন্দির

কৃষ্ণপুর গোবিন্দ মন্দির, পুঠিয়া, রাজশাহীর অন্যতম প্রত্নতাত্বিক স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত। স্থানীয়ভাবে এটি সালামের মঠ নামেও পরিচিত। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।   অবস্থান পুঠিয়া বাজার থেকে দেড় কি:মি: পশ্চিম দিকে খোলা মাঠের ভিতরে ছোট এই মন্দিরটি অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এই স্থাপনাটিকে সালামের মঠ হিসাবে ডাকা হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি একটি গোবিন্দ মন্দির। […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী বিভাগের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থানঃ জগদ্ধাত্রী মন্দির

জগদ্ধাত্রী মন্দির বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত একটি প্রাচীন স্থাপনা। এটি মূলত রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলার অন্তর্গত ও বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। বিবরণ জগদ্ধাত্রী মন্দিরটি একটি প্রাচীন উঁচু আয়তাকার মন্দির। এর অভ্যন্তরে একটি তিনটি কক্ষ আছে। মন্দিরটির উচ্চতা ৮ মিটার, দৈর্ঘ্য ১৬.৩০ মিটার এবং প্রস্থ ১০.৪৭ মিটার। মন্দিরটি দক্ষিণমুখী। মন্দিরের দেয়ালে পলেস্তারার […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী বিভাগের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থানঃ ছোট গোবিন্দ মন্দির, পুঠিয়া

ছোট গোবিন্দ মন্দির রাজশাহীর, পুঠিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি প্রাচীন মন্দির এবং এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলোর একটি।   অবস্থান রাজশাহী জেলা সদর হতে ৩২ কিঃ মিঃ উত্তর-পূর্ব দিকে পুঠিয়া রাজবাড়ির বিশাল চত্বরের বেশ কয়েকটি নজরকাড়া প্রাচীন মন্দিরের মধ্যে এটি একটি। চারআনি মন্দির চত্বরের গোপাল মন্দির এবং বড় আহ্নিক মন্দিরের পাশে এর অবস্থান। […]

আরোও পড়ুন...

জীবন বাঁচানো ঢোপকল এখন রাজশাহীর ‘ঐতিহ্য’!

পানির অপর নাম জীবন। তাই নিজ গর্ভ থেকে উদার চিত্তে তৃষ্ণার্ত মানুষকে পানি দিয়ে অতীতে রাজশাহীবাসীর জীবন রক্ষা করেছিল ঢোপকলগুলো। কিন্তু সময়ের প্রয়োজন ফুরিয়েছে। ঢোপকলগুলো এখন কেবলই ‘ঐতিহ্য’! তবে ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো রক্ষার উদ্যোগ নেই। এ নিয়ে হেরিটেজ রাজশাহীর সভাপতি মাহাবুব সিদ্দিকী বলেন, রাজশাহী নগরীতে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য একসময় প্রসিদ্ধ ছিলো এই ঢোপকল। সেসময় রাজশাহী […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী বিভাগের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থানঃ বড় শিব মন্দির, পুঠিয়া

বড় শিব মন্দির (ইংরেজি: Siva Temple) পুঠিয়া রাজবাড়ির ছয়টি মন্দিরের একটি। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। ইতিহাস গোবিন্দ মন্দির পুঠিয়া রাজপরিবারের তত্ত্বাবধানে রাণী ভুবনময়ী দেবী কর্তৃক নির্মিত হয় ১৮২৩ খ্রিস্টাব্দে। মন্দির নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে। ভুবনময়ী দেবীর নামানুসারে একে ভুবনেশ্বর মন্দিরও বলা হয়ে থাকে। বর্তমান যুগেও এই মন্দিরে নিয়মিত পুজো […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয়স্থানঃ গোপাল মন্দির, পুঠিয়া

গোপাল মন্দির রাজশাহীর, পুঠিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি প্রাচীন মন্দির এবং এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলোর একটি। অবস্থান রাজশাহী জেলা সদর হতে ৩২ কিঃ মিঃ উত্তর-পূর্ব দিকে পুঠিয়া রাজবাড়ির বিশাল চত্বরের বেশ কয়েকটি নজরকাড়া প্রাচীন মন্দিরের মধ্যে এটি একটি। চারআনি মন্দির চত্বরের উত্তর পাশে এর অবস্থান। অবকাঠামো বড় আহ্নিক মন্দিরের পাশে অবস্থিত আয়তাকার […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী বিভাগের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয়স্থানঃ পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন। ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়। পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয়স্থানঃ বাঘা মসজিদ

বাঘা মসজিদ রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। সুলতান নাসিরউদ্দীন নসরাত শাহ ১৫২৩ খ্রিস্টাব্দে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। ইতিহাস মসজিদটি ১৫২৩-১৫২৪ সালে (৯৩০ হিজরি) হুসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা আলাউদ্দিন শাহের পুত্র সুলতান নসরাত শাহ নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় এই মসজিদের সংস্কার করা হয় এবং মসজিদের গম্বুজগুলো ভেঙ্গে […]

আরোও পড়ুন...

ঐতিহাসিক খাপড়া ওয়ার্ড শহীদ দিবস আজ

রাজশাহীর ঐতিহাসিক খাপড়া ওয়ার্ড শহীদ দিবস (২৪ এপ্রিল) রোববার। ১৯৫০ সালের এই দিনে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের খাপড়া ওয়ার্ডে গুলি চালিয়ে কমিউনিস্ট পার্টির সাত কর্মীকে হত্যা করে পাকিস্তানিরা। কারাকর্তৃপক্ষের দুর্ব্যবহার, নিম্নমানের খাবার সরবরাহ ও কারাবিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সুযোগ না দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছিলেন রাজবন্দিরা। নিহতরা হলেন- কমরেড বিজন সেন (রাজশাহী), কম্পরাম সিং (দিনাজপুর), আনোয়ার হোসেন (খুলনা), […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের ৭ নম্বর সেক্টর

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য তৎকালীন অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানকে (বর্তমান বাংলাদেশ) ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে। এটি ছিলো যুদ্ধ পরিচালনার একটি সামরিক কৌশল। ১৯৭১ সালের জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এই সেক্টর গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জানানো হয়, ১১টি সেক্টরের প্রতিটি সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত হবে। […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর দর্শনীয় স্থানঃ হাওয়াখানা

কিভাবে যাওয়া যায়: ঢাকা রাজশাহী মহাসড়কে তারাপুর মোড় হতে দক্ষিণ দিকে ১ কিলোমিটার হেঁটে অথবা রিক্সা ভ্যানে করে যাওয়া যায়। সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ ঢাকা রাজশাহী মহাসড়কের তারাপুর মোড় হতে ১ কিমি দক্ষিণে তারাপুর গ্রামে হাওয়াখানা অবস্থিত।হাওয়াখানার চারপার্শ্বে দিঘী। এটি একটি সুন্দর তেতলা ভবন। ১ম তলা পানির মধ্যে। ২য় ও ৩য় তলা পানির উপরে। পুঠিয়ার রাজাগণ গ্রীস্মকালে […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর দর্শনীয় স্থানঃ গোয়ালকান্দি জমিদার বাড়ি

কিভাবে যাওয়া যায়: গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন জমিদার বাড়িতে তাহেরপুর বা ভবানীগন্জ হইতে ভ্যান, রিক্সা, সি,এন,জি করে আসা যায়। ঐতিহ্যবাহী গোয়ালকান্দি জমিদারবাড়ির জমিদার ছিলেন জমিদার কংস নারায়ন। আনুমানিক 1947 সালের দিকে এদেশের জমি-জমা  বিনিময় প্রথার মাধ্যমে বিনিময় করে ভারত চলে গেছেন। অনেক পর্যটক আসেন এই জমিদার বাড়ি দেখতে। অবস্থান:  গোয়লকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর দর্শনীয় স্থানঃ গোয়ালকান্দি জমিদার বাড়ি

কিভাবে যাওয়া যায়: গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন জমিদার বাড়িতে তাহেরপুর বা ভবানীগন্জ হইতে ভ্যান, রিক্সা, সি,এন,জি করে আসা যায়। ঐতিহ্যবাহী গোয়ালকান্দি জমিদারবাড়ির জমিদার ছিলেন জমিদার কংস নারায়ন। আনুমানিক 1947 সালের দিকে এদেশের জমি-জমা  বিনিময় প্রথার মাধ্যমে বিনিময় করে ভারত চলে গেছেন। অনেক পর্যটক আসেন এই জমিদার বাড়ি দেখতে। অবস্থান: গোয়লকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর দর্শনীয় স্থানঃ পুঠিয়া মন্দির

কিভাবে যাওয়া যায়: রাজশাহী শহর থেকে ০৮ হতে ১৩ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং উত্তর পশ্চিমে দেওপাড়া, কুমারপুর ওবিজয়নগর। রাজশাহীর যে স্থানটি পর্যটকদের সবচেয়ে বেশী আকৃষ্ট করবে সেটি নি:সন্দেহে পুঠিয়া। রাজা পিতাম্বর মূলত: পুঠিয়া রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ষষ্ঠদশ শতাব্দীর শেষভাগে এবং সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে পুঠিয়ায় রাজধানী স্থাপন করেন। একাধিক সুদৃশ্য ইমারত নির্মাণসহ জলাশয় খনন করেন। রাণী […]

আরোও পড়ুন...