রাজশাহীর দর্শনীয় স্থানঃ গোয়ালকান্দি জমিদার বাড়ি

কিভাবে যাওয়া যায়: গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন জমিদার বাড়িতে তাহেরপুর বা ভবানীগন্জ হইতে ভ্যান, রিক্সা, সি,এন,জি করে আসা যায়। ঐতিহ্যবাহী গোয়ালকান্দি জমিদারবাড়ির জমিদার ছিলেন জমিদার কংস নারায়ন। আনুমানিক 1947 সালের দিকে এদেশের জমি-জমা  বিনিময় প্রথার মাধ্যমে বিনিময় করে ভারত চলে গেছেন। অনেক পর্যটক আসেন এই জমিদার বাড়ি দেখতে। অবস্থান: গোয়লকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর দর্শনীয় স্থানঃ পুঠিয়া মন্দির

কিভাবে যাওয়া যায়: রাজশাহী শহর থেকে ০৮ হতে ১৩ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং উত্তর পশ্চিমে দেওপাড়া, কুমারপুর ওবিজয়নগর। রাজশাহীর যে স্থানটি পর্যটকদের সবচেয়ে বেশী আকৃষ্ট করবে সেটি নি:সন্দেহে পুঠিয়া। রাজা পিতাম্বর মূলত: পুঠিয়া রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ষষ্ঠদশ শতাব্দীর শেষভাগে এবং সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে পুঠিয়ায় রাজধানী স্থাপন করেন। একাধিক সুদৃশ্য ইমারত নির্মাণসহ জলাশয় খনন করেন। রাণী […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী জেলার ঐতিহ্য

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত রাজশাহী এক ইতিহাসখ্যাত নগরী। প্রাচীন পুন্ড্রবর্ধন জনপদের অংশ রাজশাহীর জনবসতি হাজার বছরের ঐতিহ্য বহন করছে। মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন, মোগল, ইংরেজরা এ অঞ্চলে শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এ অঞ্চলে রাজারাজড়াদের অবাসস্থলকে কেন্দ্র করে নাম হয়েছে রাজশাহী। পঞ্চদশ শতকে ভাতুরিয়া দিনাজপুরের জমিদার রাজা কংস বা গনেশ এ অঞ্চলের অধিপতি ছিলেন। তিনি রাজা শাহ নামে […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীতে স্বাধীন বাংলার পতাকা ওড়ে ১৮ ডিসেম্বর

১৬ ডিসেম্বর পরাজয় বরণের পর মুক্তিকামী যৌথ বাহিনীর অগ্রগামী দল পাকিস্তানি সৈন্যদের কাছ থেকে সাদা পাগড়ী ও আত্মসমর্পণের চিঠি বুঝে নেন। সেই চিঠি নিয়ে রাজশাহী শহরে বীরদর্পে প্রবেশ করেন। স্বজন হারানোর কষ্ট আর স্বাধীনতার উল্লাসে গোলাপ পানি আর ফুলের পাপড়ি দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্র বাহিনীকে বরণ করে নেয় রাজশাহীর সাধারণ মানুষ। তাদের চা দিয়ে আপ্যায়ন […]

আরোও পড়ুন...

‘শিক্ষক দিবস’ জাতীয় দিন হয়নি আজও!

‘ডোন্ট ফায়ার! আই সেইড, ডোন্ট ফারায়! কোনো ছাত্রের গায়ে গুলি লাগার আগে যেন আমার গায়ে গুলি লাগে।’ ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি এভাবেই ছাত্রদের বাঁচাতে শিনা টান করে নিজে পাকিস্তানি সেনাদের নিশানা হন ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা। যাদের ত্যাগে দেশ ও জাতি ঋণী- ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা এমনি একজন আজন্ম দ্রোহী। উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত রচিত […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় “বদ্ধভূমি স্মৃতিস্তম্ভ”

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রায় আধ কিলোমিটার দূরে এই বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভটি অবস্থিত। এটি নির্মাণের জন্য উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল খালেক ১৯৯৮ সালে সরকারের নিকট সুপারিশ করেন। তারপর পরবর্তী উপাচার্য প্রফেসর এম সাইদুর রহামন খান ১৯৯৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করেন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশের বিভিন্ন বধ্যভূমিতে ১৩টি স্মৃতিসৌধ স্থাপনের জন্য […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীতে নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম “বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর” এর ইতিহাস

রাজশাহী মহানগরীর কেন্দ্রস্থলে হেতমখাঁ সদর হাসপাতালের সামনে প্রাচীন সংগ্রহশালা বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর, যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা এবং বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর । নাটোরের গিঘাপতিয়ার রাজপরিবারের বিদ্যোৎসাহী জমিদার কুমার শরৎকুমার রায়, খ্যাতনামা আইনজীবি ঐতিহাসিক অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় এবং রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষক রমাপ্রসাদ চন্দের প্রচেষ্টায় ১৯১০ সালে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধ থেকে […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর প্রাচীনতম ঐতিহাসিক ভবন ‘বড়কুঠি’র ইতিহাস

বৃটিশ শাসন আমলে দেশী আবহাওয়ার সাথে সংগতি রেখে পাশ্চাত্য রীতিতে অট্টালিকা নির্মাণ প্রথা প্রবর্তিত হয়। এর আগে পর্তূগীজ, ওলন্দাজ, ফরাসী ও ডেনিশ প্রভৃতি অন্যান্য ইউরোপীয় শক্তিসমূহ উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের আধিপত্য স্থাপন করে নিজেদের দেশের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী অট্টালিকা নির্মাণ করে। ঐতিহাসিক দিক থেকে ‘বড়কুঠি’ নামে পরিচিত। প্রাচীন ওলন্দাজ কারখানা ইমারতটি হচ্ছে রাজশাহী শহরের (রামপুর-বোয়ালিয়া) […]

আরোও পড়ুন...

যেভাবে হলো ‘ রাজশাহী ‘ নামকরণ ( ছবিসহ )

রাজশাহী নামটির উদ্ভব কিভাবে হলো এর সুস্পষ্ট কোন ব্যাখ্যা নেই!নামটির উৎপত্তি সম্পর্কে আলোচনা করতে গেলেই কয়েক শতাব্দী পূর্বে ফিরে যেতে হয়। এ শহরের প্রাচীন নাম ছিল ‘মহাকাল গড়’। পরে রূপান্তরিত হয়ে দাঁড়ায় রামপুর-বোয়ালিয়া । ব্রিটিশ আমলের প্রাথমিক যুগের ইতিহাসেও রাজশাহী নামক কোন জনপদ বা স্থানের উল্লেখ নেই । অনেকে মনে করেন, এই জনপদ একদা বহু […]

আরোও পড়ুন...