খরতাপ উপেক্ষা করে বিনোদনকেন্দ্রে মানুষের ঢল

মাথার ওপর সূর্যের তির্যক রশ্মি দেখে বোঝার উপাই নেই ধরায় আষাঢ় নেমেছে। সকাল থেকে প্রখর রোদ। গরমও ধারণ করেছে চরম আকার। এর মধ্যেই চলছে ঈদের ছুটি। এক মাস সিয়াম সাধনার পর কাঠফাটা রোদে ঈদের জামাত শেষে প্রথম দিনের অলস দুপুর কেটেছে তাই গৃহবন্দি থেকেই। ঈদের দিন ভ্যাপসা গরমে বিকেলটাও ছিল ক্লান্তিময়। বেশিরভাগ মানুষই প্রাণভরে ঈদের […]

আরোও পড়ুন...

এখনও শাহ মখদুম রূপোশের নামে পরিচিত রাজশাহী

বহু পীর সাধকের পুণ্যভূমি রাজশাহী। এক সময় এ জনপদের মানুষ কু-সংস্কার আর অপসংস্কৃতি ও কু-প্রথার নিবিড় অন্ধকারের অতলে নিমজ্জিত ছিল। ওই সময় এই মহানগরে দেব-দেবীর নামে নরবলি দেওয়া হতো। মানুষে-মানুষে ছিল ভেদাভেদ। তখন থেকে পীর সাধকের আগমন ঘটতে থাকে। সুদূর মধ্য প্রাচ্যসহ বিভিন্ন স্থান থেকে এদের আগমন ঘটে। তারা অবোধ মানুষের মধ্যে জ্ঞানের দ্বীপ্ত শিখা […]

আরোও পড়ুন...

বিনোদনের সেরা ঠিকানা পদ্মার পাড়!

জৈষ্ঠ্যের আম-কাঁঠাল পাকা ভ্যাপসা গরম। তপ্ত ও গুমোট আবহাওয়া। জনজীবনে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। মানুষ ছাড়াও প্রাণিকূলের মধ্যে তীব্র গরমের এ হাঁসফাঁস। এমন গরমে একটু স্বস্তি নিতে মৃদু-মন্দ হাওয়া শান্তির পরশ পেতে রাজশাহীবাসী ছুটে যান পদ্মা নদীর পাড়ে। স্থানীয়রা ছাড়াও এ সারিতে যোগ দিয়েছেন রাজশাহীতে ঘুরতে আসা পর্যটকরাও। প্রকৃতি প্রেমিক এসব মানুষ পদ্মা নদীর সৌন্দর্যে অভিভূত […]

আরোও পড়ুন...

সঙ্গীর সঙ্গে পরিণয় ঘটতে চলেছে রাজশাহীর সেই ‘গড়াই’র

সঙ্গী পাওয়ার পরও কিছুদিন দূরে দূরেই ছিল গড়াই। কিন্তু চেনাজানার পর শেষ পর্যন্ত কাছাকাছি এসেছে। পুকুরের পানিতে পাশাপাশি স্বাচ্ছন্দে ভেসে বেড়াচ্ছে। আর গড়াইয়ের কারণে তার সঙ্গীরও ৩৪ বছরের নিঃসঙ্গতা ও একাকীত্ব ঘুচেছে। আশা করা হচ্ছে ডিসেম্বরেই দু’জনের মিলন ঘটবে। এর মধ্যে দিয়েই শুভ পরিণয় ঘটতে চলেছে উভয়ের সম্পর্কের। এর পরই আসবে নতুন অতিথি। বলছিলাম ঢাকা চিড়িয়াখানা […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীতে বিনোদনের সব স্রোত মিশেছে একই মোহনায়

ঈদুল আজহার তৃতীয় দিন সোমবার (০৪ সেপ্টেম্বর)। ঈদের তিনদিনের ছুটিও শেষ। কিন্তু তাই বলে কি ঈদ আনন্দ শেষ? মোটেও না। চোখ রাঙিয়ে দুপুরের তপ্ত সূর্য পশ্চিমে গড়াতেই মানুষের ঢল নেমেছে রাজশাহীর বিনোদন স্পটগুলোতে। জনস্রোত দেখে বোঝার উপাই নেই, ঈদের ছুটি শেষ। যেন কেবলই শেষ হয়েছে সাংসারিক সব ব্যস্ততা। এখন কেবল ঈদের অনাবিল আনন্দ উপভোগ আর […]

আরোও পড়ুন...

অনন্য স্থাপত্য রাজশাহীর শাহ মখদুম মাজার

রাজশাহী শহরের দরগাপাড়ায় রাজশাহী সরকারি কলেজের কাছে মুসলিম যুগের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন শাহ মখদুম (র:) এর মাজার। বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশন হিসেবে শাহ মখদুম (র:) এর মাজার নির্মাণের সময়কাল নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ শ্যামপুর শিলালিপি ও একটি ফারসি শিলালিপির বরাত দিয়ে অনেকেই বলে থাকেন, সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে এটি নির্মিত। পরে আলী কুলী বেগ মাজারের আমূল সংষ্কার […]

আরোও পড়ুন...

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শাহ সুজা আমলের বিখ্যাত তাহখানা

ছোট সোনা মসজিদের পশ্চিম পাশ দিয়ে যে রাস্তা গেছে, তা ধরে প্রায় ৫০০ মিটার উত্তর দিকে গেলেই একটি ছোট রাস্তা। সেই রাস্তা ধরে পশ্চিমে এগিয়ে গেলেই পথের উত্তর পাশে একটি বিরাট দীঘি। দীঘির পশ্চিম পাশে পরপর তিনটি ইমারত। সর্ব দক্ষিণের ইমারতকে বলা হয় তাহখান। ফারসি তাহখানা শব্দের অর্থ ঠাণ্ডাঘর। এটি গৌড় অঞ্চলের একমাত্র অট্টালিকা যার […]

আরোও পড়ুন...

মুসলিম যুগের অনন্য মসজিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছোট সোনা মসজিদ

মুসলিম যুগের স্থাপত্য শিল্পের এক অপূর্ব নিদর্শন ছোট সোনা মসজিদ। এ মসজিদ বাংলাদেশের স্থাপত্যকলা ও অলংকরণের এক বিস্ময়। মসজিদটির অবস্থান প্রাচীন গৌড় নগরীর দক্ষিণ প্রাচীরে কোতোয়ালী দরজা থেকে মাত্র ৩ কি.মি দক্ষিণে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তরে ফিরোজপুর মৌজায়। ১৮৮০ সালে স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম পরিদর্শনে এসে মসজিদটির গায়ে সোনালী পদার্থের কারুকার্যময় […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী বিভাগের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থানঃ সত্যপীরের ভিটা

সত্যপীরের ভিটা: বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত একটি প্রাচীন স্থাপনা। এটি মূলত নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলারপাহাড়পুর ইউনিয়নে পাহাড়পুর যাদুঘরের পাশে অবস্থিত একটি প্রাচীন বিহার। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। অবস্থান সত্যপীরের ভিটা পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বিহার এর পূর্ব দেয়াল থেকে প্রায় ৩০০ গজ পূর্বদিকে কয়েকটি স্থাপত্য নিদর্শনের ধ্বংসাবশেষ। এই নিদর্শনগুলো নিয়ে বেশ […]

আরোও পড়ুন...

বনভোজনে মৌসুমে জমজমাট রাজশাহীর কেন্দ্রীয় উদ্যান

বনভোজনের মৌসুমে জমে উঠেছে রাজশাহীর অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যোন ও চিড়িয়াখানা। আশেপাশের জেলাগুলো থেকে বনভোজনে আসছে মানুষ। বিশেষ করে স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীদের সংখ্যা অনেক বেশি। উদ্যোগের পরিবেশ আগের চেয়ে অনেক বেশি হয়েছে। তবে, প্রাণি কম থাকায় দর্শনার্থীদের অনেককেই হতাশা হতে হয়েছে। এখন পিকনিকের মৌসুম। রাজশাহীর অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী বিভাগের দর্শনীয় স্থানঃ রবীন্দ্র কাছারি বাড়ি

রবীন্দ্র কাচারী বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলায় অবস্থিত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পৈত্রিক জমিদার বাড়ি ছিল । ১৮৪২ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দাদা প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর ইংরেজদের কাছ থেকে প্রথম বাড়ীটি কিনে নেন। এটি একটি দোতলা ভবন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯০ সালের দিকে প্রথম শাহজাদপুর এই কুঠিবাড়িতে আসেন এবং এখানেই রচনা করেছেন তার অনেক বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। অবস্থান রবীন্দ্রনাথের কাচারি […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী বিভাগের দর্শনীয় স্থানঃ কুসুম্বা মসজিদ

কুসুম্বা মসজিদ বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার মান্দা থানার কুসুম্বা গ্রামের একটি প্রাচীন মসজিদ। কুসুম্বা দিঘির পশ্চিম পাড়ে, পাথরের তৈরি ধুসর বর্ণের মসজিদটি অবস্থিত। মসজিদের প্রবেশদ্বারে বসানো ফলকে মসজিদের নির্মাণকাল লেখা রয়েছে হিজরি ৯৬৬ সাল (১৫৫৪-১৫৬০ খ্রিষ্টাব্দ)। আফগানী শাসনামলের শুর বংশে শেষদিকের শাসক গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহের আমলে সুলায়মান নামে একজন এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। অবস্থান আত্রাই নদীর […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী বিভাগের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থানঃ কৃষ্ণপুর গোবিন্দ মন্দির

কৃষ্ণপুর গোবিন্দ মন্দির, পুঠিয়া, রাজশাহীর অন্যতম প্রত্নতাত্বিক স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত। স্থানীয়ভাবে এটি সালামের মঠ নামেও পরিচিত। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।   অবস্থান পুঠিয়া বাজার থেকে দেড় কি:মি: পশ্চিম দিকে খোলা মাঠের ভিতরে ছোট এই মন্দিরটি অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এই স্থাপনাটিকে সালামের মঠ হিসাবে ডাকা হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি একটি গোবিন্দ মন্দির। […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী বিভাগের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থানঃ জগদ্ধাত্রী মন্দির

জগদ্ধাত্রী মন্দির বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত একটি প্রাচীন স্থাপনা। এটি মূলত রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলার অন্তর্গত ও বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। বিবরণ জগদ্ধাত্রী মন্দিরটি একটি প্রাচীন উঁচু আয়তাকার মন্দির। এর অভ্যন্তরে একটি তিনটি কক্ষ আছে। মন্দিরটির উচ্চতা ৮ মিটার, দৈর্ঘ্য ১৬.৩০ মিটার এবং প্রস্থ ১০.৪৭ মিটার। মন্দিরটি দক্ষিণমুখী। মন্দিরের দেয়ালে পলেস্তারার […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী বিভাগের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থানঃ ছোট গোবিন্দ মন্দির, পুঠিয়া

ছোট গোবিন্দ মন্দির রাজশাহীর, পুঠিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি প্রাচীন মন্দির এবং এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলোর একটি।   অবস্থান রাজশাহী জেলা সদর হতে ৩২ কিঃ মিঃ উত্তর-পূর্ব দিকে পুঠিয়া রাজবাড়ির বিশাল চত্বরের বেশ কয়েকটি নজরকাড়া প্রাচীন মন্দিরের মধ্যে এটি একটি। চারআনি মন্দির চত্বরের গোপাল মন্দির এবং বড় আহ্নিক মন্দিরের পাশে এর অবস্থান। […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী বিভাগের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থানঃ বড় শিব মন্দির, পুঠিয়া

বড় শিব মন্দির (ইংরেজি: Siva Temple) পুঠিয়া রাজবাড়ির ছয়টি মন্দিরের একটি। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। ইতিহাস গোবিন্দ মন্দির পুঠিয়া রাজপরিবারের তত্ত্বাবধানে রাণী ভুবনময়ী দেবী কর্তৃক নির্মিত হয় ১৮২৩ খ্রিস্টাব্দে। মন্দির নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে। ভুবনময়ী দেবীর নামানুসারে একে ভুবনেশ্বর মন্দিরও বলা হয়ে থাকে। বর্তমান যুগেও এই মন্দিরে নিয়মিত পুজো […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয়স্থানঃ গোপাল মন্দির, পুঠিয়া

গোপাল মন্দির রাজশাহীর, পুঠিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি প্রাচীন মন্দির এবং এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলোর একটি। অবস্থান রাজশাহী জেলা সদর হতে ৩২ কিঃ মিঃ উত্তর-পূর্ব দিকে পুঠিয়া রাজবাড়ির বিশাল চত্বরের বেশ কয়েকটি নজরকাড়া প্রাচীন মন্দিরের মধ্যে এটি একটি। চারআনি মন্দির চত্বরের উত্তর পাশে এর অবস্থান। অবকাঠামো বড় আহ্নিক মন্দিরের পাশে অবস্থিত আয়তাকার […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী বিভাগের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয়স্থানঃ পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন। ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়। পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে […]

আরোও পড়ুন...

অপার সৌন্দর্যে দৃপ্তমান রাবির ‘প্যারিস রোড’

সুউচ্চ গগণ শিরীষের চিরল পাতায় সূর্য-রশ্মির খেলা ছায়া হয়ে ধরা দেয় রাস্তার উপর। অগনিত জুটির প্রেমের স্বাক্ষী সেই রাস্তা। নীল আকাশ ছুঁয়ে দেখার স্বপ্ন নিয়ে প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়া ৩০-৪০ মিটার উঁচু গাছগুলো যেন ঘোষণা করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিমা। বলছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা মোড় থেকে শেরে বাংলা একে ফজলুল হক হল পর্যন্ত দীর্ঘ ‘প্যারিস রোড’র কথা। বিশ্ববিদ্যালয়ের […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয়স্থানঃ ছোট আহ্নিক মন্দির

ছোট আহ্নিক মন্দির পুঠিয়া রাজবাড়ীর সংলগ্ন দক্ষিণ পাশে উত্তর দক্ষিণ দিকে লম্বালম্বি ভাবে এ মন্দিরের অবস্থান। ১৮শ খ্রিস্টাব্দে প্রেম নারায়ণ কর্তৃক এই মন্দিরটি নির্মান করা হয় বলে জানা যায়। অবস্থান রাজশাহী জেলা সদর হতে ৩২ কিঃ মিঃ উত্তর-পূর্ব দিকে এর অবস্থান। এটি পাঁচ আনি রাজবাড়ির পূর্ব ভিটায় বর্তমান পুঠিয়া থানা ভূমি অফিসের (মহারানি হেমন্তকুমারীর বাসভবন) […]

আরোও পড়ুন...