রাজশাহীর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয়স্থানঃ বড় আহ্নিক মন্দির

বড় আহ্নিক মন্দির পুঠিয়া মন্দির চত্বরের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত মন্দির। এটি রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় অবস্থিত। পুঠিয়ার রাজারা এটি নির্মান করেন। অবস্থান রাজশাহী জেলা সদর হতে ৩২ কিঃ মিঃ উত্তর-পূর্ব দিকে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পাশেই এর অবস্থান। এর ঠিক উত্তর পাশে ছোট গোবিন্দ মন্দির অবস্থিত।

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয়স্থানঃ বাঘা মসজিদ

বাঘা মসজিদ রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। সুলতান নাসিরউদ্দীন নসরাত শাহ ১৫২৩ খ্রিস্টাব্দে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। ইতিহাস মসজিদটি ১৫২৩-১৫২৪ সালে (৯৩০ হিজরি) হুসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা আলাউদ্দিন শাহের পুত্র সুলতান নসরাত শাহ নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় এই মসজিদের সংস্কার করা হয় এবং মসজিদের গম্বুজগুলো ভেঙ্গে […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী তিন গম্বুজের শাহী মসজিদ

রাজশাহী শহরের কোলাহল ঠেলে চলে যেতে হবে উত্তরের দিশায়। ১৫ কিলোমিটার পথ পেরোলেই পবা উপজেলার নওহাটা পৌরসভার বাগধানী কাচারীপাড়া। আর সেখানেই রয়েছে ২২৩ বছর পুরোনো তিন গম্বুজ বিশিষ্ট ঐতিহাসিক শাহী জামে মসজিদ। এখন পর্যন্ত রাজশাহী জেলার যে ক’টি প্রাচীন নিদর্শন রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম এটি। মসজিদের একপাশ দিয়ে চলে গেছে সবুজ বেষ্টনীর রাজশাহী-তানোর সড়ক। অন্যপাশ […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও দর্শনীয়স্থানঃ কিসমত মারিয়া মসজিদ

কিসমত মারিয়া মসজিদ রাজশাহী শহরের অদূরে দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি প্রাচীন মসজিদ। আনুমানিক ১৫০০ সালে এটি নির্মিত হয়েছিল। অবস্থান এই মসজিটটি রাজশাহী জেলার দূর্গাপুর উপজেলার মারিয়া গ্রামে অবস্থিত। রাজশাহী সদর হতে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক ধরে প্রায় ১৩ কি.মি. গেলে শিবপুর বাজার নামক স্থান হতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাইনবোর্ড ধরে এগিয়ে ৪-৫ কি.মি. গেলে এই মসজিদ পাওয়া […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর বিনোদনের কেন্দ্রসমূহ

টি-গ্রোয়েন ও পদ্মার তীর ‍ঃ টি (T) আকৃতিক গ্রোয়েন ও নদীর তীর মহানগরীর অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র। প্রতিদিন বিকেল থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত ‍অসংখ্য মানুষ বিশাল নীলাকাশের নিচে সূর্যের সোনালী কিরণ মাখা পদ্মার ওপারের বেলে ভূমি, সবুজ প্রকৃতি দেখা ও পদ্মার হিমেল বাতাস গায়ে মেখে সারা দিনের অবসাদ দুর করার জন্য ভিড় জমায়। অনেকে ভাড়া নৌকায় পদ্মার […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর বিনোদন কেন্দ্র: শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা

শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা রাজশাহী মহানগরবাসীর অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র। এটি রাজশাহী শহরের অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র এবং শিশুপার্ক হিসেবেও ব্যাবহৃত হয়। ইতিহাস ব্রিটিশ আমলে ইংরেজরা আমাদের দেশে ঘোড়দৌড় বা রেস খেলার প্রচলন করে। খেলা দেখা ও বাজি ধরায় প্রচন্ড উত্তেজানা সৃষ্টি হত। শহরাঞ্চলেই ঘোড়দৌড় মাঠ বা রেসকোর্স ছিল। রেসের নেশায় দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ […]

আরোও পড়ুন...

আমযজ্ঞ দেখতে চাঁপাইনবাবঞ্জের শিবগঞ্জ-কানসাট

মনে হবে যেন আমের রাজ্যে এসেছি। চারিদিকে শুধু আম আর আম। বাগানে বাগানে আম। আড়তে আড়তে আম। রাস্তা-ঘাট, পথে মাঠে আম। উদোম গায়ে পাড়ার ছোট শিশুটির হাতেও আম। এক কথায় আমযজ্ঞ! হ্যাঁ, আমের রাজধানী খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ-কানসাটের কথা বলছি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সতের কিলোমিটার দূরে সোনা মসজিদ স্থলবন্দর সড়কের মাঝামাঝি পড়বে শিবগঞ্জ-কানসাট। পথে যেতে যেতে দেখবেন […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহী চিড়িয়াখানায় বাঘ নেই, সিংহের খাঁচায় পাখি

রাজশাহীর শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানায় বাঘ ও সিংহের খাঁচা শূন্য। এভাবে এই চিড়িয়াখানার বেশির ভাগ খাঁচাই খালি। দর্শনীয় পশুপাখি এখানে নেই বললেই চলে। সিংহের খাঁচায় রাখা হয়েছে একটি পেলিক্যান পাখি। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের অধীনে পরিচালিত চিড়িয়াখানাটি আধুনিকায়নের জন্য ২০১০ সালে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ওই প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর দর্শনীয় স্থানঃ পুঠিয়া রাজবাড়ী

কিভাবে যাওয়া যায়:  রাজশাহী জেলা সদর হতে ৩২ কিঃমিঃ উত্তর- পূর্বে নাটোর মহাসড়ক অভিমুখে পুঠিয়া অবস্থিত। বাসে করে দেশের যে কোন স্থান হতে পুঠিয়া আসা যায় এবং ট্রেনে করে নাটোর অথবা রাজশাহী নেমেও সড়কপথে সহজে আসা যায়। পাঁচআনি জমিদারবাড়ি বা পুঠিয়া রাজবাড়ী: ১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়ীটি […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর দর্শনীয় স্থানঃ তুলসি ক্ষেত্র

কিভাবে যাওয়া যায়: রাজশাহী জেলা সদর হতে রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের মোহনপুর উপজেলা হতে আরা ২.৫ কিমি উত্তরদিকে সইপাড়া নামক স্থনে নামতে হবে, সইপাড়া থেকে ৬ কিমি পশ্চিমে গেলেই তুলসি ক্ষেত্র স্পটটি পাওয়া যাবে । রাজশাহী হতে বাস, সিএনজি, মিশুক, যোগে সইপাড়া আসা যাবে জন প্রতি ভাড়া (রাজশাহী-সইপাড়া) ৩০-৫০ টাকা এরপর সইপাড়া থেকে সিএনজি, অটো, ভ্যান যোগে […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর দর্শনীয় স্থানঃ হাওয়াখানা

কিভাবে যাওয়া যায়: ঢাকা রাজশাহী মহাসড়কে তারাপুর মোড় হতে দক্ষিণ দিকে ১ কিলোমিটার হেঁটে অথবা রিক্সা ভ্যানে করে যাওয়া যায়। সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ ঢাকা রাজশাহী মহাসড়কের তারাপুর মোড় হতে ১ কিমি দক্ষিণে তারাপুর গ্রামে হাওয়াখানা অবস্থিত।হাওয়াখানার চারপার্শ্বে দিঘী। এটি একটি সুন্দর তেতলা ভবন। ১ম তলা পানির মধ্যে। ২য় ও ৩য় তলা পানির উপরে। পুঠিয়ার রাজাগণ গ্রীস্মকালে […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর দর্শনীয় স্থানঃ গোয়ালকান্দি জমিদার বাড়ি

কিভাবে যাওয়া যায়: গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন জমিদার বাড়িতে তাহেরপুর বা ভবানীগন্জ হইতে ভ্যান, রিক্সা, সি,এন,জি করে আসা যায়। ঐতিহ্যবাহী গোয়ালকান্দি জমিদারবাড়ির জমিদার ছিলেন জমিদার কংস নারায়ন। আনুমানিক 1947 সালের দিকে এদেশের জমি-জমা  বিনিময় প্রথার মাধ্যমে বিনিময় করে ভারত চলে গেছেন। অনেক পর্যটক আসেন এই জমিদার বাড়ি দেখতে। অবস্থান:  গোয়লকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর দর্শনীয় স্থানঃ গোয়ালকান্দি জমিদার বাড়ি

কিভাবে যাওয়া যায়: গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন জমিদার বাড়িতে তাহেরপুর বা ভবানীগন্জ হইতে ভ্যান, রিক্সা, সি,এন,জি করে আসা যায়। ঐতিহ্যবাহী গোয়ালকান্দি জমিদারবাড়ির জমিদার ছিলেন জমিদার কংস নারায়ন। আনুমানিক 1947 সালের দিকে এদেশের জমি-জমা  বিনিময় প্রথার মাধ্যমে বিনিময় করে ভারত চলে গেছেন। অনেক পর্যটক আসেন এই জমিদার বাড়ি দেখতে। অবস্থান: গোয়লকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর দর্শনীয় স্থানঃ পুঠিয়া মন্দির

কিভাবে যাওয়া যায়: রাজশাহী শহর থেকে ০৮ হতে ১৩ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং উত্তর পশ্চিমে দেওপাড়া, কুমারপুর ওবিজয়নগর। রাজশাহীর যে স্থানটি পর্যটকদের সবচেয়ে বেশী আকৃষ্ট করবে সেটি নি:সন্দেহে পুঠিয়া। রাজা পিতাম্বর মূলত: পুঠিয়া রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ষষ্ঠদশ শতাব্দীর শেষভাগে এবং সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে পুঠিয়ায় রাজধানী স্থাপন করেন। একাধিক সুদৃশ্য ইমারত নির্মাণসহ জলাশয় খনন করেন। রাণী […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর দর্শনীয় স্থানঃ সরমংলা ইকোপার্ক

কিভাবে যাওয়া যায়: উপজেলার ডাইংপাড়া মোড় থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার পূর্ব দিকে গোদাগাড়ী-আমনুরা সড়কের পার্শ্বে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা সরমঙ্গলা ইকোপার্ক।   সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলায় অবস্থিত সরমংলা ইকো পার্কটি ২০০৩ সালের দিকে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে উপজেলার নিত্যনন্দপুর থেকে হরিশংকরপুর পর্যন্ত ২৭ কিলোমিটার খাঁড়ি খনন করার পর খাঁড়ির দুই পাড়ে বিভিন্ন ফলজ […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর দর্শনীয় স্থানঃ সাফিনা পার্ক

কিভাবে যাওয়া যায়: গোদাগাড়ী উপজেলা সদর ডাইংপাড়ার পূর্বদিকে ৮ কিলোমিটার দূরে গোদাগাড়ী-আমনুরা সড়কের পার্শ্বে দিগরাম খেঁজুরতলা। এই খেঁজুরতলা সাফিনা পার্কে যাওয়ার সময় রাস্তার দুই ধারের ফসলের যে সবুজের সমাহার ঘটেছে তা পর্যটক ও দর্শনার্থীদের দৃষ্টি কাড়বে।   সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: রাজশাহী জেলাধীন গোদাগাড়ী উপজেলায় অবস্থিতসাফিনা পার্কের যাত্রা শুরু। ব্যক্তিগত উদ্যোগে উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের দিগরাম খেঁজুরতলায় ৪০ […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর পর্যটন অঞ্চল/দর্শনীয় স্থান সমূহ [পর্ব-১০]

দু’বছর পরেই স্টেশনটির বয়স হবে একশত বছর। বৃটিশ আমলের ইট সুরকির লাল দালান। চারপাশে সবুজ বৃক্ষরাজি। স্টেশনটি আর দশটির মতো নয়। টিকিট কাউন্টার, ওয়েটিং রুমসহ অন্যান্য কক্ষ সমতলে। আর ট্রেনে উঠতে হয় স্টেশন থেকে প্রায় ৩০ ফুট ওপরে গিয়ে। আঁকাবাঁকা সিড়ি উঠে গেছে উপরের দিকে। এটি অনেকটাই দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি স্টেশনগুলোর মতো। দুদিকে উঁচু উঁচু গাছ। […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর পর্যটন অঞ্চল/দর্শনীয় স্থান সমূহ [পর্ব-৯]

নাটোরের বনলতা সেন পৃথিবীর সব মানুষকে সকালবেলা ঘুম থেকে জাগাতে বোধহয় এই একটা লোভই দেখানো হয়, ‘আরলি টু রাইজ এন্ড আরলি টু বেড, মেকস অ্যা ম্যান আমাকেও এমন জ্ঞান দিচ্ছিলেন আমার এক আত্মীয়, বড় ভাই। আমি প্রতিবাদ করলাম, এটা কোনও কথা না। ঘুমই আসল জিনিস। মাথা ঠাণ্ডা রাখে। চিন্তা করার জন্য মস্তিষ্ককে প্রস্তুত করে। আর […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর পর্যটন অঞ্চল/দর্শনীয় স্থান সমূহ [পর্ব-৮]

রাজশাহী বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা নাটোর। আর নাটোরের কথা এলেই কেন জানি শুধু কাঁচা গোল্লার কথা মনে পড়ে। কি সুস্বাদু সেই কাঁচা গোল্লা! যাক সে কথা, এ নাটোর জেলার উত্তরে নওগাঁ ও বগুড়া জেলা, দক্ষিণে পাবনা ও কুষ্টিয়া  জেলা, পূর্বে পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলা এবং পশ্চিমে রাজশাহী জেলা। আত্রাই, বড়াল, নারদ ও নন্দকুঁজা জেলার প্রধান […]

আরোও পড়ুন...

রাজশাহীর পর্যটন অঞ্চল/দর্শনীয় স্থান সমূহ [পর্ব-৭]

দেখে আসুন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা মহান ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্ম। তার ভেতরেই একটি অবকাঠামো শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডের পূর্বপ্রান্তে এবং শহীদ মিনারের পাদদেশে ১৯৯০ সালের ২১ ফেব্র“য়ারি দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এই সংগ্রহশালার উদ্বোধন করেন তিন শহীদ শিক্ষকপতœী বেগম ওয়াহিদা রহমান, বেগম মাস্তুরা খানম এবং শ্রীমতি চম্পা সমাদ্দার। প্রথমের দিকে […]

আরোও পড়ুন...